বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকে যা ঢুকানো হয়েছে....
বাংলাদেশ একটি উন্নতমানের
ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। এ দেশের পাঠ্যপুস্তকে ইসলামের নাম আনলে পাপ হয়। তবে
পাঠ্যপুস্তকে ৮ম শ্রেণীতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে রামায়ন, ৯ম শ্রেনীতে কৃষ্ণের লীলকীর্তন, ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে গোমাতাবাদ, ৭ম শ্রেণীতে
দূর্গা দেবীর প্রশংসা, ৯ম শ্রেণীতে
দেবী অন্নপূর্ণার প্রশংসা তথা মঙ্গলকাব্য।
যাই হোক, সিলেবাসে তো থাকবেই কিছু হিন্দু ধর্মাবলম্বী কবিতা, তাতে কি? ক্লাসেও
থাকতে হবে পরমধর্ম হিন্দু। এই তো কিছুদিন পর (আগামী ১৩ই ফেব্রুয়ারী) হবে স্বরসতী
পূজা। প্রতি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হবে
স্বরসতী পূজা। হিন্দু শিক্ষার্থীদের সাথে মুসলিম শিক্ষার্থীরাও সেই দেবী স্বরসতীর
মূর্তি বানাতে টাকা দেবে, দেবীর প্রতি
উৎসর্গকৃত প্রসাদ খাবে, মুসলিম
শিক্ষার্থীরাও দেবী স্বরসতীর কাছে জ্ঞান ভিক্ষা চাইবে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মন্ত্র পাঠ করবে- “দেবীর কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে” মানে স্বরসতী দেবীর স্তনের প্রশংসা করে মুসলিম শিক্ষার্থীরা
স্কুল-কলেজে পড়ালেখা শুরু করবে।
তবে পশ্চিমবঙ্গের দিক্ষাও কম নয়।
পশ্চিমবঙ্গে স্বরসতী পূজাকে স্বরসতী পূজা নামে ডাকা হয় না। ডাকা হয় ‘বাঙালীর ভ্যালেন্টাইন ডে’ নামে। মানে
এই স্বরসতী পূজার দিন স্কুলে ছেলে মেয়েদের প্রেম-ভালোবাসার হাতেখড়ি হয়, এটা পশ্চিমবঙ্গে স্ট্যাবলিশ কালচার।
আবার ফিরে
আসছি বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে। বাংলাদেশের মুসলমানরা খুবই উদার এটা
আমি জানি। তারা নামাজও পড়ে আবার স্বরসতী পূজাও করে। স্কুল-কলেজে মেতে উঠে স্বরসতী
দেবীর স্তনের প্র্শংসায়সূচক মন্ত্র-স্তুতিতে। একটু পূজা-টূজা করলে ধর্ম নষ্ট হয়
এটা কে বলেছে ?? পূজা করা
তো বাঙালী সংস্কৃতির অংশ, তাহলে
সমস্যা কি ?
আসলে সত্যিই
বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষতার একটি আদর্শ মডেল রাষ্ট্র।এ দেশে শুধু ইসলাম-ই নিষিদ্ধ, বাকি সব সিদ্ধ। আর হ্যা, জনগণও সেটা
মেনে নিয়েছে বৈকি.......
Enter your comment...ডিজিটাল বাংলায় সবকিছু সম্ভাব ৷ সত্য কথা বলতে গেলে বিপদ অাছে
ReplyDeleteEnter your comment...ভাই অাপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ অাপনার সুন্দর লেখার জন্য ৷ অাপনার ফেসবুক আইডি অানপাবলাইশ হওয়াতে অামি খুবই ব্যাথিত
ReplyDelete