সাংবাদিকরা যে কত বড় খাঃপোঃ এই একটি রিপোর্টই তা বোঝার জন্য যথেষ্ট। আমাদের সময় পত্রিকায় মাত্র ১ জন সাংবাদিক (খাঃপোঃ) দাবি করছে- ৪০ হাজার খামারী নাকি কোরবানির পশুকে বিষাক্ত ঔষধ সেবন করিয়েছে । (http://goo.gl/OjMb0m)
আচ্ছা ,
৪০ হাজার খামারী লক্ষ লক্ষ পশুকে কি ঔষধ খাওয়িছে সেটা মা্ত্র ১ জন সাংবাদিক (খাঃপোঃ) দেখলো কিভাবে ?? সেও কি ঔষধ খাওয়ানোর সময় গরুর সাথে খামারে ঘাস খাচ্ছিলো ??
যারা কোরবানীর পশুতে বিষ আছে বলে প্রচার করে, তাদের প্রতি আমার প্রশ্ন-
১) প্রতিদিন মানুষ কসাইয়ের দোকান থেকে যে মাংশ কিনে খায় সেসব গরুগুলোকে কি বিষাক্ত কোন ঔষধ খাওয়ানো হয়নি ??
২) আমরা ফাস্টফুডে যে বিফ বার্গার খাই, চাইনিজ রেস্টুরেন্টে বিফ মাসালা খাই, হোটেলে গরুর কালো ভুনা খাই, সেসব গরুগুলোকে কি বিষাক্ত ঔষধ দেয়া হয় নাই ??
যদি দেয়া হয়, তবে ৩৬৫ দিন ঐ সব গরুতে বিষ আছে এমন কেন খবর প্রচার করা হচ্ছে না কেন ?? কেন ঈদ ছাড়া বাকিদিনগুলোতে সাংবাদিক (খাঃপোঃ)রা চুপ থাকে?
আর ঐ সব মাংশে যদি বিষই থাকে, তবে তা খেয়ে কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা পড়ছে না ???
তারমানে বোঝা যাচ্ছে- শুধু কোরবানী ঈদ এলেই গরুর মাংশে বিষ আছে প্রচার করাটা উদ্দেশ্যমূলক এবং সাংবাদিক (খাঃপোঃ)-দের বিশেষ উদ্দেশ্য লাভের কারণ।
হ্যা ঠিক ধরেছেন। আমারদের সময় পত্রিকার ঐ সাংবাদিক (খাঃপোঃ) নির্ঘাৎ খামারিদের কাছে গিয়েছিলো চাদা চাইতে, চাদা না পেয়ে এ ধরনের বিকৃত নিউজ ছেপে দিয়েছে। ৪০ হাজার খামারীকে করতে চেয়েছে সর্বস্বান্ত।
আমি খামারিদের প্রতি অনুরোধ করবো-
যেখানে এ ধরনের সাংবাদিক (খাঃপোঃ) পাবেন, সেখানেই লাইভ গণপিটুনি দিন।
সাংবাদিকরা যে কত বড় খাঃপোঃ এই একটি রিপোর্টই তা বোঝার জন্য যথেষ্ট। আমাদের সময় পত্রিকায় মাত্র ১ জন সাংবাদিক (খাঃপোঃ) দাবি করছে- ৪০ হাজার খামারী নাকি কোরবানির পশুকে বিষাক্ত ঔষধ সেবন করিয়েছে । (http://goo.gl/OjMb0m)
আচ্ছা ,
৪০ হাজার খামারী লক্ষ লক্ষ পশুকে কি ঔষধ খাওয়িছে সেটা মা্ত্র ১ জন সাংবাদিক (খাঃপোঃ) দেখলো কিভাবে ?? সেও কি ঔষধ খাওয়ানোর সময় গরুর সাথে খামারে ঘাস খাচ্ছিলো ??
যারা কোরবানীর পশুতে বিষ আছে বলে প্রচার করে, তাদের প্রতি আমার প্রশ্ন-
১) প্রতিদিন মানুষ কসাইয়ের দোকান থেকে যে মাংশ কিনে খায় সেসব গরুগুলোকে কি বিষাক্ত কোন ঔষধ খাওয়ানো হয়নি ??
২) আমরা ফাস্টফুডে যে বিফ বার্গার খাই, চাইনিজ রেস্টুরেন্টে বিফ মাসালা খাই, হোটেলে গরুর কালো ভুনা খাই, সেসব গরুগুলোকে কি বিষাক্ত ঔষধ দেয়া হয় নাই ??
যদি দেয়া হয়, তবে ৩৬৫ দিন ঐ সব গরুতে বিষ আছে এমন কেন খবর প্রচার করা হচ্ছে না কেন ?? কেন ঈদ ছাড়া বাকিদিনগুলোতে সাংবাদিক (খাঃপোঃ)রা চুপ থাকে?
আর ঐ সব মাংশে যদি বিষই থাকে, তবে তা খেয়ে কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা পড়ছে না ???
তারমানে বোঝা যাচ্ছে- শুধু কোরবানী ঈদ এলেই গরুর মাংশে বিষ আছে প্রচার করাটা উদ্দেশ্যমূলক এবং সাংবাদিক (খাঃপোঃ)-দের বিশেষ উদ্দেশ্য লাভের কারণ।
হ্যা ঠিক ধরেছেন। আমারদের সময় পত্রিকার ঐ সাংবাদিক (খাঃপোঃ) নির্ঘাৎ খামারিদের কাছে গিয়েছিলো চাদা চাইতে, চাদা না পেয়ে এ ধরনের বিকৃত নিউজ ছেপে দিয়েছে। ৪০ হাজার খামারীকে করতে চেয়েছে সর্বস্বান্ত।
আমি খামারিদের প্রতি অনুরোধ করবো-
যেখানে এ ধরনের সাংবাদিক (খাঃপোঃ) পাবেন, সেখানেই লাইভ গণপিটুনি দিন।
No comments