মুসলমানদের করুণ পরিণতির কারণ
একটু আগে ছবিটা একজন ইনবক্সে দিয়ে বললো-
“দাদা, ইসলাম ধর্মে বলা আচ্ছে ১০ মহাররম তারিখ পৃথিবী ধ্বংস (কেয়ামত) হবে। এই দিনটাকে আমরা ছোটবেলা থেকে খুব ভয় পেতাম। এদিন আসলে আমরা পরিবারের সবাই মিলে শুধু আল্লা আল্লা করতাম, যদি আজ কেয়ামত হয়ে যায়। তখণ কি হবে ? কিন্তু আজকাল মুসলমানরা কেমন যেন হয়ে গেছে। এই ১০ মহাররম তারিখে ধর্ম-কর্ম বাদ দিয়ে খেলায় মেতে আছে। দেখুন, বৃষ্টির মধ্যে চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে ঢুকতে কেমন ভীড় লেগেছে, আবার ১০০ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে ১ হাজার টাকায়। এই জাতির ভাগ্যে কি আছে বলুন তো ?”
আসলে বাংলাদেশে এখন যে স্টেজটা চলছে সেটাকে বলে ডি-মরালাইজেশন এর শেষ স্টেজ। বিদেশী শত্রুরা চায় মুসলমানদের ডিমরালাইজ করে তাদের দেশ দখল করার জন্য। যেমন- ইরাক, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, কাশ্মীর অথবা সিরিয়া, সব জায়গায় এই ডিমরালাইজেশনের স্টেজ শেষ হওয়ার পরই বিদেশী শত্রু এসে ধ্বংস করেছে মুসলমানদের।
আসলে বাংলাদেশে এখন যে স্টেজটা চলছে সেটাকে বলে ডি-মরালাইজেশন এর শেষ স্টেজ। বিদেশী শত্রুরা চায় মুসলমানদের ডিমরালাইজ করে তাদের দেশ দখল করার জন্য। যেমন- ইরাক, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, কাশ্মীর অথবা সিরিয়া, সব জায়গায় এই ডিমরালাইজেশনের স্টেজ শেষ হওয়ার পরই বিদেশী শত্রু এসে ধ্বংস করেছে মুসলমানদের।
সম্প্রতি পূজায় উপলক্ষে-
১) রাজশাহী সাহেব বাজারে মসজিদের সামনে মণ্ডপ বানিয়েছে হিন্দুরা,
২) রাজশাহী সিটি কলেজের ভেতর মণ্ডপ বানিয়ে স্থানীয় মুসলমানদের নামাজে বিঘ্ন ঘটিয়েছে হিন্দুরা,
৩) ঢাবির শহীদুল্লাহ মুসলিম হলের ভেতর মণ্ডপ বানিয়েছে, এবং মুসলমানদের নামাজে বাধা দিয়েছে,
৪) যশোরে নামাজের সময় মন্ডপের মাইক থেকে ননস্টপ গান বাজিয়েছে। পুলিশের নিষেধাজ্ঞার পরও নামাজ ও আযানের সময় বন্ধ করেনি।
৫) পাবনায় পূজা উপলক্ষে গরু জবাই নিষিদ্ধ হয়েছে,
৬) ঢাকাস্থ বাসাবো কদমতলা স্কুলের সামনে পুলিশের এসআই কামাল রাস্তা বন্ধ করে মুসলমানদের নিজ বাসায় প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে,
৭) ভারতে না পারলেও বাংলাদেশে ৭১ ফুট মূর্তি বানিয়েছে, ৩০ হাজার মণ্ডপ বানিয়েছে, বাগেরহাটে ১ মণ্ডপে ৬০১টি মূর্তি বাসিয়েছে।
১) রাজশাহী সাহেব বাজারে মসজিদের সামনে মণ্ডপ বানিয়েছে হিন্দুরা,
২) রাজশাহী সিটি কলেজের ভেতর মণ্ডপ বানিয়ে স্থানীয় মুসলমানদের নামাজে বিঘ্ন ঘটিয়েছে হিন্দুরা,
৩) ঢাবির শহীদুল্লাহ মুসলিম হলের ভেতর মণ্ডপ বানিয়েছে, এবং মুসলমানদের নামাজে বাধা দিয়েছে,
৪) যশোরে নামাজের সময় মন্ডপের মাইক থেকে ননস্টপ গান বাজিয়েছে। পুলিশের নিষেধাজ্ঞার পরও নামাজ ও আযানের সময় বন্ধ করেনি।
৫) পাবনায় পূজা উপলক্ষে গরু জবাই নিষিদ্ধ হয়েছে,
৬) ঢাকাস্থ বাসাবো কদমতলা স্কুলের সামনে পুলিশের এসআই কামাল রাস্তা বন্ধ করে মুসলমানদের নিজ বাসায় প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে,
৭) ভারতে না পারলেও বাংলাদেশে ৭১ ফুট মূর্তি বানিয়েছে, ৩০ হাজার মণ্ডপ বানিয়েছে, বাগেরহাটে ১ মণ্ডপে ৬০১টি মূর্তি বাসিয়েছে।
হিন্দুদের এই যে উদ্ধতভাব কিন্তু এমনি এমনি হয়নি। হয়েছে শুধুমাত্র মুসলমানদের ডি-মরালাইজেশন বা নৈতিক অধঃপতনের কারণে। মুসলমানরা এখন ভালো-মন্দ যাচাই করতে ভুলে গেছে। আর সেই সুযোগে হিন্দুত্ববাদ দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করিয়ে দেয়া হচ্ছে। হিন্দুদের এই বাড় বাড়ার জন্য অনেকে সরকারকে দোষ দেয়। কিন্তু এটা পুরোপুরি সঠিন নয়। যে দেশের সাধারণ জনগণ এত বিরাট পরিমাণে আবাল, সেই দেশের সরকার হিন্দু তোষণ করবে না তো কি করবে ?
আমি আপনাদেরকে সতর্ক করতে চাই, খুব শিঘ্রই বাংলাদেশ সিরিয়ান পরিণতির এগিযে যাচ্ছে। এ অবস্থায় মুসলমানদের শক্ত প্রতিবাদ করা ছাড়া আর উপায় নেই।

No comments