ফেণীতে মুসলমানদের ফাঁসাতে ভ্রুণ হত্যার নাটক সাজিয়েছে হিন্দুরা
গত বেশ কিছুদিন যাবত বাংলাদেশের হিন্দুরা একটা বিষয় নিয়ে খুব আন্দোলন করছে। বলছে- ফেনীতে নাকি কোন হিন্দু মহিলার পেটে লাথি মেরে ৭ মাস বয়সী পেটের বাচ্চাকে গর্ভপাত করে হত্যা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এ ঘটনাকে উপলক্ষ্য করে হিন্দুরা মুসলমানদের উপর প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে, অনেক মুসলমানকে এ অভিয়োগে গ্রেফতারও করা হয়েছে।
অথচ আক্রান্ত হিন্দু নারী এবং ভ্রুণটির ছবি দেখে যে প্রশ্নগুলো সবার মনে উদিত হয়েছে-
১) সাত মাসের গর্ভবতী মহিলাকে যদি পেটে লাথি মের গর্ভপাত করা হয় তবে পেটের বাচ্চা তো মরবেই সেই সঙ্গে মহিলারও জীবনসংশয় হবে। ইউটেরাস স্থানচ্যূত হয়ে নেমে যাবে, ক্রমাগত ব্লিডিং হবে যার ফলে সিভিয়ার অ্যানিমিয়া দেখা দেবে। মরে যাওয়ার খুবই সম্ভাবনা। যদি বাঁচে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী হয়ে থাকবে। ঘটনার পর ছবির মহিলাকে (ডান পাশের) দেখে কি ওই সিম্পটমগুলোর সঙ্গে মেলানো যাচ্ছে? যদি সত্যিই তাই হত তার পক্ষে বসে থাকাই সম্ভব হত না। তার শরীরে কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। তার স্বামীর শরীরেও নয়। মুসলমানরা কিচ্ছু না করে বিনা বাধায় তার পেটে লাথি মেরে চলে গেল, তাই না?
২) গর্ভ থেকে ছিঁড়ে বার করলে ভ্রুণের সারা দেহ রক্তে মাখামাখি থাকা উচিত। ছবিতে দেখা যাচ্ছে তার মাথা ঘন কালো। অথচ চুল লম্বা নয়। মনে হয় একবার কামানো হয়েছে। ভ্রূণর দেহের এবং মাথার চুল (scalp hair and body hair) তৈরি হয় সাত মাসের (গর্ভাবস্থা) পরই। কিন্তু এত ঘন চুল বা ভ্রু থাকার কথা নয়।
মূলতঃ উপরের দুটি ছবি প্রমাণ করে আঘাতের কারণে নয় বরং স্বাভাবিকভাবেই মৃত বাচ্চা প্রসব করে ঐ হিন্দু মহিলাটি। কিন্তু যেহেতু একটা ঘটনা ঘটে গেছে (মাগরীবের নামাজের সময় পটকা ফোটানো নিয়ে কলহ), তাই সেটাকে রং দিয়ে মুসলমানদের ফাঁসাতে ভ্রুণ হত্যার নাটক সাজিয়েছে হিন্দুরা।
উল্লেখ্য এর আগেও গত ২৩শে অক্টোবর নাটোরের গুরুদাসপুরে ‘মুসলমানরা হিন্দুদের মন্দির ভাংচুর করেছে’ বলে মামলা করেছিলো হিন্দুরা। এতে অনেক মুসলমানকে গ্রেফতার করে রিমান্ডেও নেয়া হয়। কিন্তু পরে ফাঁস হয় মুসলিমরা নয়, হিন্দুরা নিজেরাই নিজেদের মূর্তি ভেঙ্গে মুসলমানদের ঘাড়ে দোষ দিয়েছিলো। (http://goo.gl/Bb1Axx, http://goo.gl/UFNqbu)
আমি বুঝি না, বাংলাদেশের হিন্দুরা এত রাজারহালে থাকার পর কেন বিভিন্ন নাটক সাজিয়ে তারা মুসলমানদের হয়রানি করতে চায় ? এদের উদ্দেশ্যটা কি ? মিথ্যা ঘটনা বানিয়ে মুসলমানদের নামে মামলা দেওয়া, মুসলমানদের কষ্ট দেওয়া ছাড়া কি আর তাদের কোন কাজ নেই ?
আসলে প্রত্যেক হিন্দুরা একটা লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকে। যে উদ্দেশ্যটা আজ থেকে ৫০০ বছর আগে হিন্দু গুরু শ্রী চৈতন্য বলেছিলো- “নির্যবন করো আজি সকল ভূবন”, যার অর্থ “মুসলিমমুক্ত করো আজ পুরো পৃথিবী”। আসলে এই বাক্যটি সকল হিন্দুর জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, আর এ কারণেই এ ধরনের নাটকের ঘটনাগুলো ঘটে।
সবাইকে ধন্যবাদ।
(বি: দ্র: এ সন্দেহ শুধু আমার একার নয়, কলকাতার অনেক উগ্র হিন্দু এ ঘটনাকে স্পষ্ট নাটক বলেই জানিয়েছে---https://goo.gl/MOzrFl, https://goo.gl/u8sEi1)।
অথচ আক্রান্ত হিন্দু নারী এবং ভ্রুণটির ছবি দেখে যে প্রশ্নগুলো সবার মনে উদিত হয়েছে-
১) সাত মাসের গর্ভবতী মহিলাকে যদি পেটে লাথি মের গর্ভপাত করা হয় তবে পেটের বাচ্চা তো মরবেই সেই সঙ্গে মহিলারও জীবনসংশয় হবে। ইউটেরাস স্থানচ্যূত হয়ে নেমে যাবে, ক্রমাগত ব্লিডিং হবে যার ফলে সিভিয়ার অ্যানিমিয়া দেখা দেবে। মরে যাওয়ার খুবই সম্ভাবনা। যদি বাঁচে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী হয়ে থাকবে। ঘটনার পর ছবির মহিলাকে (ডান পাশের) দেখে কি ওই সিম্পটমগুলোর সঙ্গে মেলানো যাচ্ছে? যদি সত্যিই তাই হত তার পক্ষে বসে থাকাই সম্ভব হত না। তার শরীরে কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। তার স্বামীর শরীরেও নয়। মুসলমানরা কিচ্ছু না করে বিনা বাধায় তার পেটে লাথি মেরে চলে গেল, তাই না?
২) গর্ভ থেকে ছিঁড়ে বার করলে ভ্রুণের সারা দেহ রক্তে মাখামাখি থাকা উচিত। ছবিতে দেখা যাচ্ছে তার মাথা ঘন কালো। অথচ চুল লম্বা নয়। মনে হয় একবার কামানো হয়েছে। ভ্রূণর দেহের এবং মাথার চুল (scalp hair and body hair) তৈরি হয় সাত মাসের (গর্ভাবস্থা) পরই। কিন্তু এত ঘন চুল বা ভ্রু থাকার কথা নয়।
মূলতঃ উপরের দুটি ছবি প্রমাণ করে আঘাতের কারণে নয় বরং স্বাভাবিকভাবেই মৃত বাচ্চা প্রসব করে ঐ হিন্দু মহিলাটি। কিন্তু যেহেতু একটা ঘটনা ঘটে গেছে (মাগরীবের নামাজের সময় পটকা ফোটানো নিয়ে কলহ), তাই সেটাকে রং দিয়ে মুসলমানদের ফাঁসাতে ভ্রুণ হত্যার নাটক সাজিয়েছে হিন্দুরা।
উল্লেখ্য এর আগেও গত ২৩শে অক্টোবর নাটোরের গুরুদাসপুরে ‘মুসলমানরা হিন্দুদের মন্দির ভাংচুর করেছে’ বলে মামলা করেছিলো হিন্দুরা। এতে অনেক মুসলমানকে গ্রেফতার করে রিমান্ডেও নেয়া হয়। কিন্তু পরে ফাঁস হয় মুসলিমরা নয়, হিন্দুরা নিজেরাই নিজেদের মূর্তি ভেঙ্গে মুসলমানদের ঘাড়ে দোষ দিয়েছিলো। (http://goo.gl/Bb1Axx, http://goo.gl/UFNqbu)
আমি বুঝি না, বাংলাদেশের হিন্দুরা এত রাজারহালে থাকার পর কেন বিভিন্ন নাটক সাজিয়ে তারা মুসলমানদের হয়রানি করতে চায় ? এদের উদ্দেশ্যটা কি ? মিথ্যা ঘটনা বানিয়ে মুসলমানদের নামে মামলা দেওয়া, মুসলমানদের কষ্ট দেওয়া ছাড়া কি আর তাদের কোন কাজ নেই ?
আসলে প্রত্যেক হিন্দুরা একটা লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকে। যে উদ্দেশ্যটা আজ থেকে ৫০০ বছর আগে হিন্দু গুরু শ্রী চৈতন্য বলেছিলো- “নির্যবন করো আজি সকল ভূবন”, যার অর্থ “মুসলিমমুক্ত করো আজ পুরো পৃথিবী”। আসলে এই বাক্যটি সকল হিন্দুর জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, আর এ কারণেই এ ধরনের নাটকের ঘটনাগুলো ঘটে।
সবাইকে ধন্যবাদ।
(বি: দ্র: এ সন্দেহ শুধু আমার একার নয়, কলকাতার অনেক উগ্র হিন্দু এ ঘটনাকে স্পষ্ট নাটক বলেই জানিয়েছে---https://goo.gl/MOzrFl, https://goo.gl/u8sEi1)।

সুখে থাকতে ভুতে কিলায় বাংলার হিন্দুদের।
ReplyDeleteara upore o na , nichero na jhulonto,,,,,,,,,,,,,allah valo janen
ReplyDelete