Header Ads

ad728
  • Breaking News

    ক্রিকেট দলে বিশেষ কোটা


    বাংলাদেশ ক্রিকেট দলেও যে অঘোষিত হিন্দু কোটা আছে, আশাকরি এতদিনে তা সবাই বুঝে গেছেন। এ কোটার বিশেষত্ব- কোটায় চান্স পাওয়া খেলোয়াড় যতই খারাপ খেলুক, যতই গোল্লা মারুক, তাকে কিছুই বলা যাবে না, দল থেকে বাদ দেওয়া হবে না, বার বার তার মধ্যে ‘আশার আলো’ খুজতে হবে। তবে ভুলেও আপনি কিছু বলতে যাবেন না, বললেই হয়ে যাবেন- “সাম্প্রদায়িক” আর ‘আনসারুল্লাহ সদস্য’।
    আসলে এই সমস্যা এখন শুধু বাংলাদশের ক্রিকেট টিমে নয়, সরকারি চাকুরী, বেসরকারি চাকুরীসহ সকল স্থানে।
    বর্তমানে দেখা যাচ্ছে-
    ১) সকল অফিস-আদালতে গণহারে ঢোকানো হচ্ছে হিন্দু, তার যোগ্যতার থাকুক বা না-থাকুক, অধিক যোগ্যতা সম্পন্ন মুসলমানকে টপকিয়ে ঢুকানো হচ্ছে তাকে, কারণ বিশেষ নির্দেশ বা লবিং আছে, কিছুই করার নেই।
    ২) বেসরকারী চাকুরীতেও প্রচুর ঢুকছে হিন্দু, তবে সেটা যোগ্যতা বলে নয়, তোষণ বলে। হিন্দু চাকুরেরা ন্যাকা গলায় কোম্পানির চেয়্যারম্যানকে এতটাই তোষণ করে যে, একেবারে দেবতা বানিয়ে ছাড়ে। একজন মানুষের মুখে নিজেকে দেবতা শুনতে, কার না ভালো লাগে বলুন। আর চাকুরে যদি হয় কোটার নারী সদস্য, তবে তো কথাই নেই। কোটার নারীরা যতটুকু বিশেষ সার্ভিস দিতে পারবে, সেটা তো মুসলিম নারীদের পক্ষে চিন্তা করাও সম্ভব নয়। তাই সব কথা বলার প্রয়োজন নেই।
    ৩) কোটাপ্রাপ্ত ব্যক্তির আবার বিশেষ স্বভাব আছে। সে যদি কোন অফিস ভালো পদে একবার ঢুকতে পারে, তবে ঐ অফিসের অধিকাংশ পোস্টে নিজ ধর্মের লোক নিয়ে আসবে। এ কাজ করতে তাকে যতটা নির্লজ্জ হতে হয় হবে, তবুও অফিসকে হিন্দুকরণ করা তার চাই চাই। তার এ সকল কার্যক্রমের কারণে সবাই এক সময় বলবে- “কিরে এটা কি হিন্দুদের অফিস নাকি ? সব কর্মকর্তা-কর্মচারি দেখি হিন্দু ?” আসলে না, একজনই ঢুকেছিলো, বাকিটা সেই সরবরাহ করেছে।
    ৪) কোটা পদ্ধতিতে ঢোকার পর কোটাপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপর মহল/বসের সাথে বিশেষ সম্পর্কবলে তার নিচের লোকদের উপর হয়রানির স্টিম রোলার চালাবে, নানাবিদ মেন্টাল টর্চার করবে। সবার মধ্যে কেবল একটি ভয় কাজ করবে, “না জানি- বসের কাছে ঐ কোটা ভিত্তিক লোকটা কিছু বলে আমার চাকরী কেড়ে নেয়, আমাকে দূরে কোথাও বদলি হতে হয়।”
    উপরের যে কথাগুলো বললাম, তা কিন্তু স্বপ্নে পাওয়া নয়, কারেন্ট বাংলাদেশের কারেন্ট অবস্থা। বাংলাদেশের অফিস-আদালতে এখন এই বাস্তবতাই ঘটছে। তবে কেউ কিছু বলতে পারছে না, কারণ বর্তমান যুগে কোটায় চান্স পাওয়ার লোকের বিরুদ্ধে বলা নিষেধ, দোষ খোজা নিষেধ। ঠিক যেমন এখন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলে লিটন কুমার দাসের বিরুদ্ধে কিছু বলা যায় না, জোর করে তার মধ্যে আশার আলো খুজতে হয়, ঠিক তেমন।
    সবাইকে ধন্যবাদ।

    3 comments:

    1. ভোটের জন্য যারা দাশ, ধোঁপা, কামার, কুমারের মত দলিতদের পা চাঁটে তারা ঐ দলিতদের চেয়েও অধম।

      ReplyDelete
    2. কবে জাতির বিবেক খুলবে?

      ReplyDelete
    3. ঠিক বলেছেন দাদা

      ReplyDelete

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728