বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হিন্দুদের পূজা নিয়ে আসার রহস্য কি ??
আজকাল বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে একটি জিনিস বেশ জোরে সোরেই হচ্ছে, তা হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পূজা উদযাপন। এখন টার্গেট নিয়েই প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে পূজা নিয়ে আসছে হিন্দুরা। ইতিমধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা ‘সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ’ নামক অনলাইনে একটি গ্রুপও খুলেছে। আগে সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরস্বতী পূজা হতো। এখন সরস্বতীর পাশাপাশি দূর্গা পূজা, জন্মাষ্টমী, হোলি পূজা কালী, দীপাবলী সব পূজাই শুরু হয়ে গেছে। ধিরে ধিরে সবগুলো পূজাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়ে আসাই যে তাদের টার্গেট তা বোঝা যাচ্ছে।সত্যিই বলতে, পূজার করার জন্য মন্দির যথেষ্ট, কিন্তু সেই মন্দির ছাপিয়ে পূজা যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়ে আসা হয়, তখন তার পেছনের কারণ খুজতে হয়। কি উদ্দেশ্যে, কি কারণে পূজাগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসা হচ্ছে ? কি লক্ষ্য নিয়ে হিন্দুরা এক কাজটি করছে, সা সত্যিই চিন্তার বিষয়।
এক্ষেত্রে জম্মু কাশ্মীরের ঘটনা বর্ণনা করা যায়। জম্মু-কাশ্মীরে এক সময় প্রায় পুরো মুসলিম অধ্যুষিত ছিলো। হিন্দুরা দেখলো সেখানে হিন্দু জনবসতি গড়তে না পারলে সেখানে প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব নয়। তাই এক হিন্দু নেতা নতুন ফন্দি আটলো। সে করলো কি জম্মু-কাম্মীরের গুহার ভেতর ঠাণ্ডায় জমে যাওয়া একটি ঝর্ণাকে শিবলিঙ্গ বলে ঘোষণা দিলো। এবং বললো এটি হিন্দু ধর্মের অন্যতম নিদর্শন, তাই প্রতি বছর ভ্রমণ করতে হবে। ব্যস, শুরু হয়ে গেলো হিন্দুদের আনাগোনা এবং অনেক হিন্দু বসতি গড়লো সেখানে।
এতো গেলো ভারতের কথা। বাংলাদেশেই দেখুন। ঢাকাস্থ রমনা কালী মন্দিরের ইতিহাস বলে, এখানে এক মুসলিম নবাবের কর্মচারি স্ত্রীর নাম ছিলো আনন্দময়ী। মুসলমানদের অনুমতি নিয়ে এখানে আশ্রম গড়েছিলো ঐ কর্মচারির স্ত্রী। আর এখন হিন্দুরা দাবি করে-পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যান-ই নাকি হিন্দুদের এবং মুসলমানরা তা দখল করেছে।
আসলে হিন্দু ধর্ম হচ্ছে একটা দখলদারী ধর্ম, তাকে যেখানে পূজা করতে দিবেন, সেটাই আজ হোক-কাল হোক সে দখল করে নিবে। বিষয়টি আপনি চিন্তা করতে পারেন চুইংগাম আর চুলের সাথে। একটা চুইংগামকে যদি আদর করে চুলের সাথে এটে দেন, তবে সে দ্রুত চুলের সাথে জড়াতে থাকে। যতক্ষণ আপনি চুলসহ কেটে চুইংগামটি দূর না করবেন, ততক্ষণ সে আপনার চুলের মধ্যে দখলদারিত্ব বিস্তার করতেই থাকবে, করতেই থাকবে।
এই যে প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিন্দুদেরকে পূজা উদযাপন করতে দেওয়া হচ্ছে, এটাতে যে বাংলাদেশের মুসলমানদের কি ভয়ঙ্কর ক্ষতি হচ্ছে সেটা তারা এখন বুঝতে পারছে না। তবে যখন বুঝবে, তখন কপাল চাপড়ানো ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।
সবাইকে ধন্যবাদ।
ছবি-- রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দীপাবলী পূজা, যশোরের এমএম কলেজ, সিলেটের শাবিপ্রবিতেও দেখলাম দীপাবলী উদযাপিত হয়েছে।
No comments