একটি হাসির রহস্য উদঘাটনের চেষ্টায়..........
‘ইভিল লাফ’ বা ‘শয়তানের হাসি’ নামক একটা বিষয় মাঝে মাঝে শুনতে পাই। সাধারণভাবে সিনেমার ভিলেনরা এ হাসি প্রয়োগ করে। দুষ্কর্ম করে, অতঃপর সেই দুষ্টু কাজে সফল হলে ইভিল লাফের অস্তিত্বের দেখা মিলে।
একজন সাধারণ মানুষের জন্য সেই ‘ইভিল লাফ’ করা সত্যিই সম্ভব নয়। কেননা, সে যখন দেখে, তার দ্বারা কোন অন্যায় হয়েছে, তখন সে অন্যায়ের জন্য অনুতপ্ত হয়, তাই হাসি আসার প্রশ্ন আসে না, বরং আসে দুঃখ ও ক্ষমাপ্রার্থনা।
সে হিসেবে ‘ইভিল লাফ‘ ঐ কোয়ালিটির লোকের দ্বারা সম্ভব, যাদের সিনেমায় ভিলেনের চরিত্রে দেখানো হয়।
সে হিসেবে ‘ইভিল লাফ‘ ঐ কোয়ালিটির লোকের দ্বারা সম্ভব, যাদের সিনেমায় ভিলেনের চরিত্রে দেখানো হয়।
এবার একটু অন্যদিকে আলোচনা করছি,
ধরুন, কেউ কাউকে সজোরে আঘাত করে আহত করতে চায়, এটা কিন্তু মাত্র ১ সেকেন্ডের মধ্যে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়। বরং প্রতিপক্ষের প্রতি তীব্র বিদ্বেষের দরুণ সে আগে থেকেই মাইন্ড সেট করে রেখেছিলো ছিলো যে, সুযোগ পেলেই প্রতিপক্ষের বারোটা বাজাবে। অথবা বিদ্বেষটা শুধু ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে নয়, বরং জাতিগত, যা রক্তে-মাংশে মিশে আছে। তাই সুযোগ পাওয়া মাত্র ব্রেইনের চেতন ও অবচেতন সেকশন আর ভিন্নদিকে চিন্তা করেনি, সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। এক্ষেত্রে ধোনির ব্রেইনের কার্যক্ষমতার প্রশংসা করতে হয় বৈকি। কারণ
ধরুন, কেউ কাউকে সজোরে আঘাত করে আহত করতে চায়, এটা কিন্তু মাত্র ১ সেকেন্ডের মধ্যে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়। বরং প্রতিপক্ষের প্রতি তীব্র বিদ্বেষের দরুণ সে আগে থেকেই মাইন্ড সেট করে রেখেছিলো ছিলো যে, সুযোগ পেলেই প্রতিপক্ষের বারোটা বাজাবে। অথবা বিদ্বেষটা শুধু ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে নয়, বরং জাতিগত, যা রক্তে-মাংশে মিশে আছে। তাই সুযোগ পাওয়া মাত্র ব্রেইনের চেতন ও অবচেতন সেকশন আর ভিন্নদিকে চিন্তা করেনি, সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। এক্ষেত্রে ধোনির ব্রেইনের কার্যক্ষমতার প্রশংসা করতে হয় বৈকি। কারণ
১) সুযোগ পাওয়া মাত্র গায়ের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আঘাত,
২) আঘাতের পরের সেকেন্ডে অপরাধ করেও নিজের পক্ষে ঘটনার মোড় নিতে উল্টো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে অ্যাম্পায়ারকে বলা (ঠিক যেখাবে আমেরিকা সাধারণ মানুষকে হত্যা করে, ‘জঙ্গীরা অন্যায় করেছে বলে মারা হয়েছে’ এমন বিবৃতি দিয়ে ঘটনার মোড় ঘুরানোর চেষ্টা করে, ঠিক সেভাবে।)
৩) সফল আঘাত হয়েছে, প্রতিপক্ষ আহত হয়েছে, আবার তার নামে অ্যাম্পায়ারের কাছে বিচারও দেওয়া হয়েছে। মিশন সাকসেসফুল। তা্ই অবচেতন মনেই ধোনীর মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছে সেই ‘ইভিল লাভ’।
২) আঘাতের পরের সেকেন্ডে অপরাধ করেও নিজের পক্ষে ঘটনার মোড় নিতে উল্টো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে অ্যাম্পায়ারকে বলা (ঠিক যেখাবে আমেরিকা সাধারণ মানুষকে হত্যা করে, ‘জঙ্গীরা অন্যায় করেছে বলে মারা হয়েছে’ এমন বিবৃতি দিয়ে ঘটনার মোড় ঘুরানোর চেষ্টা করে, ঠিক সেভাবে।)
৩) সফল আঘাত হয়েছে, প্রতিপক্ষ আহত হয়েছে, আবার তার নামে অ্যাম্পায়ারের কাছে বিচারও দেওয়া হয়েছে। মিশন সাকসেসফুল। তা্ই অবচেতন মনেই ধোনীর মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছে সেই ‘ইভিল লাভ’।
বি: দ্র:
বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। দু’পক্ষই অফিসিয়ালী বলেছে- এ ধরনের ঘটনা খেলার মধ্যে ঘটা স্বাভাবিক। তবে অফিসিয়ালী যাই বলা হোক, বাস্তবিক অর্থে এ ধরনের বিদ্বেষসূচক মানসিকতা অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়। যেমনটা দেখা যায়- প্রতিদিন সীমান্তে সাধারণ বাংলাদেশীদের উপর, ২০০২ সালে দেখা গিয়েছিলো গুজরাটের সংখ্যালঘুদের উপর, কিংবা মাঝে মাঝে দেখা যায় আদিত্যনাথ-স্বাধ্বী প্রাচীর হেট স্পিচে। সত্যিই কথা বলতে ধোনি শুধু তাদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে মাত্র।
বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। দু’পক্ষই অফিসিয়ালী বলেছে- এ ধরনের ঘটনা খেলার মধ্যে ঘটা স্বাভাবিক। তবে অফিসিয়ালী যাই বলা হোক, বাস্তবিক অর্থে এ ধরনের বিদ্বেষসূচক মানসিকতা অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়। যেমনটা দেখা যায়- প্রতিদিন সীমান্তে সাধারণ বাংলাদেশীদের উপর, ২০০২ সালে দেখা গিয়েছিলো গুজরাটের সংখ্যালঘুদের উপর, কিংবা মাঝে মাঝে দেখা যায় আদিত্যনাথ-স্বাধ্বী প্রাচীর হেট স্পিচে। সত্যিই কথা বলতে ধোনি শুধু তাদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে মাত্র।
No comments