মূর্তি ভাঙ্গার অজুহাতে মুসলিম ছাত্রকে মারপিট
বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার একটি উপজেলা আছে, নাম ফুলবাড়ি। গত ১লা আগস্ট সেখানে একটি বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যায়।
উপজেলার নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা গিয়েছিলো স্কুলের কলেজের আওতাধীন একটি পুকুর পাড়ে গিয়েছিলো পিকনিক করতে। পিকনিকের এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা পুকুরে মাছ ধরার সিদ্ধান্ত নেয়। উল্লেখ্য পুকুরের পাশেই ছিলো হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাস। হিন্দু সম্প্রদায়ের জনগণ আবার ঐ পুকুরটিকে নিজেদের বলে দাবি করতো।
উপজেলার নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা গিয়েছিলো স্কুলের কলেজের আওতাধীন একটি পুকুর পাড়ে গিয়েছিলো পিকনিক করতে। পিকনিকের এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা পুকুরে মাছ ধরার সিদ্ধান্ত নেয়। উল্লেখ্য পুকুরের পাশেই ছিলো হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাস। হিন্দু সম্প্রদায়ের জনগণ আবার ঐ পুকুরটিকে নিজেদের বলে দাবি করতো।
যাই হোক, শিক্ষার্থীরা যখন মাছ ধরার প্ল্যান করছিলো, ঠিক সে সময় পার্শ্ববর্তী হিন্দুপাড়ার জনগণ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একত্র হতে থাকে। পুরো পাড়ার হিন্দু একত্র হয়ে আকস্মিক হামলা করে শিক্ষার্থীদের উপর। এতে আহত হয়, ছাত্র রফিকুল ইসলাম, ছাত্র আনোয়ারুল ইসলাম, ছাত্র শাহাদত হোসেন লিটন, ছাত্র মাহাবুব হোসেন, ছাত্র মিলন মিয়া ও ছাত্র কামরুল হাসান। এছাড়াও আহত হয়েছে রানা, বাবু, সুমন মিয়া প্রমূখ। এদের মধ্যে কলেজ ছাত্র রফিকুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। অন্যরা ফুলবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফাতেমা খাতুন জানান, ঘটনার পর রফিকুল নামক এক ছাত্র বাড়ি ফেরার সময় ফের মন্দির কমিটির লোকজন তাকে টেনে হিচড়ে মন্দিরে ঢুকিয়ে মারপিট করে। এতগুলো লোক একজনকে মারলো, অথচ এখন হিন্দুরা উল্টো দাবি করছে ছাত্ররা নাকি মূর্তি ভাংচুর করেছে। কলেজ অধ্যক্ষ স্পষ্ট বলেন- ছাত্ররা মূর্তি ও মন্দির ভাংচুর করে নাই।
নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফাতেমা খাতুন জানান, ঘটনার পর রফিকুল নামক এক ছাত্র বাড়ি ফেরার সময় ফের মন্দির কমিটির লোকজন তাকে টেনে হিচড়ে মন্দিরে ঢুকিয়ে মারপিট করে। এতগুলো লোক একজনকে মারলো, অথচ এখন হিন্দুরা উল্টো দাবি করছে ছাত্ররা নাকি মূর্তি ভাংচুর করেছে। কলেজ অধ্যক্ষ স্পষ্ট বলেন- ছাত্ররা মূর্তি ও মন্দির ভাংচুর করে নাই।
এ ঘটনাটি স্থানীয় মিডিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করলেও, জাতীয় মিডিয়ায় আসে নাই। এমনকি অকারণে ছাত্র প্রহৃত হওয়ার পরও নয়। কিন্তু কি কারণে বাংলাদেশে মেইনস্ট্রিম মিডিয়া বিষয়টি এড়িয়ে গেলো তা কারো জানা নাই ......
No comments