বাংলাদেশ চাকুরী ক্ষেত্রে গণহারে হিন্দু নিয়োগ, বঞ্চিত মুসলিমরা
ঘটনা: ১
ভারতের পন্ডিচেরি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ২০০৭-১৩ সাল পর্যন্ত ছিলো এক মুসলিম ভিসি। নাম জালিস আহমেদ খান তারিন। বিজেপি সরকার আসার পর গত বছর এই ভিসির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ- সে নাকি তার ভিসি থাকা অবস্থায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে মুসলিমিকরণ করেছে, স্টাফ হিসেবে শুধুই মুসলমানদের নিয়োগ দিয়েছে। শুধু তাই নয়- আরো অভিযোগ এই ভিসি মুসলমানদের জন্য একটি মসজিদও বানিয়ে দিতে চেয়েছে এবং হালাল খাবারের ব্যবস্থাও করতে চেয়েছে। অভিযোগ দায়ের হওয়ার ভারতের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের তরফ থেকে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করতে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তদন্ত করে জানতে পারে- ঐ বিশ্ববিদ্যালয়টির স্টাফদের মধ্যে মাত্র ৬% হচ্ছে মুসলিম। উল্লেখ্য পুরো ভারতে সরকারি হিসেবে মুসলিম জনংখ্যা ১৫% (প্রকৃত হিসেব আরো বেশি)। সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন মুসলিম ভিসি থাকা অবস্থায় ৬% স্ট্যাফ মুসলিম নিয়োগ হলেই সেখানে ইসলামিকীকরণের গন্ধ পায় হিন্দুরা। সরকারিভাবে অভিযোগ তদন্ত করা হয় ভিসির বিরুদ্ধে। অথচ একই ঘটনা বাংলাদেশের হলে কি ঘটতো ?? (তথ্যসূত্র: http://goo.gl/qnPR1o,http://goo.gl/AxSJjf)
ঘটনা : ২
২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর দৈনিক কালেরকণ্ঠে একটি খবর প্রকাশ পায়। খবরে একটি গোপন ভিডিও ফুটেজের রেফারেন্স দিয়ে দেখানো হয়, ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ নিয়োগের সময় চলেছে মারাত্মক সাম্প্রদায়িকীকরণ। ভাইবা বোর্ডে পিএসসির সদস্য সমর চন্দ্র পাল পরীক্ষার্থী উৎপল কুমার চৌধুরীকে অতিরিক্ত ২০ নম্বর দিয়ে উত্তীর্ণ করে দিয়েছে। যদিও উৎপল কুমার চৌধুরীর চেয়ে অনেক মেধাবী মুসলিম পরীক্ষার্থী ছিলো, কিন্তু মুসলমানদের বাদ দিয়ে শুধু হিন্দু হওয়ার কারণে সুযোগ পেয়েছে উৎপল কুমার চৌধুরী।(http://goo.gl/70kAL3)
২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর দৈনিক কালেরকণ্ঠে একটি খবর প্রকাশ পায়। খবরে একটি গোপন ভিডিও ফুটেজের রেফারেন্স দিয়ে দেখানো হয়, ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ নিয়োগের সময় চলেছে মারাত্মক সাম্প্রদায়িকীকরণ। ভাইবা বোর্ডে পিএসসির সদস্য সমর চন্দ্র পাল পরীক্ষার্থী উৎপল কুমার চৌধুরীকে অতিরিক্ত ২০ নম্বর দিয়ে উত্তীর্ণ করে দিয়েছে। যদিও উৎপল কুমার চৌধুরীর চেয়ে অনেক মেধাবী মুসলিম পরীক্ষার্থী ছিলো, কিন্তু মুসলমানদের বাদ দিয়ে শুধু হিন্দু হওয়ার কারণে সুযোগ পেয়েছে উৎপল কুমার চৌধুরী।(http://goo.gl/70kAL3)
ঘটনা:৩
কিছুদিন আগে বাংলাদেশ সরকার পলিসি, প্ল্যানিং ও ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণের জন্য ২২ জন অতিরিক্ত সচিবকে পাঠাচ্ছিলো। এর মধ্যে ১৪ অর্থাৎ ৬৩% হচ্ছে হিন্দু !!! (সূত্র:http://goo.gl/nNqPuy)
কিছুদিন আগে বাংলাদেশ সরকার পলিসি, প্ল্যানিং ও ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণের জন্য ২২ জন অতিরিক্ত সচিবকে পাঠাচ্ছিলো। এর মধ্যে ১৪ অর্থাৎ ৬৩% হচ্ছে হিন্দু !!! (সূত্র:http://goo.gl/nNqPuy)
বাংলাদেশে বেকারত্বের হার দিন দিন বাড়ছে। একটি জরিপে দেখা গেছে বাংলাদেশের শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই বেকার। দেশের শিক্ষিত যুবক শ্রেণী সামান্য একটি চাকুরী জন্য হন্যে হয়ে ঘুড়ে বেড়ায় সারাদিন। মাত্র ৫টি পদের জন্য আবেদন জমা পড়ে ২৫ হাজার। যে মেধাবী যুবকটির ২৫ হাজার টাকা বেতনের চাকুরী পাওয়া উচিত, সে মাত্র ৮ হাজার টাকা বেতনের চাকুরী পেলে আকাশের চাঁদ হাতে পায়। অথচ চাকুরীর এই কঠিন বাজারের মধ্যে বেকারদের জন্য খড়গ হিসেবে নেমে এসেছে ৫৫% কোটা সিস্টেম। ফলে মেধা থাকার পরও চাকুরী পায় না অনেক যুবক। এর মধ্যে নতুন করে যোগ হয়েছে ‘হিন্দু কোটা’। হিন্দু হলে সহজেই সরকারী চাকুরী পাওয়া যায়, প্রমোশন পাওয়া যায়। বাংলাদেশের জনংখ্যার মাত্র ২-৩% হিন্দু, কিন্তু চাকুরীক্ষেত্রের তাদের উপস্থিতি ৪০-৫০%, কোন কোন স্থানে এদের পরিমাণ ৮০-৯০%। বড় বড় পদগুলো সব তাদের দখলে। সম্প্রতি সরকারী চাকুরেদের বেতন বেড়েছে ৭৭-১০০%। যদিও এর দায়ভার বহন করছে পুরো জাতি। সরকারি চাকুরেদের অতিরিক্ত বেতনের যোগান দিতে ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে মোটা অংকের ট্যাক্স, খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে কয়েকগুন, চাল-ডাল কিনতে সাধারণ জনগণ আজ দিশেহারা । আচ্ছা, পুরো জাতির এই কষ্ট কি শুধুই হিন্দুদের সরকারি চাকুরীতে মোটা বেতনের সার্ভিস দেওয়ার জন্য ? আপনি কি বলেন ??
ঘটনা-৫
সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব নিয়োগ করা হয়েছে সুবীর কিশোর চৌধুরীকে (http://goo.gl/NzUYEv)। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এপিডি উইংয়ে এই প্রথম কোনো হিন্দু কর্মকর্তা বসলো। এপিডি উইং হচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ব্রাঞ্চ। এখান থেকে সরকারের সকল উচ্চতর পদে নিয়োগ, বদলী, পদোন্নতি, এমনকি মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, ইউএনও পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেয়া হয়। সুবীরের এই গুরুত্বপূর্ন পদে নিয়োগ লাভের খবরে ঢাকা ও মাঠ পর্যায়ে হিন্দু অফিসারের মধ্যে উল্লাস করতে শোনা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, এবার তাদের আরো উজ্জল দিন এলো বলে।
--------------------------------------------
সত্যিই বাংলাদেশে আজ মুসলিম যুবকদের কঠিন দুঃসময়। মুসলমান হওয়াই তার বেকার হওয়ার কারণ, প্রমোশন না পাওয়ার কারণ। আসলে এখন বাংলাদেশে-
“পদগুলো সব হিন্দুদের, তবে বেকারত্বটা- শুধুই মুসলমানদের।”
“পদগুলো সব হিন্দুদের, তবে বেকারত্বটা- শুধুই মুসলমানদের।”

No comments