হিন্দুরা কমিউনিটি তৈরী করে সকল স্থানে ঢুকছে
দৈনিক মানবজমিনে একটি খবর দেখলাম-
খবরটা হচ্ছে বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জ জেলার একটি হিন্দু আশ্রম একসাথে পরিদর্শনে গিয়েছে নিন্মোক্ত হিন্দুরা। এরা হলো-
বিচারপতি ভবানী প্রসাদ
বিচারপতি অশীষ রঞ্জন দাস,
বিচারপতি জে.এন. দেব চৌধুরী,
বিচারপতি ভিষ্ম দেব চক্রবর্তী,
বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ
বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর
বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার
বিচারপতি গৌর গোপাল সাহা
(http://goo.gl/gFZY2o)
খবরটা হচ্ছে বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জ জেলার একটি হিন্দু আশ্রম একসাথে পরিদর্শনে গিয়েছে নিন্মোক্ত হিন্দুরা। এরা হলো-
বিচারপতি ভবানী প্রসাদ
বিচারপতি অশীষ রঞ্জন দাস,
বিচারপতি জে.এন. দেব চৌধুরী,
বিচারপতি ভিষ্ম দেব চক্রবর্তী,
বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ
বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর
বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার
বিচারপতি গৌর গোপাল সাহা
(http://goo.gl/gFZY2o)
কিন্তু বুঝলেন ?
আগে বাংলাদেশের কোন একটি পদে একজন হিন্দু ঢুকলে সবাই বলতো- “থাক না, একজন সাধারণ নাগরিক ঢুকেছে, সমস্যা কি ?
কিন্তু এখন কিন্তু বিষয়টি সেরকম নয়। এখন হিন্দু কোন বিচ্ছিন্ন বা সাধারণ জনগণ নয়, এখন হিন্দু মানে একটি কমিউনিটির সদস্য, একটি সংগঠনের সদস্য। এবং সেই সংগঠন, এতটুকু সক্রিয়ে যে হাইকোর্টে বিচারপতি হয়ে তারা একত্র হয়ে মন্দির পরিদর্শনে যায় ! বাকিগুলো তবে কেমন অবস্থা !!
আগে বাংলাদেশের কোন একটি পদে একজন হিন্দু ঢুকলে সবাই বলতো- “থাক না, একজন সাধারণ নাগরিক ঢুকেছে, সমস্যা কি ?
কিন্তু এখন কিন্তু বিষয়টি সেরকম নয়। এখন হিন্দু কোন বিচ্ছিন্ন বা সাধারণ জনগণ নয়, এখন হিন্দু মানে একটি কমিউনিটির সদস্য, একটি সংগঠনের সদস্য। এবং সেই সংগঠন, এতটুকু সক্রিয়ে যে হাইকোর্টে বিচারপতি হয়ে তারা একত্র হয়ে মন্দির পরিদর্শনে যায় ! বাকিগুলো তবে কেমন অবস্থা !!
বিষয়টি চিন্তা করুন-
একজন আওয়ামলীগ সদস্য ঢুকলে সবাই জানে সে আওয়ামীলীগের এজেন্ডা বাস্তাবায়ন করবে,
একজন বিএনপি সদস্য ঢুকলে, সবাই জানে সে বিএনপির এজেন্ডা বাস্তাবায়ন করবে,
একজন জামায়াত সদস্য ঢুকলে সবাই জানে সে জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তাবায়ন করবে,
তাহলে এখন যদি হিন্দু কমিউনিটির সদস্য ঢুকলে তারা দেশে কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে ?
অবশ্যই মুসলমানদের চাপিয়ে হিন্দু কমিউনিটির স্বার্থ রক্ষা করবে, যা বলার অপেক্ষা রাখে না।
একজন আওয়ামলীগ সদস্য ঢুকলে সবাই জানে সে আওয়ামীলীগের এজেন্ডা বাস্তাবায়ন করবে,
একজন বিএনপি সদস্য ঢুকলে, সবাই জানে সে বিএনপির এজেন্ডা বাস্তাবায়ন করবে,
একজন জামায়াত সদস্য ঢুকলে সবাই জানে সে জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তাবায়ন করবে,
তাহলে এখন যদি হিন্দু কমিউনিটির সদস্য ঢুকলে তারা দেশে কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে ?
অবশ্যই মুসলমানদের চাপিয়ে হিন্দু কমিউনিটির স্বার্থ রক্ষা করবে, যা বলার অপেক্ষা রাখে না।
উল্লেখ্য বাংলাদেশের ইতিহাসে একসাথে সহকারী জজ হিসেবে সবচেয়ে বেশি হিন্দু নিয়োগ পেয়েছিলো ২০১৪ সালে। সে সময় ৬৭ জনের মধ্যে ২৩ জন অর্থাৎ ৩৪% ছিলো হিন্দু সম্প্রদায়ের। জনসংখ্যার মাত্র ২-৩% হিন্দু হয়ে বিচারবিভাগে কিভাবে এত গণহারে হিন্দু নিয়োগ পেলো, সেটাই আশ্চর্য করেছিলো সবাইকে। পরে খবর নিয়ে জানা গেলো সে সময় নিয়োগকারী সংস্থা বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলো বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা’র (বর্তমান প্রধান বিচারপতি) হাতে। অর্থাৎ হিন্দুরা যেখানে যাবে সেখানেই কমিউনিটি বিল্ডআপ করবে এবং সবকিছু নিজেদের নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করবে। বলার অপেক্ষা রাখে না, হিন্দুদের এ কমিউনিটি বিল্ডআপের সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া এবং মুসলমানদেরকে হিন্দু দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা।
আওয়ামীলীগ যদি বিএনপি-জামাত কমিউনিটিকে প্রশাসন-চাকুরীতে স্থান না দেয়, জামাত-বিএনপি যদি আওয়ামীলীগকে প্রশাসন-চাকুরীতে স্থান না দেয়, তবে মুসলমানরা কিভাবে হিন্দুদেরকে প্রশাসন-চাকুরীতে গণহারে প্রবেশ করাচ্ছে তা আমার বুঝে আসছে না। এখনও যদি মুসলমানরা সচেতন না হয়, তবে তাদের জন্য নিকট ভবিষ্যতে অতি কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।

No comments