এপিডি উইং সুবির কিশোরের নিয়োগ ও দেশবিরোধীদের প্রশাসনে সুযোগ
গত কয়েকদিন আগে মাত্র পোস্ট দিয়েছিলাম, প্রশাসনে এপিডি উইং হিসেবে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সুবির কিশোর চৌধুরীর নিয়োগের ব্যাপারে। বলেছিলাম- এ এক ভয়ানক ভবিষ্যতের আভাষ দিচ্ছে। কারণ প্রশাসনে এপিডি উইং হচ্ছে এমন একটি পদ, যার উপর প্রশাসনের সকল কর্মকর্তার নিয়োগ, প্রমোশনসহ সকল কর্মকাণ্ড। বলাবাহুল্য, সরকারের উপরের সরকার হিসেবে বিশেষ এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিশেষ লবিং-এ নিয়োগ পেয়েছে এ সুবীর কিশোর চৌধুরী। (https://goo.gl/tskOkg)
আমার কথা যে মিথ্যা নয় তার প্রমাণ কিন্তু আপনারা পাওয়া শুরু করেছেন। আমার কথা সত্য প্রমাণ করে, এপিডি উইং সুবীর কিশোর চৌধুরী শুরুতেই তার খেল দেখানো শুরু করে দিয়েছে, গত ২৪ তারিখ এ রকমই একটি বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বিতর্কিত নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা চাকুরীর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরো দুই বছর বৃদ্ধি করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে রেখে দেওয়া হয়েছে। (http://goo.gl/bQK2X5)
পাঠক, বিষয়টি যে কতটা গুরুতর তা বোঝার জন্য আপনাদের আরো কিছু জ্ঞান সঞ্চয় করতে হবে। এক্ষেত্রে জনাতে হবে কে এই চাকুরীর সময় বৃদ্ধি পাওয়া নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা ?
১) প্রচণ্ড বাঙালী বিদ্বেষী:
নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা পুলিশে এডিশনাল আইজিপি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে থাকাকালে পার্বত্য বাঙালীদের কাছে প্রচণ্ড বাঙালী বিদ্বেষী ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হিসাবে তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে খ্যাত হয়েছেন। এসময় বিভিন্ন সরকারী কর্মকাণ্ডে পাহাড়ী- বাঙালী বৈষম্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারসাম্য বিনষ্ট হয়েছে। তার আমলে সৃষ্ট বিভিন্ন আইন ও পরিপত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালীর অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে উপনীত হয়েছে বলে বাঙালী সম্প্রদায়ের দাবী। (http://goo.gl/nZLU2A)
নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা পুলিশে এডিশনাল আইজিপি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে থাকাকালে পার্বত্য বাঙালীদের কাছে প্রচণ্ড বাঙালী বিদ্বেষী ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হিসাবে তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে খ্যাত হয়েছেন। এসময় বিভিন্ন সরকারী কর্মকাণ্ডে পাহাড়ী- বাঙালী বৈষম্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারসাম্য বিনষ্ট হয়েছে। তার আমলে সৃষ্ট বিভিন্ন আইন ও পরিপত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালীর অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে উপনীত হয়েছে বলে বাঙালী সম্প্রদায়ের দাবী। (http://goo.gl/nZLU2A)
২) ভয়াবহ রকম দুর্নীতিবাজ :
সিনিয়রিটির দিক থেকে নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরার হওয়ার কথা ছিলো পুলিশের আইজি। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত দুর্নীতির কারণে তার সে রকম গ্রহণযোগ্যতা হারায়। নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরার দুর্নীতির খণ্ডচিত্র নিয়ে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ২০১০ সালের ২০শে ডিসেম্বর একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায় সরকারী চাকুরের সামান্য বেতন পেয়েও নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা কিভাবে বিশাল সম্পত্তির পাহাড় গড়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রদ্রোহী চরমপন্থীদের নব বিক্রমের যে নিয়মিত আর্থিক যোগাযোগ তাও ফাস করা হয়। (https://goo.gl/Yjz6pr)।
সিনিয়রিটির দিক থেকে নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরার হওয়ার কথা ছিলো পুলিশের আইজি। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত দুর্নীতির কারণে তার সে রকম গ্রহণযোগ্যতা হারায়। নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরার দুর্নীতির খণ্ডচিত্র নিয়ে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ২০১০ সালের ২০শে ডিসেম্বর একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায় সরকারী চাকুরের সামান্য বেতন পেয়েও নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা কিভাবে বিশাল সম্পত্তির পাহাড় গড়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রদ্রোহী চরমপন্থীদের নব বিক্রমের যে নিয়মিত আর্থিক যোগাযোগ তাও ফাস করা হয়। (https://goo.gl/Yjz6pr)।
৩) প্রথম আলোর সম্পাদকের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ :
নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরর ছেলের নাম অমিত বিক্রম ত্রিপুরা। অমিত বিক্রম ত্রিপুরা হচ্ছে গণ জাগরণ মঞ্চের একজন সক্রিয় কর্মী। এই অমিত বিক্রম ত্রিপুরাই একটি ব্লগে স্বীকার করে- তার বাসার সাথে প্রথম আলো সম্পাদক মতির ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে, এমনকি তাদের বাড়ির প্রাইভেট অনুষ্ঠানে পর্যন্ত দাওয়াত পায় বিশ্বাসঘাতক মতিউর। (https://goo.gl/844Cfn)
নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরর ছেলের নাম অমিত বিক্রম ত্রিপুরা। অমিত বিক্রম ত্রিপুরা হচ্ছে গণ জাগরণ মঞ্চের একজন সক্রিয় কর্মী। এই অমিত বিক্রম ত্রিপুরাই একটি ব্লগে স্বীকার করে- তার বাসার সাথে প্রথম আলো সম্পাদক মতির ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে, এমনকি তাদের বাড়ির প্রাইভেট অনুষ্ঠানে পর্যন্ত দাওয়াত পায় বিশ্বাসঘাতক মতিউর। (https://goo.gl/844Cfn)
উপরের আলোচনা দ্বারা স্পষ্ট, এপিডি উইং হিসেবে হিন্দু নিয়োগ কিছুইতে বাংলাদেশের জন্য ভালো সংবাদ বয়ে নিযে আসছে না। প্রমাণস্বরূপ শুরুতেই চাকুরীর মেয়াদ বৃদ্ধি করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে চরম শ্রেনীর বিতর্কিত নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরাকে, যে নিজেই দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সাথে জড়িত।
সত্যিই বলতে বাংলাদেশকে বাচাতে হলে এখন প্রয়োজন এপিডি উইং হিসেবে হিন্দু বরখাস্ত করে মুসলিম এপিডি উইং নিয়োগ দেওয়া।

No comments