‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ প্রশ্নে একজন সাধারণ ফেসবুক ইউজার যা করতে পারেন
আগামী ২৭শে মার্চ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেওয়া হতে পারে (http://goo.gl/NG3v2f,http://goo.gl/dGZzio)। অনেকেই বলেছেন যে- তিনি চান রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলাম জারি থাকুক, কিন্তু একজন সাধারণ ফেসবুক ইউজার হিসিবে তিনি কি বা করতে পারেন ?
যারা এ ধরনের প্রশ্ন করছেন, তাদের জন্য বলছি-
বর্তমান সময়ে ফেসবুক যে কোন বিষয়ে প্রতিবাদ জানানোর সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম বা প্ল্যাটফর্ম। আপনি হয়ত ভাবছেন- ফেসবুক দিয়ে কিছু হবে না, কিন্তু ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে অনেক বিষয় কিন্তু মুসলমানদের পক্ষে যাচ্ছে। যেমন- ধরুন-
১) বাংলাদেশ সরকার চেয়েছিলো বুড়িগঙ্গার তীরে ২২টি মসজিদ ভেঙ্গে দিতে, কিন্তু ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে তারা বিষয়টি স্থগিত করে।
২) ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে কোরবানী ঈদে কোরবানী নির্দ্দিষ্ট স্থানে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, কিন্তু পরবর্তীতে তা ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
৩) ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে ব-দ্বীপ প্রকাশনী বন্ধ করে দেওয়া হয়।
৪) ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে এটিএম বুথে হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত সরে আসে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বর্তমান সময়ে ফেসবুক যে কোন বিষয়ে প্রতিবাদ জানানোর সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম বা প্ল্যাটফর্ম। আপনি হয়ত ভাবছেন- ফেসবুক দিয়ে কিছু হবে না, কিন্তু ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে অনেক বিষয় কিন্তু মুসলমানদের পক্ষে যাচ্ছে। যেমন- ধরুন-
১) বাংলাদেশ সরকার চেয়েছিলো বুড়িগঙ্গার তীরে ২২টি মসজিদ ভেঙ্গে দিতে, কিন্তু ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে তারা বিষয়টি স্থগিত করে।
২) ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে কোরবানী ঈদে কোরবানী নির্দ্দিষ্ট স্থানে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, কিন্তু পরবর্তীতে তা ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
৩) ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে ব-দ্বীপ প্রকাশনী বন্ধ করে দেওয়া হয়।
৪) ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে এটিএম বুথে হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত সরে আসে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তাহলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল নিয়ে চক্রান্ত চলছে সেটা কেন ফেসবুকে প্রতিবাদের কারণে বাতিল হতে না ? অব্যশই হবে।
তাহলে আপনার দায়িত্বটা কি ?
ক) প্রত্যেকে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করে লিখুন। দেশের একজন নাগরিক হিসেবে প্রতিবাদ করা আপনার নাগরিক অধিকার। নিজ নিজ আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বলুন, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংবিধানে বহলা থাকুক এটা আপনি চান।
খ) বেশি বেশি ইভেন্ট খুলুন এবং সেখানে প্রতিবাদ জানান।
গ) নিজে লিখতে না পারলে যারা লিখতে তাদের লেখা শেয়ার করুন, কপি করুন এবং ছড়িয়ে দিন।
ঘ) এ সম্পর্কে প্রতিবাদ নিয়ে লেখা বিভিন্ন পেইজের কমেন্টে, বিভিন্ন গ্রুপে গিয়ে পোস্ট করুন।
ঙ) সবাই বিভিন্ন শ্লোগান ছড়িয়ে দিন। যেমন ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল চাই’। কিংবা হ্যাশট্যাগ মারুন। যেমন-#রাষ্ট্রধর্ম_ইসলাম_বহাল_চাই
চ) প্রয়োজনে প্রোফাইল পিক চেঞ্জ করুন।
ছ) সবাই সবার বন্ধু-বান্ধব, নিকট ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে দিন।
ব্যস এতটুকুই। আপনার এতটুকু সচেতনতায় অবশ্যই অবশ্যই রাষ্ট্রধর্ম বেচে যাবে। যদি ১০ হাজার ফেসবুক ইউজার বিষয়টি নিয়ে এক সাথে ঝাপিয়ে পড়ে তবে ২৭ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না, বরং তার আগেই দেখবেন বিশেষ নির্দেশ বলে ঐ রিট আবেদন বাতিল করতে বাধ্য হবে ষড়যন্ত্রকারীরা। বরং উল্টো দেখবেন নিজ কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা পর্যন্ত চাইতে বাধ্য হবে।
তাই এখনই শুরু করে দিন..........
No comments