অর্পিত ও দেবোত্তর সম্পত্তির নামে বাংলাদেশের মুসলমানদের ৫০ লক্ষ বিঘা জমি দখলে হিন্দুদের ষড়যন্ত্র
হিন্দুরা দাবি করে থাকে, মুসলমানরা নাকি তাদের সম্পত্তি দখল করে রেখেছে। হিন্দুদের দাবির মুখে সরকার ২০০১ সালে অর্পিত সম্পত্তি আইন পাশ করে। এছাড়া জারি হয় দেবোত্তর সম্পত্তি আইন।
হিন্দুদের নেতাদের দাবি অনুসারে তাদের হাত ছাড়া অর্পিত সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২০ লক্ষ বিঘা এবং দেবোত্তর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ বিঘা। সর্বমোট এর পরিমাণ প্রায় ৫০ লক্ষ বিঘা বা ৬৭০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা।
এখন কথা হচ্ছে হিন্দুরা এ জমিগুলো চাচ্ছে কেন ?
এ জমিগুলোর মালিকানা তো তারা ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের সময় ঐতিহাসিক আইন দ্বারা ফায়সালা হয়ে গেছে।
এ জমিগুলোর মালিকানা তো তারা ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের সময় ঐতিহাসিক আইন দ্বারা ফায়সালা হয়ে গেছে।
৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময়
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের হিন্দুরা ভারত চলে যায় এবং
ভারতের মুসলিমরা বাংলাদেশ-পাকিস্তানে যায়।
সে হিসেবে তাদের মধ্যে জমি হাতবদল হয়।
এটি একটি ঐতিহাসিক মিমাংসা, যা শত্রু সম্পত্তি বা অর্পিত সম্পত্তি নামে পরিচিত।
যুদ্ধের মাধ্যমে বিষয়টি ফায়সালা হয়ে গেছে, এটা এখন কেউ চাইতে পারবে না।
যেমন: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে অনেক পাকিস্তানী বা বিহারী ছিলো। তারা যদি এখন এসে তাদের পূর্বের জমিগুলো চায় তবে কি হবে ?? তাদের জমিগুলো কি ফিরিয়ে দেয়া হবে ?? কখনই নয়। তবে হিন্দুরা কিভাবে তাদের জমিগুলো ফিরিয়ে নিতে চাচ্ছে ।
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের হিন্দুরা ভারত চলে যায় এবং
ভারতের মুসলিমরা বাংলাদেশ-পাকিস্তানে যায়।
সে হিসেবে তাদের মধ্যে জমি হাতবদল হয়।
এটি একটি ঐতিহাসিক মিমাংসা, যা শত্রু সম্পত্তি বা অর্পিত সম্পত্তি নামে পরিচিত।
যুদ্ধের মাধ্যমে বিষয়টি ফায়সালা হয়ে গেছে, এটা এখন কেউ চাইতে পারবে না।
যেমন: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে অনেক পাকিস্তানী বা বিহারী ছিলো। তারা যদি এখন এসে তাদের পূর্বের জমিগুলো চায় তবে কি হবে ?? তাদের জমিগুলো কি ফিরিয়ে দেয়া হবে ?? কখনই নয়। তবে হিন্দুরা কিভাবে তাদের জমিগুলো ফিরিয়ে নিতে চাচ্ছে ।
ভারতে কিন্তু মুসলিমদের জমিগুলো ফেরত দেওয়া হয় না, বরং এখনও শত্রু বা অর্পিত সম্পত্তির নামে মুসলমানদের জমিগুলো দখল করা হচ্ছে। এইতো কিছুদিন আগে ভারতের বলিউডের নায়ক সাইফ আলী খানদের বিরাট সম্পত্তি ‘ভোপাল স্টেট’ শত্রু সম্পত্তি নাম দিয়ে কব্জা করে নিলো ভারত সরকার (http://goo.gl/tJaOyv)।
এভাবে হিসেব করলে ১৭৯৩ সালের আগে বাংলাদেশের সকল জমিগুলো মুসলমানদের ছিলো। ইংরেজ বেনিয়া কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সনে মুসলমানদের খাস জমি বা লাখেরাজ ভূমিগুলো কেড়ে নিয়ে হিন্দুদের দেয়। এর আগে বাংলার ৮০% জমি ছিলো মুসলমানদের মালিকানায়, কিন্তু চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে তা হিন্দু মালিকানায় তুলে দেয় ব্রিটিশরা। (http://goo.gl/CxTZMJ)
তাহলে বাংলাদেশে নতুন করে কিভাবে হিন্দুরা বাংলাদেশের জমিগুলো চাইতে পারে ?তবে কি বাংলাদেশ ভারতের অঙ্গরাজ্য হয়ে গেছে ??
কারণ যদি বাংলাদেশ একমাত্র ভারতের অঙ্গরাজ্য হয় তবেই কেবল অর্পিত সম্পত্তি ও দেবোত্তর সম্পত্তির নামে মুসলমানদের জমিগুলো দখল দাবি করতে পারে হিন্দুরা।
কারণ যদি বাংলাদেশ একমাত্র ভারতের অঙ্গরাজ্য হয় তবেই কেবল অর্পিত সম্পত্তি ও দেবোত্তর সম্পত্তির নামে মুসলমানদের জমিগুলো দখল দাবি করতে পারে হিন্দুরা।
উল্লেখ্য কিছুদিন আগে বাংলাদেশের সিলেটে দেবোত্তর সম্পত্তির নামে প্রায় ১৩০০ বিঘা জমি হিন্দুদের দিয়ে দিতে বলেছে বাংলাদেশে সুপ্রীম কোর্ট । শুধু তাই নয় ঐ স্থানে রাগীব-রাবেয়া নামক একটি মেডিকেল কলেজসহ কয়েকটি মসজিদ ভেঙ্গে সেখানে মন্দির স্থাপন করতে নির্দেশ দিয়েছে। (http://goo.gl/7gZpTQ)
উল্লেখ্য সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা হিন্দুদের হয়ে মুসলিমদের জমি দখলের ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। এসকে সিনহা বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছে- সে হিন্দুদের অর্পিত ও দেবোত্তর সম্পত্তি আদায় করে দেবে। (http://goo.gl/JpoKO1)
তাহলে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের বিচারবিভাগের প্রধান অর্থাৎ প্রধান বিচারপতি সাম্প্রদায়িক ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছে এবং মুসলিমদের জমি দখল করে হিন্দুদের দেওয়ার সমস্ত কাজ নিজ শক্তিতে করে যাচ্ছে।
জানি না বাংলাদেশের মুসলমানদের ভাগ্যে কি আছে। তবে এটা বলতে পারি, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক কোটি মুসলিম ভূমিহীন হয়ে রাস্তায় নামবে এতে কোন সন্দেহ নাই।

আপনি হিন্দু হয়েও মুসলমমানদের পক্ষে কথা বলেন।।
ReplyDelete