Header Ads

ad728
  • Breaking News

    ২০১১ সালে রাষ্ট্রধর্মের বিরোধীতা এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট

    খবরটি ২০১১ সালের ২১ জুন দৈনিক কালেরকণ্ঠে আসে । খবরের শিরোনাম-
    “রাষ্ট্রধর্মের বিরোধিতা করায় প্রধানমন্ত্রীর তোপে দুই মন্ত্রী’
    খবরের ভেতরে সংক্ষেপে-
    রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রেখে সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির সুপারিশ মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেও সভায় রাষ্ট্রধর্মের ব্যাপারে বিরোধিতা করেছেন সরকারের দুই প্রভাবশালী মন্ত্রী। এ কারণে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনার তোপের মুখে পড়েন।
    ......আলোচনায় পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত রাষ্ট্রধর্মের বিধানের বিরোধিতা করেন। তাঁরা দুজনেই বলেন, রাষ্ট্রধর্মের বিধান ধর্মনিরপেক্ষতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাঁরা বলেন, এটা বাহাত্তরের সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থী। সূত্র জানায়, এ কে খন্দকার প্রথমে রাষ্ট্রধর্মের বিরোধিতা করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্তেজিত হয়ে বলেন, যেটা করা হয়েছে সেটা বুঝেশুনেই করা হয়েছে। জনগণের সেন্টিমেন্ট বিবেচনা করেই এটা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসলামের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মকে সম-অধিকার দেওয়া হয়েছে।....যেটা করা হয়েছে সেটা বাস্তবতার নিরিখে করা হয়েছে।'
    ..... শেখ হাসিনার কথা শেষ হলে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী নিজ উদ্যোগে দাঁড়িয়ে বলেন, 'আমি বিসমিল্লাহ এবং রাষ্ট্রধর্মের পক্ষে।' তিনি বলেন, 'যদিও রাষ্ট্রধর্ম এবং বিসমিল্লাহ নিয়ে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, এর পরও আমি মত দিচ্ছি বিসমিল্লাহ এবং রাষ্ট্রধর্মের পক্ষে।' এ কে খন্দকারের বিরোধিতার জবাবে বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, স্বাধীনতার ৪০ বছর পরে এসে এগুলো বলে আর লাভ নেই। বঙ্গবন্ধু যে সময়ে সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন, সেই প্রেক্ষাপট আর নেই। অনেক দিন পেরিয়ে গেছে। এখন বাস্তবতার নিরিখে অনেক কিছু বিবেচনা করতে হবে। ( খবরের লিঙ্ক:
    http://www.kalerkantho.com/print-editi…/…/2011/06/21/164366…)
    খবর পড়ে বোঝা গেলো-
    আজ থেকে ৫ বছর আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের পক্ষে ছিলেন, কিন্তু এখন তিনি কোন অবস্থানে আছেন ?? বিশেষ করে যখন ২৮ বছর পর রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধে একটি রিট পুনরুজ্জীবন পেলো ? কারণ বাংলাদেশের বিচারবিভাগ স্বাধীন (!) এটা অনেকেই মানতে চান না।
    পাশাপাশি গত কয়েকদিন আগে যখন বিবিসি, ডেইলি মেইল, এনডিটিভিসহ অসংখ্য আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় খবর হয় “বাংলাদেশে আর রাষ্ট্রধর্ম থাকছে না ইসলাম” তখন সরকারের নিশ্চুপতা (মৌনতাই নাকি সম্মতির লক্ষণ) দেখে অনেকেই ভয়ে আঁতকে উঠেন। ভাবেন- তবে কি সরকারই হাত ঘুরিয়ে বিচারবিভাগের মাধ্যম দিয়ে রাষ্ট্রধর্ম বাদ দিচ্ছে ??
    দেখা যাক তবে কি হয়......

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728