
হিন্দুরা এতদিন অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলে মুসলমানদের হিন্দু ধর্ম পালন করিয়েছে। বলেছে-
- একটু হিন্দু ধর্ম পালন করলে কি হয় ? হিন্দুরা কি মানুষ না ?
- হিন্দু-মুসলিম ভাই-ভাই, ভাগ করেন কেন ?
- পাঠ্যবইয়ে রামায়ন পড়লে কি হয়, আমরা কি মুসলমানদের পড়ি না ?
- আপনি খালি ধর্ম নিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করেন।
- এগুলো বাঙালী সংস্কৃতি, হিন্দু সংষ্কৃতি না।
- হিন্দু-মুসলিম একই বৃন্তের দুটো ফুল।
- সাম্প্রদায়িকতা বাদ দেন তো।
ইত্যাদি ইত্যাদি।
হিন্দুরা এসব বাল-ছাল বুঝিয়ে এতদিন মুসলমানদের দিয়ে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ করিয়েছে, দূর্গা পূজা করিয়েছে, স্কুলগুলোতে স্বরসতী পূজা করিয়েছে। মুসলমানদের গো-চনা মেশানো প্রসাদ ভক্ষণ করিয়েছে। আর বেকুব মুসলমানরা নিজ ধর্মকর্ম ঝেড়ে অন্ধের মত হিন্দুদের দেখানো পথেই হেটেছে।
অথচ ঐ হিন্দুগুলোই নিজেদের বেলায় কিন্তু কম্প্রোমাইজ করে না। হয়ে উঠে কট্টর সাম্প্রদায়িক। সম্প্রতি সুশান্ত পাল নামক এক হিন্দু রোজার পক্ষে বলায় তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে পুরো হিন্দু কমিউনিটি। পারলে তারা ছিড়ে খেয়ে ফেলে। সুশান্ত নাম চেঞ্জ করে ইতিমধ্যে অনেকে গুশান্ত ডাকা শুরু করেছে। অনেকে তাকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।
ভাই রে ! হিন্দু যে কি জিনিস তোমরা এখন বুঝতে পারোনি। মুসলমানরা কোথাও পা দিলেও ওরা জায়গাটা গোবর-চনা দিয়ে লেপে পবিত্র করে নেয়। ওরা হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতার বাপ।
No comments