বাংলাদেশে হত্যাকান্ডের পেছনের কারণ
বাংলাদেশে দৈনিক কত লোক খুন হয় ?
এর কোন সঠিক হিসেব এখন পর্যন্ত কারো জানা নাই। কিন্তু যদি আপনি প্রত্যেক জেলার দৈনিক পত্রিকাগুলো থেকে আলাদা আলাদাভাবে খবর নেন (যেই খবর জাতীয় পত্রিকায় আসে না), তবে টের পাবেন, ৬৪ জেলার প্রত্যেকটিতেই কেউ না কেউ প্রতিদিন হত্যার শিকার হচ্ছে। কোন কোন জেলায় হত্যা বা গুমের পরিমাণ দৈনিক ১টিরও বেশি। সে হিসেবে ৬৪ জেলা ও ঢাকা মহানগরের প্রত্যেকটি থানার খুনের হিসেব যোগ করলে দৈনিক খুনের পরিমাণ ১০০ ছড়িয়ে যাওয়ার কথা।
বাংলাদেশের হিন্দুরা দাবি করে, বাংলাদেশে তাদের জনসংখ্যা শতকরা ৮%। সে হিসেবে প্রতিদিন বাংলাদেশে যে পরিমাণ খুন হয়, তাতে জনসংখ্যা হিসেবে দৈনিক ৮ জন হিন্দু খুন হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সপ্তাহে ১ বা ২ জন হিন্দু খুন হলেই হিন্দুরা লাফালাফি শুরু করে দেয়, মাঠে-রাস্তায় লাঠি নিয়ে মিছিল বের করে। আমেরিকা-ভারতকে ডাকাডাকি শুরু করে, বলে বাংলাদেশে আক্রমণ চালানোর জন্য।
অথচ শতকরা হিসেবে বাংলাদেশে সপ্তাহে কমপক্ষে ৫০-৬০ জন হিন্দু খুন হওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু সেখানে খুন হচ্ছে মাত্র ১-২ জন। এর দ্বারা বোঝা যায় বাংলাদেশের হিন্দুরা অনেক আরামে আছে, নিরাপত্তার মধ্যে আছে।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দু নির্যাতনের অযথা ধোয়া তুলে অনেক হিন্দু আমেরিকাকে ডাক দিচ্ছে, ভারতকে ডাক দিচ্ছে, সেখান থেকে বোঝা যাচ্ছে- এদের উদ্দেশ্য ভালো না। কথিত হিন্দু নির্যাতনের মিথ্যা ধুয়া তুলে এরা বাংলাদেশকে স্বাধীনতাহীন করা অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
আমরা মেন্দি এন সাফাদি’র ঘটনার মাধ্যমে ইতিমধ্যে জেনেছি, মোসাদ বাংলাদেশের ব্যাপারে ব্যাপক ইন্টারফেয়ার করছে, এবং তাদের ইন্টারফেয়ার করার মূল ছুতো হচ্ছে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন। যেহেতু মোসাদ চাচ্ছে সংখ্যালঘু নির্যাতন ইস্যুটি সামনে নিয়ে আসতে, তাই কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ইহুদীবাদী মিডিয়া ও আন্তর্জাতিক মহলের রয়েছে উদ্দেশ্যমূলক লাফালাফি ।
প্রকৃতসত্য, বাংলাদেশে এখন সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের ঘটনা শতকরা ৯৯% কমে গেছে এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়টা পুরোটাই মোসাদ ও তার সহযোগী র’ এর প্রপাগান্ডা।
No comments