কি ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশে ?
কি ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশে সে সম্পর্কে আমি নতুন পেইজ নয়ন চ্যাটার্জি-২ খুলেই বিস্তারিত পোস্ট দিয়েছিলাম। সে সময় অনেকে বিষয়গুলো বুঝেছিলো, অনেকে হয়ত বুঝেনি। তাই আবার নতুন করে পোস্ট দিলাম।
আমেরিকার প্ল্যান হচ্ছে বাংলাদেশের তিন পাবর্ত্য জেলাকে দখল করা। উপজাতিদের অধিকারের কথা বলে তারা সে চেষ্টা করবে। কিন্তু সমস্যা উপজাতিদের মাথায় এত বুদ্ধি নেই যে তারা বিষয়টার নেতৃত্ব দেয়। এইজন্য শুধু উপজাতি না, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টানদেরকেও উপজাতিদের সাথে যুক্ত করা হবে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান উপজাতি একত্র হলে এদের শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং সবাইকে নিয়ে তিন পাবর্ত্য জেলা ও চট্টগ্রাম নিয়ে দক্ষিণ সূদান বা পূর্ব তীমুরের মত একটি স্বাধীন ভূখণ্ড প্রতিষ্ঠাই তাদের লক্ষ্য।
এ লক্ষ্যের দিকে আমেরিকা আগানোর জন্য প্রথম বাধা ছিলো ভারত। কিন্তু ভারতে আগের মত রুশপন্থী কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় নেই, আছে মার্কিনপন্থী মোদি সরকার।
উল্লেখ্য বর্তমান যে মোদি সরকার আছে তাকে কিন্তু ক্ষমতায় এনেছে খোদ মোসাদ-ই। তাই মোসাদ যা চাইবে মোদি তাই করবে। (দেখতে পারেন- ক-http://goo.gl/VuljVK, খ-http://goo.gl/Kcx6YF)
আপনারা ইতিমধ্যে জানেন- মোসাদ বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে এগিয়েছে। মোসাদ এজেন্ট মেন্দি এন সাফাদি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে কথা বলছে। যেহেতু মোসাদ সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে আগ্রহ দেখেয়েছে, সেহেতু মোদি সে পথে হাটতে বাধ্য। এরজন্যই কিন্তু সম্প্রতি মোদি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ইস্যুতে কথা বলা শুরু করেছে (http://goo.gl/Wxs3Ve) । অথচ এর আগে বাংলাদেশের সব হিন্দু মরে গেলেও মোদির কিছু আসা যেতো না। মোদি সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে আগে কোন কথাই বলতো না। যেহেতু এখন মোসাদ চাচ্ছে, তাই মোদি কথা বলছে। আশা করা যাচ্ছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে সে আরো কথা বলবে।
এটাও ঠিক, বাংলাদেশে হিন্দুদের যে জনসংখ্যা এবং অবস্থান সেটা নিয়েও তারা বাংলাদেশে কিছুই করার ক্ষমতা রাখে না। এ কারণে বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে ভারতীয় প্রবেশ করানো হচ্ছে। আপনারা আপনাদের নিজ নিজ এলাকায় চোখ রাখুন, দেখবেন আগের থেকে হিন্দুদের জনসংখ্যা হঠাৎ করেই অনেক বেড়ে যাচ্ছে। যেখানেই তাকাবেন সেখানেই হিন্দু দেখবেন। আপনি হয়ত নিজেই চিন্তা করেন, এত হিন্দু আসলো কোথা থেকে। আসলে এরা প্রশিক্ষিত হিন্দু, এদের বাংলাদেশী সূরতে প্রবেশ করানো হচ্ছে। ভিসা-পাসপোর্ট অফিসগুলো গেলে বিষয়টি ক্লিয়ার হবে। দেখবেন- মুসলমানের থেকে হিন্দুর সংখ্যা বেশি।
মূল কথা হচ্ছে- সম্রাজ্যবাদীদের বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি জেলা চাই। এজন্য তারা চাচ্ছে পূর্ব তীমুর বা দক্ষিণ সুদানের মত সে এলাকাটিকে বাংলাদেশ থেকে পৃথক করে স্বাধীন করার জন্য। বর্তমানে যে গুপ্তহত্যা হচ্ছে, সেটাও ঐ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্লট তৈরী করার জন্যই হচ্ছে। এ হত্যার যতগুলো কারণ আছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সকল সংখ্যালঘুদের মধ্যে ইউনিটি সৃষ্টি করা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে একই প্ল্যাটফর্মে দাড় করানো। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের হিন্দুরা (রানা দাস গুপ্ত, পীযুষ বন্দোপাধ্যায় উভয়ই কিন্তু চট্টগ্রামের লোক) অনেক দূর এগিয়ে গেছে। দেখা যাক তবে কি হয়।
No comments