
নতুন খাঃ পোঃ ডিটেকটেড (সাংবাদিক=খাঃপোঃ)
পত্রিকার নাম- সকালের খবর, সম্পাদকের নাম কমলেশ রায়।
মানুষকে কোরবানীর গরু সম্পর্কে ভয় দেখানোর জন্য উদ্ভট নিউজ করছে এই পত্রিকাটি। দাবি করছে- স্টেরয়েড ব্যবহারে নাকি গরু বিষাক্ত হয়ে ওঠে।
অথচ-
ক) গরুর শরীরে মোটাতাজাকরণ ঔষধ দিলে তা গরুর মল-মূত্র দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অধিকাংশ বের হয়ে যায়।
খ) বাকি ঔষধ কিছু থাকলেও তা মাংশ রান্নার করার পূর্বে ধৌত ও উচ্চতাপে রান্নার সময় নষ্ট হয়ে যায়।
গ) গরুর শরীরে অতিরিক্ত মোটাতাজাকরণ ঔষধ দিলে গরুর শরীরে পানি চলে আসে এবং গরুটি অসুস্থ ও দুর্বল হয়ে পরে। অনেকক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গরুটি মারা যায়। তাই এ ধরনের মোটাতাজা গরু কখনই হাটে তোলা সম্ভব নয়।
ঘ) গরু মোটাতাজাকরণ সিস্টেমটি একসময় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুব উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শেখানো হয়েছিলো। যে বিষয়টি এতদিন সরকারিভাবে শেখানো হলো, সেটা আজ হঠাৎ করে বিষাক্ত হয়ে গেলো কেন ?
ঙ) ‘গরু মোটা-তাজাকরণে স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই’--- এ বক্তব্য হচ্ছে খোদ ঢাকা কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালের প্রধান ভেটেরিনারিয়ান এ বি এম শহীদুল্লাহ’র। তিনি বলেন, “পশু মোটা-তাজাকরণ বা গ্রুথ হরমোন বাড়ানোর জন্য যে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয় তা সহনীয় পর্যায়ে। এতে গরুর কোনো ক্ষতি হয় না এবং মানুষের শরীরের জন্যও কোনো ক্ষতি নেই। কারণ এই ধরনের ওষুধ গরুকে খাওয়ানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এছাড়া ৭৭ কেজি মাংসের মধ্যে যে পরিমান স্টেরয়েড থাকে তার সমপরিমান স্টেরয়েড থাকে একটি ডিমে। (https://goo.gl/H9sNzy)
.
মনে রাখবেন এ ধরনের খবরগুলো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক। সকালের খবর ছাড়াও প্রথম আলো, কালেরকণ্ঠ ও যুগান্তরের খাঃ পোঃরা ইন্ডিয়ান হাই কমিশনের টাকা খেয়ে নিয়মিত এ ধরনের গরু বিরোধী নিউজ করে থাকে। উদ্দেশ্য বাংলাদেশের খামারীদের পথে বসানো। তাই এ ধরনের খাঃ পোঃ মার্কা সংবাদ মাধ্যমগুলোকে দ্রুত বর্জন করুন।
#Boycott_Kha_Poo_Media
No comments