প্রধানমন্ত্রীকে ‘কুত্তার বাচ্চা’ বলে গালি: বাংলাদেশের হিন্দুদের প্রভাব
গত বুধবার বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধূ কন্যা শেখ হাসিনাকে ‘কুত্তার বাচ্চা’ বলে গালি দেয়ায় যশোরে মামলা হয়েছে এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের হিন্দু চেয়্যারম্যান মিহির কুমার মজুমদারের বিরুদ্ধে। (http://bit.ly/2dzS4Gn)
মিহির কুমার মজুমদারের নাম গুগলের সার্চ দিতে একটি নিউজ আসলো । খবরের ভেতরে পড়ে দেখলাম যশোরে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দিয়েছে মিহির কান্তি মজুমদার। ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিদের নামের তালিকা ছিলো এরকম- ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা রিজিওনের এসোসিয়েট ডিরেক্টর মি. শৈবাল সাংমা, পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাজবুব রহমান, খুলনা বিভাগীয় সম্ময় দপ্তরের যুগ্ম নিবন্ধক সমীর কুমার বিশ্বাস, যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার বণিক, যশোর জেলা সমবায় কর্মকর্তা প্রণতি বিষ্ণু, সিবিও ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রকল্পের ম্যানেজার সুবীর কুমার সাহা, সুফলা মন্ডল, তপন মন্ডল প্রমুখ। (http://bit.ly/2dtNV4R) আগত অতিথিদের তালিকা দেখলে যে কারো অনুমান হতে পারে, এটা পল্লী দারিদ্র বিমোচন নিয়ে কোন অনুষ্ঠান, নাকি পূজা উদযাপন কমিটির অনুষ্ঠান ?
আপনারা যদি বিষয়টি কাকতালীয় বলে উড়িয়ে দেন তবে ভুল করবেন। এই এলজিআরডি মন্ত্রনালয়ের আন্ডারেই হচ্ছে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ নামক প্রকল্প। এই প্রকল্পের পরিচালের নাম পরিচালক প্রশান্ত কুমার রায়। প্রশান্ত কুমার এই প্রকল্পের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে পুরো প্রকল্পকে হিন্দুদের প্রকল্প হিসেবে গড়ে তুলেন। গণহারে নিয়োগ দেয় হিন্দুদের। এরপর প্রকল্প পরিচালনার নামে চলে কমিউনিটি বেইজ লুটপাটের মহোৎসব। এ সম্পর্কে ১২ মে, ২০১৫ তারিখে বাংলাদেশ প্রতিদিনে একটি খবর প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম ছিলো- “একটি বাড়ি একটি খামার এখন লুটপাট প্রকল্প : প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের এই প্রকল্পকে পরিচালক নিজেই দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে। ”
খবরের ভেতরে বলা হয়- “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প ঘিরে চলছে লুটপাট। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খোদ প্রকল্পটির পরিচালক ড. প্রশান্ত কুমার রায়ের অনিয়ম, দুর্নীতির কারণেই পুরো প্রকল্প এখন ভেস্তে যেতে শুরু করেছে। যে স্বপ্ন নিয়ে দারিদ্র্যকে জয় করার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু হয়েছিল ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের, সেই স্বপ্নের ছিটেফোঁটাও বাস্তবায়ন হয়নি গত পাঁচ বছরে। এ প্রকল্পের নামে সমিতিগুলোতে দেওয়া ঋণের ৬৩২ কোটি টাকার হদিস নেই।”(http://bit.ly/2dgoK7S)
যাই হোক বর্তমানে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক নিয়ে দুই দুর্নীতিবাজ হিন্দু সচিবের (মিহির কুমার মজুমদারের ও প্রশান্ত কুমার রায়) মধ্যে লুটপাটের ভাগবাটোয়া নিয়ে দ্বন্দ্বেই ফাস হয়ে গেছে তাদের অনেক কুর্কীতি।
সর্বশেষে একটি জিনিস আপনাদের জানিয়ে রাখি। গত কয়েকবছর ধরে কুরবানী নিয়ে বেশ ষড়যন্ত্র চলছে। এর মধ্যে রয়েছে হাটের সংখ্যা হ্রাস, হাটগুলোকে শহরের বাইরে ঠেলে দেয়া, কোরবানীর স্পট ফিক্সড করা। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই প্রত্যেকটি ষড়যন্ত্রই কিন্তু হয়েছে এই এলজিআরডি মন্ত্রনালয়ের আন্ডারে, যার কেন্দ্রে বসে আছে একাধিক হিন্দুত্ববাদী সচিব।
No comments