
এবার পূজার সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে বেশ বদ্ধপরিকর সরকার। প্রত্যেক জেলায় জেলায় ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের ডিসি মিলে পূজারীদের আশ্বাস দিচ্ছে, কিছুতেই তাদের বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা হবে না। এছাড়া কয়েকটি জেলায় মন্ত্রীরা পর্যন্ত গিয়ে বলে এসেছে, পূজায় বিদ্যুতের ব্যাপারে কোন সমঝোতা করা হবে না, এমনকি যদি কোন এলাকায় মিল-ইন্ডাস্ট্রি যদি বন্ধ রাখতে হয়, তাও রাখা হবে।
পড়তে পারেন-
১) সিলেটে পূজায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস - http://bit.ly/2dnj2kH
২)বগুড়ায় পূজায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখার আশ্বাস- http://bit.ly/2dsslvv
৩)খুলনায় পূজায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখা হবে - http://bit.ly/2dnlebT
উল্লেখ্য, গত রোজার সময় মুসলমাদের মধ্যে অনেকেই হতাশ ছিলো, বিদ্যুতের অভাবে। সারাদিন রোজা রেখে ভাদ্র মাসের তীব্র গরমে বিদুতের দেখা পাওয়া ছিলো দুষ্কর। এমনি ইফতারি, তারাবী এমনকি সেহেরীর সময়ও কারেন্ট থাকতো না। এবার কোরবানীর ঈদেও ছিলো একই দশা। সিলেট, ফরিদপুর, খুলনা, চট্টগ্রামসহ প্রায় ২০-২৫ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ছিলো কঠিন সমস্যা হয়। কোন কোন এলাকায় ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিলো না।
পড়তে পারেন-
১) ইফতারি-তারাবী ও সেহেরীর সময় বিদ্যুৎ নেই- http://bit.ly/2dAdUI3
২) ইফতারি-তারাবী ও সেহেরীর সময় হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়- http://bit.ly/2dnixHc
৩) কোরবানীর ঈদে চট্টগ্রাম, খুলনাসহ ২১টি জেলায় বিদ্যুৎ সমস্যা - http://bit.ly/2cZeYEj
৪) ঈদে টানা ১৬ ঘন্টা অন্ধকারে সিলেটের ওসমানীনগরবাসী - http://bit.ly/2dO7rH7
যাই হোক, আমার বলার বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার হিন্দুদের পূজার ব্যাপারে যতটা নরম, মুসলমানদের ঈদের ব্যাপারে ঠিক ততটাই যেন কর্কশ। স্বাভাবিকভাবে অনেকেরই ধারণা হওয়া শুরু করেছে, “আচ্ছা ! বাংলাদেশের সরকার প্রধান ধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু হয়ে যাননি তো? নয়ত তিনি মুসলমানদের ব্যাপারে অত্যধিক কঠোর, আর হিন্দুদের ব্যাপারে অসম্ভব নরম কেন ??”
No comments