দেশজুড়ে পূজার নামে চলেছে বড় ধরনের চাঁদাবাজি।
প্রত্যেকটা বেসরকারী ব্যাংকের কাছে ১০-২০টা করে পূজা মণ্ডপের চাদার চিঠি এসেছে। উপরের মহলের চাপ দিয়ে বাধ্য করা হয়েছে চাদা দিয়ে। প্রত্যেক পূজা মণ্ডপে মিনিমাম চাদার রেট ২০ হাজার টাকা। ধরে ধরে সব ব্যবসায়ীদের থেকে চাদা তোলা হয়েছে। মেসগুলোতে চলেছে অবাধে চাদাবাজি। পূজার চাদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মেসের ছাত্ররা (http://banglanewsus.com/?p=25820)। কিছু বলতে পারছে না পুশিকেও, যদি পুলিশ হিন্দুদের বিরুদ্ধে বললে ধরে নিয়ে যায়। এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডে নতুন করে প্রায় হাজারখানে চাকুরীজাবী ঢুকেছে। এদের মধ্যে মুসলমানরা ঈদ উপলক্ষে পেয়েছে ১টার অর্ধেক বোনাস, আর পূজা উপলক্ষে হিন্দুরা পেয়েছে ডবল বোনাস।
আসলে হিন্দুদের ৭১ ফুট বলেন আর ১০০ ফুট বলেন, বেশির ভাগ মূর্তির টাকা এসেছে মুসলমানদের পকেট থেকে নিচ্ছে হিন্দুরা। এমপি-মন্ত্রীরা এতদিন যত টাকা মেরেছে ভারতকে খুশি রাখতে সব টাকা ঢালছে মূজা মণ্ডপে। কোন মণ্ডপে যদি ভুল করেও বিদ্যুৎ চলে যায়, তবে রাখা হয়েছে তাৎক্ষণিক জেনারেটরের ব্যবস্থা, আর সেই জেনারেটরের বিদ্যুৎ বিল পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশন দিয়ে দিচ্ছে। খবর পেলাম রাঙ্গামাটির জুরাইছড়িতে ২৮৬টি বাঙালী পরিবার না খেয়ে মারা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে কয়েকজন মারাও গেছে ( http://bit.ly/2e1lb4Z)। কিন্তু সরকারের ত্রাণ তহবিলের অর্থ সেখানে না দিয়ে পূজা মণ্ডপগুলোতে দেদারছে বিলি করা হচ্ছে (http://bit.ly/2ecabkA)।
আসলে হিন্দুদের ৭১ ফুট বলেন আর ১০০ ফুট বলেন, বেশির ভাগ মূর্তির টাকা এসেছে মুসলমানদের পকেট থেকে নিচ্ছে হিন্দুরা। এমপি-মন্ত্রীরা এতদিন যত টাকা মেরেছে ভারতকে খুশি রাখতে সব টাকা ঢালছে মূজা মণ্ডপে। কোন মণ্ডপে যদি ভুল করেও বিদ্যুৎ চলে যায়, তবে রাখা হয়েছে তাৎক্ষণিক জেনারেটরের ব্যবস্থা, আর সেই জেনারেটরের বিদ্যুৎ বিল পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশন দিয়ে দিচ্ছে। খবর পেলাম রাঙ্গামাটির জুরাইছড়িতে ২৮৬টি বাঙালী পরিবার না খেয়ে মারা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে কয়েকজন মারাও গেছে ( http://bit.ly/2e1lb4Z)। কিন্তু সরকারের ত্রাণ তহবিলের অর্থ সেখানে না দিয়ে পূজা মণ্ডপগুলোতে দেদারছে বিলি করা হচ্ছে (http://bit.ly/2ecabkA)।
মুসলমানদের ঈদে এক টাকাও বরাদ্দ দেয়নি সরকার, আর এখন মুসলমানদের টাকা নিয়ে পূজায় ঢালা হচ্ছে দেদারসে। এভাবে সংখ্যাগুরুদের নির্যাতন করে সংখ্যালঘওদের মাথায় তুলতে থাকলে আরেকটা ৭১ এর মত যুদ্ধ অনিবার্য।
No comments