বাংলাদেশের সাথে চীন ও ভারতের ঋণচুক্তি
ভারতের এনডিটিভির খবর: মোদির ২ বিলিয়ন ঋণচূক্তিকে কাউন্টার দিতে বাংলাদেশের সাথে ২৪ বিলিয়ন ডলার ঋণচূক্তি করলো চীন।
(http://bit.ly/2eApxzq)
(http://bit.ly/2eApxzq)
আমি বলি- ‘কোথায় বদলগাছি, আর কোথায় সোনাগাছি’। মোদি তো ২ বিলিয়ন ডলার ঋণের মুলা ঝুলায় বাংলাদেশ থেকে ২০০ বিলিয়ন ডলার তুলে নিছে। মোদির ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়ে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম-
------------------------------
ভারতের ঋণ শুভঙ্করের ফাঁকি
ভারতের ঋণ শুভঙ্করের ফাঁকি
ভারতীয় নতুন দুইশ’কোটি মার্কিন ডলার ঋণের প্রস্তাব ‘কৈ মাছের তেলে কৈ ভাজা’ বিনা খরচে বেশি মজা। এই বেশি মজা নেয়ার নীতি ভারতের নতুন নয়। অতীতের ঋণ প্রস্তাব ও সাহায্যের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করলেও দেখা যায় ভারত সব সময়ই বাংলাদেশ থেকে এমন মজা লুটায় চ্যাম্পিয়ন। নতুন দুই শ’ কোটি ডলার ঋণ প্রস্তাবেও লুকিয়ে আছে এমন শুভঙ্করের ফাঁকি। এই ঋণের টাকায় কর্মসংস্থান হবে ভারতীয়দের। ই্ট, পাথর, বালুর এবং ঠিকাদারীর অর্থও পাবে ভারত। উন্নয়নের নামে যে অবকাঠামো নির্মাণ হবে তার সিংহভাগ সুবিধাও ভোগ করবে দেশটি। অথচ চড়া সুদ পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশের জনগণকে। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাংলাদেশ থেকে ঋণের নামে হরিলুটের ফন্দি করেছে ভারত। বাংলাদেশের সাথে ২০০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ১৫ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা) ঋণ চুক্তি করেছে ভারত। সাক্ষরিত চুক্তির শর্ত হিসেবে চলমান ঋণের মতো নতুন প্রকল্পগুলোর জন্য অন্তত ৭৫ শতাংশ পণ্য ও সেবা অবশ্যই ভারত থেকে আমদানি করতে হবে। এ সকল পণ্য ও সেবার উৎপাদন প্রক্রিয়া হবে ভারতেই। অর্থনীতিবিদের মতে এটা ৭৫ শতাংশ লিখিত হলেও শেষ পর্যন্ত ৯০ শতাংশই চলে যাবে ভারতে। কিন্তু এর শতভাগ সুদসহ আসল পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্মাণের জন্য মাটি, ইট-বালু-সিমেন্ট, কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি ও সেবা ভারত থেকে কিনতে হবে। সকল পণ্য ভারত থেকে কেনাও বাধ্যতামূলক। ফলে বাংলাদেশ আন্ত—র্জাতিক বাজার থেকে পণ্য কম দামে কিনতে পারবে না। ভারত যে পণ্যের যে দাম নির্ধারণ করে দেবে সেই দামেই কিনতে হবে। এমনকি বাংলাদেশে যে সকল কাঁচামাল উৎপাদন করা হয় তাও ভারত থেকে ভারতীয় দামে ক্রয় করতে হবে। চুক্তির ফলে ঋণের টাকায় বাংলাদেশে নেয়া প্রকল্পগুলোতে ভারতের প্রায় ৫০ হাজার লোককে নিয়োগ দিতে বাধ্য থাকবে বাংলাদেশ। বিশাল বেকারের এই দেশের ৫০ হাজার দক্ষ শিক্ষিত যুবক বঞ্চিত হবে। অর্থনীতিবিদের মতে, এটা এক ধরনের ডাকাতির মতো। বিশেষ করে যদি বাংলাদেশে এক ব্যাগ সিমেন্টের দাম হয় ৫০০ টাকা ভারত ঐ সিমেন্টর দাম নির্ধারণ করবে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। যা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ তা কিনতে বাধ্য থাকবে। এর আগে ভারত বাংলাদেশকে যে ঋণ দিয়েছে তার অধীনে যে সকল প্রকল্প শুরু করা হয় সে সকল প্রকল্পের ব্যয় কয়েক শত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
(http://bit.ly/2e3CyRs)
(http://bit.ly/2e3CyRs)
-----------------------------
আমার মনে হয়, টাকার জন্য হলেও হাসিনা সরকারের উচিত ভারতকে তালাক দিয়ে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক দৃঢ় করা।



No comments