পহেলা বৈশাখ পালনকারী কথিত বাঙালী চেতানার আড়ালে হাত কেলিয়ে হাসে ধর্ষকের হাসি
ভারতে নাকি একটা উৎসব হয়- নাম ধর্ষন উৎসব। ঐ উৎসবে নাকি ৬-১৬ বছরের মেয়েদের গণধর্ষণ করে পুরুষরা। (http://bit.ly/1TNFptL)
শুধু ধর্ষণ উৎসব কেনো হিন্দুদের অনেক অনুষ্ঠানই হচ্ছে নারী নির্যাতনের উৎসব। এই তো কিছুদিন আগে হোলি পূজা নিয়ে ভারতের kolkata24x7 নিউজ করলো। সেখানে বলা হলো-
“ব্রজধামের হোলি উৎসবে উপস্থিত পুরুষদের উদ্দেশ্যই থাকে মহিলাদের বিরক্ত করা, পিছনে লাগা।... স্থানীয় মহিলারা হোলিতে পুরুষদের থেকে অভ্যস্ত কারন এরকমটাই চলে আসছে বছরের পর।.....হোলির সময় বৃন্দাবনে কোনও মহিলা যাওয়া মানেই শ্লীলতাহানির শিকার তাকে হতেই হবে এবং একে উৎসবের অঙ্গ হিসেবেই দেখা হয়। .... উৎসবে উপস্থিত হলেই যেন শ্লীলতাহানির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এটাই এখানকার হোলি খেলার বিধি। স্থানীয় মহিলারা এসবের সঙ্গে যেন ও খুব সহজে মানিয়েও নিয়েছেন। এই রীতি থেকে বাদ যান না ৮ বছরের শিশু থেকে ৬০ বছরের মহিলারাও।” (http://bit.ly/2mOTgYn)
এ কারণেই কিছুদিন আগে ভারতের শীর্ষ আইনজীবী এবং রাজনীতিক প্রশান্ত ভূষণ মন্তব্য কলেছিলো-
“রোমিও তো শুধু একজন নারীকে ভালবাসত, কিন্তু (ভগবান) কৃষ্ণ তো লেজেন্ডারি ইভটিজার অর্থাৎ কিংবদন্তির নারী উত্ত্যক্তকারী ছিলেন।” (http://bit.ly/2nA3bDc)
আসলে হিন্দু ধর্ম আগত অনুষ্ঠানগুলো লুচুমি থাকবে, এবং লুচুরাই সেখানে যাবে এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের কথিত বর্ষবরণ বা পহেলা বৈশাখও তার থেকে ব্যতিক্রম নয়। কারণ এ দিবসটি হিন্দু ধর্মের অনুসঙ্গ। এ কারণে দেখবে ফি-বছর সেখানে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। আবার কিছু নারী ইচ্ছে করেই নির্যাতন (নাকি অন্যকিছু) নিতে যায়। ২০১৪ সালে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ঢাবি ক্যাম্পাস এলাকায় কিছু নারীর সম্পূর্ণ পোষাক খুলে ফেলো বাঙালী চেতানায় উজ্জিবিতরা। যদিও বিষয়টি শুধু স্যোশ্যাল মিডিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকে । আর ২০১৫ সালে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে তো প্রকাশ্যে পহেলা বৈশাখের চেতানাধারীদের হাতে নির্যাতিত হয় অসংখ্য নারী, যাতে তোলপাড় হয় মিডিয়া ও প্রশাসন।
আসলে বর্ষবরণ বা পহেলা বৈশাখ যে নারী নির্যাতনের উৎসব সেটা তো আজ থেকে ২৭ বছর আগে (১৯৯০ সালে) ব্যান্ড গায়ক মাকসুদ গেয়েছে, “মেলায় যায়রে, মেলায় যায়রে, বাসন্তী রং শাড়ি পরে ললনারা হেটে যায়, ঐ বখাটে ছেলের ভীড়ে ললনাদের রেহায় নাই”।
তারমানে পহেলা বৈশাখ পালনকারী কথিত বাঙালী চেতানার আড়ালে হাত কেলিয়ে হাসে ধর্ষকের হাসি, নারী নিপীড়কের হাসি। তাই যে বা যারা পহেলা বৈশাখ পালন করবে, ধরে নেবেন সে ঐ লুচুগ্রুপেরই সদস্য, হয়ত উপর দিয়ে খুব সংষ্কৃতির ভাব নিবে, কিন্তু এরাই ভিড়ের মধ্যে ‘একটু ছুয়ে’ বা ‘টিপে দিতে’ অভ্যস্ত।
ছবি : পহেলা বৈশাখের পোজে বিশিষ্ট শাহবাগী নেতা চেতনাবাজ ন্যাংটা সাজু
---------------------------------------------------
--আমার ফেসবুক পেইজ Noyon Chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
--আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6 (https://www.facebook.com/202647270140320/)

No comments