ভারতে শুরু হয়েছে ‘বাংলাদেশী খেদাও’ অভিযান, বাংলাদেশে যদি শুরু হয় ‘ভারতীয় খেদাও’ ?
ভারতের উত্তর প্রদেশে নাকি শুরু হয়েছে ‘বাংলাদেশী খেদাও’ অভিযান। আসলে ‘বাংলাদেশী খেদাও’ না বলে ‘বাংলাভাষী মুসলিম’ খেদাও বললে নামটা বেশি সঠিক হয়। কারণ আক্রান্ত লোকগুলো পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারের অধিবাসী, এমনকি ভোটার কার্ডও রয়েছে এদের। (http://bit.ly/2vMJLuv) অপরদিকে ২০১৬ সালে ভারত সরকার ঘোষণা দেয়- বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে। (http://bit.ly/2vMQO6h) তারমানে অপরদেশের হিন্দু হলে সমস্যা নাই, নিজ দেশের মুসলিম হলেই সমস্যা।
মাঝে মাঝে দাবি করা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক নাকি ‘চরম বন্ধুত্বপূর্ণ’ বিদ্যমান। কিন্তু একটি বন্ধু রাষ্ট্র যখন নিজ দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা চালাতে অপর বন্ধু রাষ্ট্রের নাম ব্যবহার করে, তখন বোঝা যায় তাদের বন্ধুত্বের হালহাকিকত কোন দিকে। বন্ধুত্বের দিকে না শত্রুত্বের দিকে ?
উল্লেখ্য একটি হিসেব মতে বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকের সংখ্যা প্রায় ১২ লক্ষ (http://bit.ly/2gU937B)। ভারতের হিসেবেই, ভারতের প্রবাসি আয়ের পঞ্চম শীর্ষ উৎস বাংলাদেশ। (http://bit.ly/2uMMW86)। আরো উল্লেখ্য- ২০১২ সালের ১৪ই জানুয়ারী একটি বাংলাদেশী দৈনিকে হেডিং ছিলো- “চাকরির বাজার ভারতীয়দের হাতে”। খবরের সংক্ষেপ-
“বৈধ-অবৈধ ভারতীয় নাগরিকদের দখলে চলে যাচ্ছে দেশের চাকরির বাজার। দেশীয় বড় বড় কোম্পানি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি ভারতীয়দের একচেটিয়া নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ওয়ার্কপারমিট নিয়ে গার্মেন্ট, বায়িং হাউস, এয়ারলাইন্স ও বিভিন্ন বিপণন প্রতিষ্ঠানে লক্ষাধিক ভারতীয় কাজ করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় এদের আয়ের সঠিক হিসাব নেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে। ফলে মোটা অঙ্কের বেতন-ভাতা পেলেও রাজস্ব দিতে হয় না এসব অবৈধ বিদেশির। আবার বহুজাতিক বিভিন্ন কোম্পানির শীর্ষ পদের প্রায় সবই ভারতীয় নাগরিকের দখলে থাকায় বাংলাদেশী নাগরিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি বেতন-ভাতা পাচ্ছেন তারা। নিয়ে দেশ থেকে পাচার করা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। বাংলাদেশে একাধিক বহুজাতিক কোম্পানির অফিসে খোঁজখবর নিয়ে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে প্রায় ৫ লাখ বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে কাজ করছেন। এদের বেশিরভাগই ভারতীয় নাগরিক। ভারতীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ছাড়া এসব ভারতীয় কাজ করছেন বিভিন্ন বায়িং হাউস, পোশাক কারখানা, ফ্যাশন হাউস, এয়ারলাইন্স কোম্পানিতে। এসব কোম্পানির শীর্ষ পদের সবই ভারতীয়দের দখলে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের শ্রম আইন যেমন মানা হচ্ছে না, তেমনি বৈধ ওয়ার্ক পারমিটও নেই অধিকাংশ ভারতীয়র। ( বিস্তারিত: http://bit.ly/2eFaNRh)
এটাতো গেলো ডাইরেক্ট ভারতীয় নাগরিকের হিসেব। পাশাপাশি বাংলাদেশের অধিকাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বী আবার শতভাগ ভারতীয় নাগরিক। এরা থাকে বাংলাদেশে, টাকা কামায় বাংলাদেশে। কিন্তু টাকা জমায় ভারতে, বাড়ি বানায় ভারতে, এদের জাত-জীবন দুটোই ভারত ঘিরে। এদের অধিকাংশের কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট আছে।
সে হিসেবে বাংলাদেশে যদি হঠাৎ করে ‘ভারতীয় খেদাও’ আন্দোলন শুরু হয়, তখন কমকরে হলেও ৫০ লক্ষ লোককে ভারত পালাতে হবে। হিন্দু সন্ত্রাসী আদিত্যনাথ উত্তর প্রদেশে ‘বাংলাদেশী খেদাও’ শুরু করেছে ভালো কথা, কিন্তু এর প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশেও যে ক্ষোভসৃষ্টি হতে পারে, এমনকি ভারতীয় অধিক্যে চাকুরী না পাওয়া বেকার বাংলাদেশীরা ‘ভারতীয় খেদাও’ শুরু করতে পারে, সেটাও তার চিন্তা করা উচিত ছিলো।
---------------------------------------------------
--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon Chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
--আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6 (https://www.facebook.com/202647270140320/

No comments