Header Ads

ad728
  • Breaking News

    সেক্যুলার মুসলিমদের নিকট পোড়া ঘরের সামনে এক হিন্দু নারী কাঁদছে এটাই এখন বড় হৃদয় বিদারক দৃশ্য, মুসলিমদের লাশ নয়!


    গতকালকে থেকে রংপুরের ঘটনায় অনেক ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্ট দেখলাম।
    দেখলাম- মুসলমানদের মধ্যে একটা বড় অংশ হিন্দুদের ৬টা ঘর পুড়েছে এটা নিয়ে বেশি চিন্তিত।
    ‘আহারে হিন্দুদের ঘর পুড়েছে’ ‘আহারে হিন্দুদের ঘড় পুড়েছে’ করে কান্নাকাটি করছে।
    কিন্তু ৬ জন মুসলমান মারা গেছে এটা নিয়ে তারা মোটেও চিন্তিত নয়, বরং ‘ঠিক হইছে মরছে’ এই টাইপ কথা বলছে।
    অর্থাৎ জনগণের মাঝে সেক্যুলারিজমের অবস্থা বেশি ফুটে উঠছে। এটা ঠিক যে, মিডিয়া মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষ মিডিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে কেন ? এটাও তো কথা।

    তবে বাংলাদেশের মানুষ বুঝতেছে না- তারা হিন্দুদের জন্য মায়াকান্না কেঁদে কোন উপকৃত হচ্ছে না, বরং নিজেই নিজের গায়ে শিকল পড়াচ্ছে। হিন্দুরা যে কৌশলে মুসলমানদের আটকাচ্ছে এটা তাদের মাথায় নেই। আসলে- বাংলাদেশের মানুষ প্যালেনস্টাইনিদের ভাগ্য বরন করতে যাচ্ছে।

    একটু হিসেব কষে দেখুন-
    বাংলাদেশের হিন্দুরা হচ্ছে হিন্দুত্ববাদী, কিন্তু মুসলমানরা হচ্ছে সেক্যুলার।
    ঠিক একই ঘটনা হয়েছে ইসরাইল-ফিলিস্তিনের ক্ষেত্রে।
    ইসরাইল হচ্ছে কট্টর ইহুদীবাদী। ইহুদীরা যখন ঐ অঞ্চলে প্রবেশ করে তখন তাদের মূল শ্লোগান ছিলো- “হে ঈশ্বর আমাদের জন্মভূমি ফিরিয়ে দাও।”
    অপরদিকে ফিলিস্তিনী আন্দোলনের মূল নেতা ইয়াসির আরাফাত ছিলো একজন কমিউনিস্ট, যার সংগঠন ‘ফাতাহ’ এর ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখুন। লেখা আছে- মতাদর্শ- সেক্যুলারিজম।
    ইসরাইলের ঐ অঞ্চলে প্রবেশের মূল ধরা হয়- ৬৭ সালের ৬দিনের আরব ইসরাইল যুদ্ধকে। অনেকেই দাবি করে ঐ সময় নাকি মুসলমানরা ইহুদীদের কাছে পরাজিত হয়েছিলো। আমি বলবো- এ ইতিহাসটা সম্পূর্ণ ভুল। ঐ সময় নাস্তিক ও সেক্যুলাররা ইহুদীদের কাছে পরাজিত হয়েছিলো। মুসলমানরা পরাজিত হয়নি। যেমন ঐ সময় ইহুদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলো তিনটি দেশ মিশর, সিরিয়া ও জর্ডান। মিশরের ক্ষমতায় ছিলো জামাল আবদেল নাসের। নাসের ছিলো সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী। কট্টর ইসলামবিদ্বেষী নাসের বহু ইখওয়ানীকে হত্যা করে। সিরিয়াতে ক্ষমতায় ছিলো বাথ পার্টি। বাথ পার্টিও সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী। অপরদিকে জর্ডানে ক্ষমতায় ছিলো বাদশাহ হোসেন। হোসেন ছিলো সিআইএ’র এজেন্ট, এটা সাধারণ মানুষের মুখের কথা নয়। সিআইএ নিজের অবমুক্ত দলিলেই প্রকাশ হয়েছে।

    ঐ সময় ইহুদীদের জনসংখ্যা ঐ তিন মুসলিম রাষ্ট্রের সাথে তুলনা করলে ছিলো মাত্র ৫%। ইহুদীদের ভূখণ্ডের আকার বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের সমান, কিন্তু মুসলিমদের ভূখণ্ডের আকার বেশ কয়েকটা বাংলাদেশের সমান। তারমানে জনসংখ্যা ও ভূখণ্ড ব্যাপার না।

    লক্ষণীয় বিষয়- ৬৭ এর আরব যুদ্ধে বাংলাদেশ (পূর্ব পাকিস্তান) থেকে সেনাবাহিনী গিয়ে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলো, অথচ আরবরা নিজ ভূমিতে মার খেয়েছিলো। কারণ বাংলাদেশের মুসলমানরা গিয়েছিলো মুসলিম চেতনায়, সেক্যুলার চেতনায় নয়। বাংলাদেশীদের শক্তি এতটাই ছিলো যে বাংলাদেশী বৈমানিকদের হাতে জর্ডানের বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তুলে দেয়া হয়।

    আজকে ফিলিস্তিনের মানুষ মারা গেলে দয়া করে আপনারা মায়াকান্না কাদবেন না। কারণ তারা সেক্যুলার সেজে নিজের মার নিজের ঘাড়ে তুলে নিয়েছে, এরা যদি মুসলমান হতো, অবশ্যই তারা মার খেতো না। আপনারা নিজের জন্য চিন্তা করুন। কারণ আপনারও সেক্যুলার। আপনাদের জন্য ফিলিস্তিনের মত মার অপেক্ষা করছে। হিন্দুদের জনসংখ্যা কম হোক, কিন্তু ওদের আছে কট্টর ধর্মীয় চেতনা, ওদের ধর্মীয় চেতনার কাছে আপনারাও ফিলিস্তিনিদের মত মার খাবেন। মনে রাখবেন- ধর্মীয় চেতনার কাছে সেক্যুল্যারিজম কখন টিকতে পারে না।

    (ছবি : রংপুরের ঘটনায় আহত মুসলমান। যদিও এই ছবি গুরুত্বপূর্ণ নয়, পোড়া ঘরের সামনে এক হিন্দু নারী কাঁদছে এটাই এখন বড় হৃদয় বিদারক দৃশ্য)


    ------------------------------------------------------------------

    --আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
    (https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
    --পেইজ কোড- 249163178818686 ।

    --আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
    (https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728