Header Ads

ad728
  • Breaking News

    মূর্খ টিটু যদি ফেসবুক চালাতে নাই পরে তবে ফেসবুকে তার সেলফির ছবি আসলো কিভাবে ?


    আওয়ামী নাস্তিক রেহমান সোবহানের ছেলে ও ইহুদীবাদী লেখক সংস্থা ‘পেন’ এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি কাজী আনিস আহমেদের ‘বাংলা ট্রিবিউন’ নামক পোর্টালটি একই নাটক নিয়ে এসেছে রংপুরে ধর্মীয় অবমাননাকে কেন্দ্র করে।

    নারায়নগঞ্জের শিক্ষক শ্যামল কান্তিকে ইনোসেন্ট বানানো
    নাসিরনগরের রসরাজকে ইনোসেন্ট বানানোর 
    পর এবার তাদের প্ল্যান রংপুরের টিটু চন্দ্রকে ইনোসেন্ট বানানো।
    এ লক্ষে তারা একটি রিপোর্ট করেছে,
    যার শিরোনাম- “ফেসবুকে কথিত স্ট্যাটাস দেওয়া টিটু রায় ‘নিরক্ষর’, এলাকায় নেই ৭ বছর”
    (http://bit.ly/2AxbAsX)

    ১) ঐ রিপোর্টে বলছে- “ঠাকুরপাড়ার অন্তত ৩০টি বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়, ২০টি বাড়ি নাকি ভাংচুর করা হয়”
    অথচ, দৈনিক প্রথম আলো বলছে- ৮টি বাড়িতে আগুন দেয়া হয়। (http://bit.ly/2iKc8EB) এখন আপনারাই বলুন- কৈ ৩০ আর কৈ ৮, কোনটা বিশ্বাস করবো ?

    ২) ঐ রিপোর্টে বলছে- “ঠাকুরপাড়াবাসী ও স্বজনদের কাছ থেকে জানা যায়, এই গ্রামের মৃত খগিন্দ্র চন্দ্রের ছেলে টিটু রায়। সে লেখাপড়া করেনি, কোনোমতে নিজের নামটা শুধু স্বাক্ষর করতে জানে ”
    অথচ দৈনিক সমকাল বলছে-
    টিটুর মা জীতন বালা বলেন, ''হামার ছইল (ছেলে) তো প্রাইমারিও পড়ে নাই। তিন চার বছর ব্রাক স্কুলে গেছে।” (http://bit.ly/2jhFUVo)
    আচ্ছা তিন চার বছর ব্র্যাক স্কুলে গেলে কি কেউ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতে পারে না ? আপনারাই বলুন।

    ৩) রিপোর্টে টিটুর ভাই বিপুল বলে, ‘টিটু রায়ের নামে ফেসবুকে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছে বলে আমরা কয়েকদিন আগে শুনেছি। কিন্তু আমার ভাই টিটু তো লেখাপড়া জানে না। সে ফেসবুক চালাবে কী করে?’

    এর উত্তরে বলতে হয়- সে যদি ফেসবুক চালাতে না  পারে, তবে ফেসবুকে তার ছবি আসলো কিভাবে ? সে অবশ্যই মোবাইল দিয়ে ছবি তুলেছে এবং সেটা আপলোড দিয়েছে।  সে মূর্খ তাই ফেসবুক চালাতে পারে না, এটা কোন যুক্তি হতে পারে না।  এটা ঠিক সে হয়ত অত বড় স্ট্যাটাস লিখতে পারবে পারবে না। এবং টিটু যে পোস্টটি দিয়েছে, সেটা কিন্তু সে লিখেনি, একজনের স্ট্যাটাসকে স্ক্রিনশট নিয়ে পিকচার হিসেবে আপলোড করেছে (http://bit.ly/2i3E6Mk)। 

    ৪) ) টিটুর ভাই বিপুল বলে, ‘তার (টিটু) সঙ্গে আমাদের পরিবারের কোনও যোগাযোগই নেই।”
    অথচ- দৈনিক যুগান্তর বলছে-
    “রংপুরের পাগলাপীর শলেয়া শাহ এলাকার খগেন চন্দ্র রায়ের ছেলে টিটুল চন্দ্র রায় (৪০) রোববার ইসলাম ধর্ম ও নবীকে নিয়ে ‘ফেসবুকে’ কটূক্তি করে প্রচার চালায়। এ নিয়ে এলাকায় মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে ক্ষোভ দেখা দেয়। এ নিয়ে সোমবার মামলা করা হয়। টিটুলকে গ্রেফতারে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু টিটুল গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকায় এ নিয়ে উত্তেজনা চলতে থাকে। (http://bit.ly/2hrIeZa)

    তারমানে টিটুর নামে মামলা হয়েছে এবং তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা হওয়ার বিষয়টি টিটুর অজানা নয়। বাড়ির লোক যদি সেটা না জানায়, তবে সেটা বললো কে ? আর যদি নাই বলে, তবে সে পালিয়ে গেলো কিভাবে ??

    মূলতঃ ধর্ম অবমাননা করে সে নিজের আইডি নাম চেঞ্জ করে। প্রথমে তার আইডি নাম ছিলো শ্রী টিটু রায় । এ জন্য এলাকাবাসী যখন ব্যানার করে তখন লিখে শ্রী টিটু রায়। (http://bit.ly/2ythNG1)। কিন্তু পরে সে নাম চেঞ্জ করে md titu করে। যেটার স্ক্রিনশট সর্বত্র ছড়িয়েছে। (http://bit.ly/2i3E6Mk) । এর পেছেনে উদ্দেশ্য মানুষকে ধোকা দেয়া। 

    মূল কথা হচ্ছে, এতকিছু ঘটে যাওয়ার পর টিটুর মা-ভাইরা বলছে- তার ছেলে লেখাপড়া জানে না, অন্য কেউ এ স্ট্যাটাস দিয়েছে।  কিন্তু মামলা তো হয়েছে সোমবার। তখন কেন তারা থানায় জানালো না তার ছেলের নামে ফেক আইডি খুলা হয়েছে, এটা নিয়ে কি তারা জিডি করেছিলো ? রোববার যখন ঘটনা ঘটে, তখনই তো তাদের উচিত ছিলো ফেক আইডির নামে জিডি করা। সে রংপুরে না করতো, নারায়নগঞ্জে করতে পারতো। কিন্তু সেটা তারা করেনি। এখন ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর বাংলাট্রিবিউনের মত বানোয়াট নিউজের কাছে গল্প ফেদেছে তারা কিছুই জানে না। খুব ইনোসেন্ট।

    নূণ্যতম বিবেক সম্পন্ন মানুষ নাকি এক গর্তে বার বার পরে না। কিন্তু আমি অবাক হই বাংলাদেশের মুসলমানরা এক গর্তে বার বার পরে। মায়ানমারে হিন্দুরা নিজেরাই হিজাব-টুপি পরে নিজেদের ঘরে আগুন দিয়েছে, এটা সবার জানা। তারপরও তারা বাংলাদেশে এসে বলছে- রোহিঙ্গা মুসলমানরা নাকি তাদের হত্যা করেছে, ঘরে আগুন দিয়েছে। নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে মুসলমানদের ফাঁদে ফেলা হিন্দুদের অনেক পুরাতন স্বভাব। কিন্তু বোকা মুসলমানরা সেই এক ধোকায় বার বারই পরে। বিশ্বাসঘাতক হিন্দুদেরকে মুসলমানরা এখনও চিনলো না।


    ------------------------------------------------------------------

    --আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
    (https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
    --পেইজ কোড- 249163178818686 ।

    --আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
    (https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728