“মৃত্যুর পর মুক্তমনাদের জানাজা থেকে মুক্ত রেখে “ইলেকট্রিক চুল্লীতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে দেহ ভষ্ম করতে হবে
- ডু নট ডিস্ট্রাব, এখানে জানাজার নামাজ চলছে।
- কার জানাজার নামাজ ?
- জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক দীপনের।
- কিন্তু কেন ?
- কারণ সে মুসলমান। আর মুসলমান মারা গেলে তার জানাজা হয়। মুসলমানরা বিশ্বাস করে, এই জানাজার নামাজের মাধ্যমে সে পরজগতে লাভবান হবে।
- কি সব বলছেন ? আপনার কি মনে হয়, দীপন এসব বিশ্বাস করতো ? আমার জানা মতে সে অভিজিৎ দা’র একটি বই ছাপিয়েছিলো। যেখানে এইসব বিশ্বাসকে ‘ভাইরাস’র এর সাথে তুলনা করা হয়েছে। অর্থাৎ দীপন দা’র কাছে এসব বিশ্বাস হচ্ছে ‘ভাইরাস’ সমতূল্য। আর সেই ভাইরাসের মধ্যে কি না আপনারা তাকে ফেললেন ?
- কি সব যাতা বলছেন। একটা সামাজিকতা আছে না।
- না না । আমি এটা মানতে পারলাম না। দীপন ‘অবিশ্বাসের দর্শন’, ‘বিশ্বাসের ভাইরাস’ বইয়ের প্রকাশক । তাকে আপনারা জানাজা দিচ্ছেন, এটা কেমন কথা ? আর জঙ্গী-হুজুর দিয়ে দোয়া-দুরুদ পড়াচ্ছেন, এসব কি ?
- তাহলে আপনি কি চাচ্ছেন ?
- কি চাচ্ছি বুঝতেই পারছেন। দীপন দা’র জানাজা করা ঠিক হয়নি। উচিত ছিলো তার লাশটা প্রযুক্তি নির্ভর জাপানিদের মত ১৬০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চুলোয় পুড়িয়ে ফেলা। এরপর সেই ছাইগুলো প্যাকেটের ভেতর সংরক্ষণ করা। লাশের ছাই সংগ্রহের মধ্যে একটা বিজ্ঞান বিজ্ঞান ভাব আছে কি না।
-দেখুন এগুলো বলে লাভ নেই। হুমায়ুন আজাদ সার, রাজীব হায়দার শোভন, ওয়াশিকুর বাবু সবাই ধর্মকে বিশ্বাস করতো না, তারপরও তাদের জানাজা হয়েছে।
- আমার মনে হচ্ছে, আপনারা জানাজার মাধ্যমে এ সকল বুদ্ধিজীবি মুক্তমনা বিজ্ঞানমনষ্ক দাদাদের অপমান করছেন। আসুন আজই শাহবাগ থেকে দাবীও তুলি- “মৃত্যুর পর মুক্তমনাদের জানাজা থেকে মুক্ত রাখতে হবে, রাখতে হবে।”
“ইলেকট্রিক চুল্লীতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে দেহ ভষ্ম করার অধিকার দিতে হবে, দিতে হবে।”
“ইলেকট্রিক চুল্লীতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে দেহ ভষ্ম করার অধিকার দিতে হবে, দিতে হবে।”
আমার মনে হয়, আপনারা কেউ আমার সাথে দ্বিমত করবেন না।

No comments