জঙ্গী দমনে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা ও পুলিশ খুনের ঘটনা
ঠিক যেইদিন দৈনিক প্রথম আলো’র লিড নিউজ হলো, জঙ্গী দমনে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে,
ঠিক ঐ দিন আশুলিয়াতে নিহত হলো এক পুলিশ।
বিষয়টি কি কাকতালীয় ?
আসলে প্রথম আলো’র এ কাকতালীয় যোগাযোগ এই প্রথম নয়। বৈশাখী অনুষ্ঠানে টিএসসিতে নারী নির্যাতনের যে ঘটনা ঘটে, সেটারও সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পাওয়ার আগেই প্রথম আলো বলেছিলো, কিছু দাড়িওয়ালা সেই নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়েছে।
আপনারা ইহুদী যায়ানদের প্রটোকল পড়ে দেখবেন। সেখানে শত বছর আগে যা লেখা হয়েছে, তা আজও ভবিষ্যতবাণীর মত সত্য হিসেবে ঘটে যাচ্ছে। কারণ আজকের বড় বড় ঘটনাগুলো শত বছর আগেই প্ল্যান করে রেখেছিলো ইহুদীরা। আসলে এটা ইহুদীদের জাতিগত স্বভাব। তারা বহু আগে থেকেই সব প্ল্যান করে রাখে এবং এরপর প্ল্যানগুলো বাস্তবায়ন করে।
বাংলাদেশে ইহুদী মোসাদ কিংবা সিআইএ’র অন্যতম এজেন্ট প্রথম আলোর অবস্থাও একই রকম। তারাও ঐ একই নীতিতে কাজ করে।
এইজন্য দেখবেন দৈনিক প্রথম আলো
প্রথমে খবর করে, কথিত জঙ্গী দমনে পুলিশের সক্ষমতা নিয়ে,
এরপর পুলিশ নিহত হয়েছে সেই নিউজের সত্যতা প্রমাণ করে,
এরপর প্রথম আলো, জরিপ করে- জঙ্গী দমনে নতুন ইউনিট করার দরকার বলে (ছবি দেখুন)
প্রথমে খবর করে, কথিত জঙ্গী দমনে পুলিশের সক্ষমতা নিয়ে,
এরপর পুলিশ নিহত হয়েছে সেই নিউজের সত্যতা প্রমাণ করে,
এরপর প্রথম আলো, জরিপ করে- জঙ্গী দমনে নতুন ইউনিট করার দরকার বলে (ছবি দেখুন)
এরপর কি হবে, আমি তা বলে দিচ্ছি-
আমেরিকা হয়ত বলবে জঙ্গী দমনে বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীকে সহায়তা দিতে তারা বাংলাদেশে আসতে ইচ্ছুক। যদি বাংলাদেশ সরকার অনুমতি দেয় তবে একটা অজুহাতে ঢুকে গেলো বাংলাদেশে, এরপর শুরু হবে খেলা।
আর যদি না দেয়, তবে প্রমাণ হয় বাংলাদেশ সরকার জঙ্গী দমনে ইচ্ছুক নয়। অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকার নিজেই জঙ্গীদের পৃষ্ঠপোষক। তারমানে আমেরিকা বাংলাদেশে বাংলাদেশে হামলা করার বৈধতা পেয়ে গেলো।
আমেরিকা হয়ত বলবে জঙ্গী দমনে বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীকে সহায়তা দিতে তারা বাংলাদেশে আসতে ইচ্ছুক। যদি বাংলাদেশ সরকার অনুমতি দেয় তবে একটা অজুহাতে ঢুকে গেলো বাংলাদেশে, এরপর শুরু হবে খেলা।
আর যদি না দেয়, তবে প্রমাণ হয় বাংলাদেশ সরকার জঙ্গী দমনে ইচ্ছুক নয়। অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকার নিজেই জঙ্গীদের পৃষ্ঠপোষক। তারমানে আমেরিকা বাংলাদেশে বাংলাদেশে হামলা করার বৈধতা পেয়ে গেলো।
ভুলে গেলে চলবে না, এই প্র্রথম আলো গং কিন্তু চেয়েছিলো ‘মাইনাস টু’ করে হিলারীর বন্ধু ইউনুসকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসাতে। কিন্তু সে সময় তারা সফল হয়নি।
যেহেতু সেই প্রথম আলো নামক গং এখনও রয়েছে, তাই সে কিন্তু ছোবল মারা ভুলবে না, সুযোগ পেলেই ছোবল মারবে। খুব কম সময়ের ব্যবধানে বাংলাদেশে কয়েকটি ঘটনা (বিদেশী হত্যা, শিয়াদের উপর হামলা, প্রকাশক হত্যা, পুলিশ হত্যা) সেই নুতন ছোবল মারার আভাস দিচ্ছে। কোন উপায়ে বাংলাদেশে আইএস’র অস্তিত্ব রয়েছে, এতটুকু প্রমাণ করতে পারলেই চলে। বাকিটুকু হয়ে যাবে।
যেহেতু সেই প্রথম আলো নামক গং এখনও রয়েছে, তাই সে কিন্তু ছোবল মারা ভুলবে না, সুযোগ পেলেই ছোবল মারবে। খুব কম সময়ের ব্যবধানে বাংলাদেশে কয়েকটি ঘটনা (বিদেশী হত্যা, শিয়াদের উপর হামলা, প্রকাশক হত্যা, পুলিশ হত্যা) সেই নুতন ছোবল মারার আভাস দিচ্ছে। কোন উপায়ে বাংলাদেশে আইএস’র অস্তিত্ব রয়েছে, এতটুকু প্রমাণ করতে পারলেই চলে। বাকিটুকু হয়ে যাবে।
জানি না, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ এসকল দেশবিরোধী চক্রান্তের ব্যাপারে কতটুকু সচেতন ?

No comments