অসভ্য ফ্রান্সের আসল চরিত্র
আজকে কিছু গাজাখোরকে দেখলাম, ফ্রান্স ভদ্রলোকের দেশ বলে খুব টান মারছে। একজন তো পাকা পায়খানা লোভের ফ্রান্সের পক্ষে বলতে গিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১০০টা বক্তব্য দিয়ে দিলো। বিশিষ্ট পাকা পায়খানা লোভী পুটুকামী আচিফ তো বলেই ফেললো-
“ ফ্রান্স সভ্য দেশ। শিক্ষিত মানুষের দেশ। অসভ্য আর বর্বর, মূর্খদের দেশ নয়। মদিনা সনদের দেশ নয়। হাসিনা খালেদার দেশ নয়। ফ্রান্স জ্যাঁ পল সার্ত্রের দেশ। সিমোন দ্যা বুভোয়ার দেশ। মিশেল ফুঁকো, বোদলেয়ার, র্যাবোর দেশ। আরো হাজার হাজার মানুষের দেশ। তার প্রতিটি রাস্তা স্বপ্নের মত, প্রতিটা ইট ঐতিহ্যবাহী। প্যারিস নিঃসন্দেহে সভ্য পৃথিবীর আধুনিক শিল্পকলার অন্যতম তীর্থস্থান। প্যারিসের প্রতিটি রাস্তায় হেঁটে বেড়িয়েছেন পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু মেধাবী মানুষ। সেই প্যারিসে হামলা চালালো আরব বর্বররা।” (https://goo.gl/70wJuj)
“ ফ্রান্স সভ্য দেশ। শিক্ষিত মানুষের দেশ। অসভ্য আর বর্বর, মূর্খদের দেশ নয়। মদিনা সনদের দেশ নয়। হাসিনা খালেদার দেশ নয়। ফ্রান্স জ্যাঁ পল সার্ত্রের দেশ। সিমোন দ্যা বুভোয়ার দেশ। মিশেল ফুঁকো, বোদলেয়ার, র্যাবোর দেশ। আরো হাজার হাজার মানুষের দেশ। তার প্রতিটি রাস্তা স্বপ্নের মত, প্রতিটা ইট ঐতিহ্যবাহী। প্যারিস নিঃসন্দেহে সভ্য পৃথিবীর আধুনিক শিল্পকলার অন্যতম তীর্থস্থান। প্যারিসের প্রতিটি রাস্তায় হেঁটে বেড়িয়েছেন পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু মেধাবী মানুষ। সেই প্যারিসে হামলা চালালো আরব বর্বররা।” (https://goo.gl/70wJuj)
আমার ধারণা, পুটুকাম করার সময় মনে হয় ব্রেনের নিউরনগুলো পুটু দিয়ে স্প্যার্মের মত বের হয়ে যায়, নয়ত এতটা মূর্খ হওয়া কিন্তু সম্ভব না।
কলোনিয়াল রুলের সময় আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোতে ফ্রান্স যে নির্মম নির্যাতন চালিয়েছিলো সেই ইতিহাস যদি কেউ জানতো তবে অন্তত এ ধরনের মন্তব্য করতে পারতো না। তবে এটা ঠিক কেউ কেউ নির্যাতন করতে পারে, সেটা তো জাতিগত নয়। কিন্তু ফ্রান্সের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। তারা কলোনিয়াল প্রিয়ডে যে নির্যাতনগুলো চালিয়েছে সেটার জন্য তারা অনুতপ্ত তো নয়ই, বরং সেগুলোতে তারা ঐতিহ্য হিসেবে ধারণ করে গর্ববোধ করে। একমাত্র জাতিগত সন্ত্রাসীদের পক্ষেই এমনটা করা সম্ভব। আসুন, ভালো মানুষ ও ভদ্রালোকের দেশ ফ্রান্স সম্পর্কে কিছু জেনে নেই-
১) ১৮৩০ -১৯৬২ সময়ের মধ্যে আলজেরিয়াতে মোট ৫০ লক্ষ মুসলমানকে হত্যা করেছিলো ফ্রান্স। ফ্রান্সের সেই নিকৃষ্ট হত্যাকাণ্ডের স্বাক্ষীস্বরূপ এখনও আলজেরিয়াতে মাঝে মধ্যে গণকবর আবিষ্কৃত হয়। তবে আশ্চর্যজনক হলেও সত্য এত নিকৃষ্ট গণহত্যার জন্য এখন পর্যন্ত ফ্রান্স দুঃখ প্রকাশ করেনি।
২) ১৯২২ সালে ফ্রান্সের একটি ডাকটিকিট বের হয় যেখানে আলজেরিয়ার মানুষের কাটামাথা সমৃদ্ধ ছবি ছিলো। (দ্বিতীয় ছবি)
৩) কিছুদিন আগে প্যারিস মিউজিয়াম একটি এ্ক্সিবিশন করতে চায়, সেখানে তারা আফ্রিকায় কলোনিয়াল সময়ের ১৮ হাজার আফ্রিকান মানুষের কাটা মাথার প্রদর্শনী করবে বলে ঘোষণা দেয়। (প্রথম ছবি)
যেখানে ফ্রান্সের ঐতিহ্যগত সন্ত্রাসীপনার কথা পুরো বিশ্ব জানে, সেখানে সামান্য এসাইলামের লোভে কিছু নিমকহারাম সেই অসভ্য জাতিকে সভ্য বলে দাবি করছে, আর নিজ দেশের বদনাম করে বেড়াচ্ছে। মীর জাফর যে কত চেহারায় থাকে, তার শেষ নেই।
---------------------------------------------------------------------
সবার শেষে বলছি-
যে দেশ ঐতিহ্যগতভাবে সন্ত্রাসী, তাকে দমন করাই তো সবার কর্তব্য।
-তালেবান অজুহাতে যদি পুরো আফগানিস্তানকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করা হয়,
-মরানাস্ত্র আছে এমন অজুহাতে যদি পুরো ইরাককে বোম্বিং করে শেষ করতে হয়,
-সিরিয়ায় আইএস আছে এমন অজুহাতে যদি পুরো সিরিয়াকে গুড়িয়ে দিতে হয়
তবে ফ্রান্সে ১৫০ জন মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে কেন পুরো ফ্রান্সে ন্যাটো-মার্কিনীরা দ্বারা বোম্বিং করে শেষ করা হবে না, বিশ্ব সন্ত্রাসীরা জবাব চাই।
যে দেশ ঐতিহ্যগতভাবে সন্ত্রাসী, তাকে দমন করাই তো সবার কর্তব্য।
-তালেবান অজুহাতে যদি পুরো আফগানিস্তানকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করা হয়,
-মরানাস্ত্র আছে এমন অজুহাতে যদি পুরো ইরাককে বোম্বিং করে শেষ করতে হয়,
-সিরিয়ায় আইএস আছে এমন অজুহাতে যদি পুরো সিরিয়াকে গুড়িয়ে দিতে হয়
তবে ফ্রান্সে ১৫০ জন মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে কেন পুরো ফ্রান্সে ন্যাটো-মার্কিনীরা দ্বারা বোম্বিং করে শেষ করা হবে না, বিশ্ব সন্ত্রাসীরা জবাব চাই।


No comments