Header Ads

ad728
  • Breaking News

    নাস্তিক আর হিন্দু কতৃক বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র

    ইয়াহিয়া খান বলেছিল, মাটি চাই মানুষ নয়
    আর বর্তমানে নাস্তিক আর সনাতনীরা বলে, বাংলাদেশ চাই, মুসলমান নয়
    সম্প্রতি বাংলাদেশের এক বামপন্থী বুদ্ধিজীবী সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর একটি সাক্ষাৎকার নজরে পড়লো, যার শিরোনাম 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের এখন আর দেয়ার কিছু নেই' সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন-
    //বাঙালি জাতীয়তাবাদের পর্যায় শেষ হয়ে গেছে। আমি বিষয়ে বই লিখেছি, যার চতুর্থ সংস্করণ চলছে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রয়োজন ছিল ১৯৭১ সালে। জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করল এবং একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলো।...
    বাঙালি জাতীয়তাবাদ আছে, কিন্তু তার এখন আর দেয়ার কিছু নেই। আমার রাষ্ট্রের প্রধান সমস্যা কী? একটা হলো নদীর সমস্যা। আমাদের চুয়ান্নটি অভিন্ন নদীর প্রবাহ যে শুকিয়ে আসছে সেটা নিয়ে কি জাতীয়তাবাদীরা কথা বলছে? হিন্দির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কি তারা কথা বলছে? নরেন্দ্র মোদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দিতে বক্তৃতা দিয়ে গেলেন। পাকিস্তানের কেউ যদি উর্দুতে বক্তৃতা দিত আমরা মানতাম? অথচ মোদিকে আমরা হাততালি দিলাম।...//
    সাক্ষাৎকারের শেষের প্রশ্নটি চমকপ্রদ। পত্রিকার সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেছিল
    //প্রশ্ন : বাঙালি জাতীয়তাবাদী ভেটেরান বুদ্ধিজীবীদের তো শুধু সেক্যুলারিজম, মৌলবাদ এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের বাইরে অন্য কোনো বিষয়ে আগ্রহী দেখা যায় না
    সিরাজুল : বাংলাদেশ এখন সস্তা শ্রম উৎপাদনের কারখানা। তারা গার্মেন্টে কাজ করবে, গৃহভৃত্যের কাজ করবে এবং এরা সমুদ্রের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়বে, একদল চলে যাবে বিদেশে, রেমিট্যান্স পাঠাবে। সেই রেমিট্যান্স আমরা এখানে ভোগ করব, বিদেশে পাঠাব, সুইস ব্যাংকে আমাদের টাকা জমতে থাকবে। এই ভয়াবহ বিষয়গুলো নিয়ে তো বুদ্ধিজীবীরা কিছু বলছে না। তারা কেবল মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আছে।//
    অর্থাৎ পাঠকেরা বুঝতেই পারছেন, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কেনবাঙালি জাতীয়তাবাদএর পর্যায় শেষ হয়ে গিয়েছে বলেছেন। একাত্তর সালে ইয়াহিয়া খানমাটি চাই মানুষ নয়বলার কারণে পাকিস্তানী জাতীয়তাবাদের প্রয়োজন শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছিল। আর আজ বাঙালি জাতীয়তাবাদের ধারকবাহকেরা বলছেবাংলাদেশ চাই, মুসলমান চাই না
    মুসলমানবিরোধী অবস্থানের কারণেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের ধারকবাহকেরা আজ হিন্দিকে মেনে নিয়েছে এবং মোদির উদ্দেশ্যে হাততালি দিচ্ছে। শেষের প্রশ্নটি লক্ষ্য করুন, বর্তমান বুদ্ধিজীবীরা দেশ জাতির সমস্যা নিয়ে কোন কথা বলছে না। তারা পড়ে আছে মৌলবাদ নিয়ে
    কারণ দেশ জাতির পক্ষে কথা বললে তো আদতে মুসলমানদেরই উপকার হলো, আর বাঙালি জাতীয়তাবাদের ধারকবাহকেরা তা কখনোই চায় না। বিপরীতে সেক্যুলারিজম-মৌলবাদ এগুলো নিয়ে টকশো এবং ব্লগ-ফেসবুকে কচলাকচলি করে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া যায়, নাস্তিক্যবাদ প্রচার করা যায়। তাই বাঙালি জাতীয়তাবাদীরা সেগুলো নিয়েই মেতে আছে
    পাকিস্তান আমলে এদেশের মানুষের বাঙালি পরিচয়কে অগ্রাহ্য করার কারণে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছিল। আজ সেই পথ ধরে বাঙালি জাতীয়তাবাদীরা যে এদেশের মানুষের মুসলমান পরিচয়কে অগ্রাহ্য করছে, তার ফলাফল কী হবে? সময়ই তা বলে দেবে

    সাক্ষাৎকারের লিঙ্ক: http://www.alokitobangladesh.com/…/literatu…/2015/06/26/5272

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728