রোজার কষ্ট এবং ক্রিকেট ম্যাচ
আমার এক মুসলিম বন্ধুর থেকে শুনেছিলাম,
রোজার মাসে নাকি মুসলমানরা সারা দিন না খেয়ে থাকে।
দিন লম্বা হলে পুরো দিন শেষ হতেই চায় না। অথচ এই খালি পেট নিয়েই নাকি তারা এ মাসে ধর্ম-কর্ম অন্য সময়ের তুলনায় বেশি করে। দিনে পাঁচ বার মসজিদ গমণ, ধর্মগ্রন্থ পাঠ কিংবা সৃষ্টিকর্তা নাম জপ এই সময় নাকি তারা নিয়মিত করে।
রোজার মাসে নাকি মুসলমানরা সারা দিন না খেয়ে থাকে।
দিন লম্বা হলে পুরো দিন শেষ হতেই চায় না। অথচ এই খালি পেট নিয়েই নাকি তারা এ মাসে ধর্ম-কর্ম অন্য সময়ের তুলনায় বেশি করে। দিনে পাঁচ বার মসজিদ গমণ, ধর্মগ্রন্থ পাঠ কিংবা সৃষ্টিকর্তা নাম জপ এই সময় নাকি তারা নিয়মিত করে।
যাই হোক, আমার মনে হয় ধর্মচর্চার মাধ্যমে এ লম্বা দিনটা শেষ করা অনেক মুসলমাননের কাছে বোরিং হতে পারে। তাই আমি বলবো, এ বছরটি বাংলাদেশীদের জন্য অবশ্যই আশির্বাদ স্বরূপ। কেননা এ মাসের শুরুতেই এসেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল, কয়েকদিন পর আসবে দক্ষিণ আফ্রিকা। আগে খালি পেটে ধর্মচর্চা করে দিন পার করতে হতো। এখন আর সেই কষ্ট নেই। খেলার উত্তেজনা আর খেলা দেখে দ্রুত দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে, খালি পেট টেরই পাওয়া যাচ্ছে না রোজার কষ্ট। সত্যিই অভিনব।
আমার মনে হয়, বাংলাদেশী মুসলমানের উচিত, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে এনে তাদের রোজার কষ্ট কমিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে একটা আলাদা ধন্যবাদ দেওয়া। কষ্ট করে লেখাটা পড়ার জন্য সবাইকে আবারও ধন্যবাদ।
No comments