স্বরসতী পূজার মূল কনসেপ্টটা কি, বাংলাদেশে তা পালন করলে কি প্রভাব পড়বে ?
স্বরসতী
পূজা করতে গেলে সংস্কৃতি ভাষায় একটা শ্লোক পড়তে হয়। শ্লোকটি হলো:
"জয় জয় দেবী চরাচরসারে, কুচযুগ শোভিত মুক্তাহারে ।" যার অর্থ দাড়ায়:
“হে দেবী এই বিশ্বচরাচরে আপনার জয়জয়কার হউক। আপনার স্তনদুটি মুক্তাহার দিয়ে সাজানো”
শ্লোকটির দ্বিতীয় লাইনটির দিকে খেয়াল করুন, কথিত দেবীর বক্ষদেশের প্রশংসা করাই এ স্বরসতী পূজার শ্লোক তথা মূল কনসেপ্ট।
"জয় জয় দেবী চরাচরসারে, কুচযুগ শোভিত মুক্তাহারে ।" যার অর্থ দাড়ায়:
“হে দেবী এই বিশ্বচরাচরে আপনার জয়জয়কার হউক। আপনার স্তনদুটি মুক্তাহার দিয়ে সাজানো”
শ্লোকটির দ্বিতীয় লাইনটির দিকে খেয়াল করুন, কথিত দেবীর বক্ষদেশের প্রশংসা করাই এ স্বরসতী পূজার শ্লোক তথা মূল কনসেপ্ট।
উল্লেখ্য, হিন্দুরা কথিত স্বরসতীকে বিদ্যার দেবী হিসেবে প্রচার
চালালেও তাদের পুরাণ অনুযায়ী কথিত স্বরসতীর অবস্থান পুরোটাই যৌনতা নির্ভর।
হিন্দুদের ধর্মীয়গ্রন্থগুলো ঘাটলে দেখা যায়, সরস্বতির
পিতা তার সাথে লিভ টুগেদার করতো। এছাড়া চিরকুমারী (!) সরস্বতীকে স্বর্গের দেবতারা
কখনও স্ত্রী, কখনও সেবাদাসী, কখনও গণিকা, আবার কখনও অসুরদের রূপে ভুলিয়ে কাত করবার জন্য ব্যবহার
করেছে।
আর স্বাভাবিকভাবে সেই কথিত দেবীর প্রভাব পড়ে গেছে তার পূজারিদের উপর। বিষয়টি এতোটাই প্রকট যে, এ পূজাকে পশ্চিমবাংলায় বাঙালী হিন্দুদের ভ্যালেন্টাইন ডে হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সব পত্রিকায় ‘আজ সরস্বতী পূজা’ এ কথার বদলে হেডিং হয়েছে----
“আজ বাঙালী’র ভ্যালেন্টাইন ডে”(http://goo.gl/QSC4GT), বুঝুন অবস্থা ! পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকায় লেখা হয়েছিলো:
“সরস্বতী মূর্তির দিকে তাকালেই মনে হয়, এই তো সেই কিশোর বয়সের প্রেমিকা! ফুরফুরে ঠোট, চোখে দুষ্টু হাসি। এখনই চোখের ইশারা হেনে বাসরাস্তা পেরিয়ে এল বুঝি! ..............সরস্বতী পুজোয় বাল্যেপ্রমের অভিজ্ঞতা যার নেই, তার জীবন যে কী ভয়াবহ ব্যর্থ! ” (সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, কলকাতা, ১ ফাল্গুন ১৪১১ রবিবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৫)
উপরের
আলোচনা দ্বারা এটা স্পষ্ট, সরস্বতী
পূজা কিশোর-কিশোরী হিন্দুদের অনৈতিকতা সূচনামাত্র। হ্যাঁ ! সেটা হিন্দুরা পালন করে
থাকে, সেটা তাদের ব্যাপার, কিন্তু
বাংলাদেশের মত মুসলমান দেশে যেখানে জনসংখ্যার প্রায় সবাই মুসলমান, সেখানে কিভাবে এ অনৈতিক বিষয়টি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে
প্রকাশ্যে হতে পারে আমার তা বুঝে আসে না ?
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পূজা হলে, মুসলমান ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে তার প্রভাব পড়বে এবং তারাও ছোট বয়স থেকে সেই অনৈতিকতায় জড়িয়ে পড়বে। হিন্দুদের পূজা করতে ইচ্ছা হয় মন্দিরে করুক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেন?
এখানে ভুলে গেলে চলবে না, এসব অনৈতিকতার চর্চা করায় ভারত আজ সারা বিশ্বে ধর্ষণের দেশে রূপান্তর হয়েছে। বাংলাদেশও যদি তাদের অনুসরণ করে, তবে কিছুদিন পর বাংলাদেশের অবস্থাও একই রকম হবে।
উল্লেখ্য, ব্রিটিশ আমলে বাঙালী মুসলমানরা স্বরসতী পূজার এ খারাপ
প্রভাবগুলো ধরতে পেরেছিলো। যার কারণে ব্রিটিশ আমলে মুসলমানদের স্বাধীকার
আন্দোলনের একটি বড় ধাপ ছিলো পূর্ববঙ্গের স্কুলগুলোতে স্বরসতী পূজা পালন বন্ধ করা। (সূত্র:
বই: ‘বাঙলা ভাগ হলো: হিন্দু সাম্প্রদায়িকতা ও দেশবিভাগ’, লেখক: জয়া চ্যাটার্জি)। অথচ বর্তমানে বাংলাদেশের মুসলমানরা
তাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাস ভুলে আবার সেই স্বরসতী পূজাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে
প্রবেশ করাচ্ছে।
তাই
বাংলাদেশের সকল স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনই হিন্দুদের স্বরসতী পূজা নিষিদ্ধ
করা হোক।
(মুসলিম বন্ধূর থেকে সংগৃহিত)

No comments