Nayan Saha 'র দেশ বিরোধী ফেসবুক পোস্ট
নোয়াখালির গ্রামের এক হিন্দু চট্টগ্রামে বেড়াতে গিয়ে চট্টগ্রাম ভালো লেগেছে, তাই ফেসবুকে স্ট্যাটাস মেরেছে-
“হিন্দুদের ....চট্টগ্রামটাকে দখল করা উচিত হবে । চট্টগ্রাম একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ জেলা, হিন্দুদের কোন অভাব হবে না । বরং বলতে গেলে চট্টগ্রামের বাণিজ্য বন্ধ তো ঢাকাসহ পুরো বাংলাদেশটাই অচল । যদি বাংলাদেশকে কখনও বিভিন্ন প্রদেশে ভাগ করা হয়, তবে আমাদের হিন্দুদেরকে চট্টগ্রামটা দিলেই হবে এবং তার সাথে ফেণী ওকক্সবাজার জেলা । আমরা আর মুসলিমদের সাথে থাকতে চাই না, আমরা এবার হিন্দু প্রদেশ চাই । ” (https://goo.gl/Dk1UMK)
ঐ পোস্টে নেত্রকোণার সৈকত বিশ্বাস (Sykot Biswas) নামক এক হিন্দু কমেন্ট করেছে- সে এত কম নিয়ে সন্তুষ্ট নয়, সে বাংলাদেশের ৪০% শতাংশ নিয়ে পৃথক হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখে।
এ ধরনের স্ট্যাটাস ‘মামার বাড়ির আবদার’ কিংবা ‘গাছে কাঠাল গোঁফে তেল’ যাই হোক না কেন, তবুও এটুকু নির্দেশ করে যে- বাংলাদেশের হিন্দুরা কতটুকু বেপরোয়া হয়ে গেছে। তারা নিজ নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে প্রকাশ্যে বাংলাদেশ ভাগাভাগির প্ল্যানচার্ট করছে। যেখানে লাইকও পড়েছে প্রায় ২শ’! এর মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের হিন্দু শিক্ষক, স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটির ছাত্র, চাকুরে ব্যবসায়ী, এমনকি মনোরঞ্জন ব্রাহ্মন(Monoronjon Barmon) নামে এক পুলিশ সদস্যেরও লাইক আছে !
আচ্ছা এই কাজটি যদি কোন মুসলমান করতো, মানে নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বাংলাদেশকে ভাগ করে ভিন্ন রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করতো তবে তার কি হতো ? তাকে কি ৫৭ ধারায় ফাঁসিতে ঝুঁলানো হতো ??
আরেকটি কথা,
আমি চট্টগ্রামের অনেক মুসলিমকে চিনি, যারা হিন্দুদের ভালোবাসায় পাগল। তারা হয়ত এ স্ট্যাটাস দেখেও না দেখার ভান করবে। এই তো কিছুদিন আগে এ বিষয়টি নিয়ে জাপান প্রবাসী এক পুলিশ অফিসারের (সে চট্টগ্রামের ছেলে) সাথে আমার ফেসবুকে বেশ গোলমেলে হয়ে গেলো। ঐ পুলিশ অফিসার তো আমাকে যেকোন উপায়ে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে বসলেন। আচ্ছা, আমি না হয় হিন্দুর বিরুদ্ধে বলে দোষ করেছি, কিন্তু যে হিন্দুরা আজ ফেসবুকে বসে তাদের মাতৃভূমি চট্টগ্রাম দখলের প্ল্যান করছে, তাদের বিরুদ্ধে কি কোন এ্যাকশন হবে না, যে পুলিশ সদস্য সেখানে লাইক মারছে তার কি কোন বিচার হবে না ?
লেখার শেষে তাই-
চট্টগ্রামবাসীকে নতুন হিন্দু রাষ্ট্রে স্বাগতম......
“হিন্দুদের ....চট্টগ্রামটাকে দখল করা উচিত হবে । চট্টগ্রাম একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ জেলা, হিন্দুদের কোন অভাব হবে না । বরং বলতে গেলে চট্টগ্রামের বাণিজ্য বন্ধ তো ঢাকাসহ পুরো বাংলাদেশটাই অচল । যদি বাংলাদেশকে কখনও বিভিন্ন প্রদেশে ভাগ করা হয়, তবে আমাদের হিন্দুদেরকে চট্টগ্রামটা দিলেই হবে এবং তার সাথে ফেণী ওকক্সবাজার জেলা । আমরা আর মুসলিমদের সাথে থাকতে চাই না, আমরা এবার হিন্দু প্রদেশ চাই । ” (https://goo.gl/Dk1UMK)
ঐ পোস্টে নেত্রকোণার সৈকত বিশ্বাস (Sykot Biswas) নামক এক হিন্দু কমেন্ট করেছে- সে এত কম নিয়ে সন্তুষ্ট নয়, সে বাংলাদেশের ৪০% শতাংশ নিয়ে পৃথক হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখে।
এ ধরনের স্ট্যাটাস ‘মামার বাড়ির আবদার’ কিংবা ‘গাছে কাঠাল গোঁফে তেল’ যাই হোক না কেন, তবুও এটুকু নির্দেশ করে যে- বাংলাদেশের হিন্দুরা কতটুকু বেপরোয়া হয়ে গেছে। তারা নিজ নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে প্রকাশ্যে বাংলাদেশ ভাগাভাগির প্ল্যানচার্ট করছে। যেখানে লাইকও পড়েছে প্রায় ২শ’! এর মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের হিন্দু শিক্ষক, স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটির ছাত্র, চাকুরে ব্যবসায়ী, এমনকি মনোরঞ্জন ব্রাহ্মন(Monoronjon Barmon) নামে এক পুলিশ সদস্যেরও লাইক আছে !
আচ্ছা এই কাজটি যদি কোন মুসলমান করতো, মানে নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বাংলাদেশকে ভাগ করে ভিন্ন রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করতো তবে তার কি হতো ? তাকে কি ৫৭ ধারায় ফাঁসিতে ঝুঁলানো হতো ??
আরেকটি কথা,
আমি চট্টগ্রামের অনেক মুসলিমকে চিনি, যারা হিন্দুদের ভালোবাসায় পাগল। তারা হয়ত এ স্ট্যাটাস দেখেও না দেখার ভান করবে। এই তো কিছুদিন আগে এ বিষয়টি নিয়ে জাপান প্রবাসী এক পুলিশ অফিসারের (সে চট্টগ্রামের ছেলে) সাথে আমার ফেসবুকে বেশ গোলমেলে হয়ে গেলো। ঐ পুলিশ অফিসার তো আমাকে যেকোন উপায়ে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে বসলেন। আচ্ছা, আমি না হয় হিন্দুর বিরুদ্ধে বলে দোষ করেছি, কিন্তু যে হিন্দুরা আজ ফেসবুকে বসে তাদের মাতৃভূমি চট্টগ্রাম দখলের প্ল্যান করছে, তাদের বিরুদ্ধে কি কোন এ্যাকশন হবে না, যে পুলিশ সদস্য সেখানে লাইক মারছে তার কি কোন বিচার হবে না ?
লেখার শেষে তাই-
চট্টগ্রামবাসীকে নতুন হিন্দু রাষ্ট্রে স্বাগতম......

No comments