Header Ads

ad728
  • Breaking News

    নয়ন চ্যাটার্জি নামে অপপ্রচার কতটুকু যৌক্তিক ?

    গত কয়েকদিন ধরে নয়ন চ্যাটার্জির নামে অপপ্রচারের বাহার দেখে অবাক হচ্ছিলাম। বলছিলো নয়ন চ্যাটার্জি নাকি সাম্প্রদায়িক পেইজ, তার কাজ নাকি সারাদিন সাম্প্রদায়িকতা ছাড়ানো।
    আমি বুঝি না, আপনারা সারাদিন সাম্প্রদায়িকতার চরম শিখরে বিরাজ করবেন, আর সেটা প্রকাশ করলেই উল্টো সাম্প্রদায়িক হতে হবে কেন ?
    - ভারতে গরুর জন্য মানুষ মারছে, এটা নিয়ে প্রতিবাদ করুন, ব্যস আপনি সাম্প্রদায়িক।
    - বাংলাদেশের মন্দিরে কোরআন পুড়াচ্ছে, আপনি প্রকাশ করুন, হয়ে গেলেন সাম্প্রদায়িক। ঐ জার্মানি থেকে স্ট্যাটাস দেয়, আমি নাকি ভুয়া খবর ছড়াচ্ছি। আরে বেকুব, খবর নিয়ে দেখ, ঐ এলাকার হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছে, বিষয়টির সত্যতা পেয়ে।
    - আপনি বই মেলার বইয়ের স্ক্রিনশট দিয়ে তাদের অপকর্ম ফাঁস করেন, হয়ে গেলেন সাম্প্রদায়িক। পুলিশও তার সত্যতা পেলো, তারপরও সত্য প্রকাশ করার জন্য আপনি দোষী।
    - আপনি নিউইয়র্কে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের গরু খাওয়ার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রচার করেন, তাও আপনি সাম্প্রদায়িক, ভুয়া খবর প্রচার করনে ওয়ালা। আপনার ভুয়া খবরে নাকি হিন্দুদের বাড়িঘর লুটপাট হয়, ভাঙচুর হয়।
    মানে বিষয়টি এমন দাঁড়াচ্ছে, তারা ২৪ ঘণ্টা সাম্প্রদায়িকতা বিষবাষ্প ছড়াবে সমস্যা নেই, কিন্তু সেটা প্রকাশ করলে উল্টো আপনাকে সাম্প্রদায়িক বলে হুমকি দেওয়া হবে। আসলে এদের কাজই হচ্ছে, সত্যটা ঢেকে দেওয়া। নিজেরা সারা দিন শ্লোগান দেয়- কলম চলবে, কিন্তু কেউ যদি সত্য প্রকাশ করে কলম চালায় তবে তার কলম বন্ধ করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়। তা বাপু তোমরা এত ভালো তো নিজেরা সাম্প্রদায়িকতাটা বন্ধ করে দাও না, তবেই তো নয়নের নয়নগিরি বন্ধ হয়ে যায়। আগে নিজের দোষটা খুজো, তারপর না হয় পরেরটা।
    এরা যে কতটা মিথ্যাবাদী তার জন্য এত কিছু লাগে না, দু’একটা প্রমাণই যথেষ্ট। দৈনিক মানবজমিনের খবর প্রকাশের পর
    কট্টর উগ্রবাদী শিতাংসু গুহ বললো- এরকম নাকি কিছু হয়নি।বাংলাদেশে গেরুয়া সন্ত্রাসীদের নিউজপোর্টাল সিলেটটুডে২৪ বললো- এগুলো নাকি নয়ন চ্যাটার্জির মিথ্যাচার।
    এনওয়াই বাংলায় খবরে দাবি করা হলো, এর সাথে নাকি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কোন যোগসাজস নাই, দর্শক সারি থেকে নাকি একজন এ বক্তব্য দিয়েছে। (http://goo.gl/J2m2el)
    অথচ প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেলো, অনুষ্ঠানের মূল স্টেজ থেকে সর্ব সম্মতিক্রমেই বক্তব্যগুলো দেওয়া হয়েছে। গরু জবাই বন্ধের দাবি জানানো শ্যামল চক্রবর্তী সেদিনের সংবাদ সম্মেলনে সংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য ঐক্য পরিষদের নির্ধারিত নেতাদের মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলো। যা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাস প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেই উল্লেখ আছে। অথচ এখন অস্বীকার করে বলা হচ্ছে, এক ব্যক্তি দর্শক সারি থেকে ওঠে এসে জবাব দিয়েছে।
    এছাড়া গরু জবাই বন্ধের দাবি জানানো শ্যামল চক্রবর্তী নিউ ইয়র্কের অন্যতম বৃহৎ মন্দির জ্যামাইকা মহামায়া মন্দিরের সভাপতি এবং ঐক্য পরিষদের নির্বাহী কমিটির অত্যন্ত প্রভাবশালী সদস্য। আর তাদের বিজ্ঞপ্তিতেই উল্লেখ আছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বেদখল হওয়া হিন্দু সম্পত্তির তিন চতুর্থাংশই আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের দখলে রয়েছে। (http://mzamin.com/article.php?mzamin=3725)
    আসলে মিথ্যাবাদী চিরকালই মিথ্যাবাদী। এরা সারাদিন দাবি করে- এরা নাকি নির্যাতিত হয়। এটা পুরাই মিথ্যা। এগুলো হলো মুসলমানদের সিমপ্যাথী পাওয়ার কৌশল, ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেইল। এ কৌশল অবলম্বন করে হিন্দুরা নিজেরা সংগঠিত হতে থাকে। যখন তারা সুসংগঠিত হয়ে যাবে, তখনই মুসলমানদের গলায় ছুরি চালানো হবে। তা মুসলমানরা তাদেরকে যত বন্ধুই ভাবুক না কেন, সেটা দেখার বিষয় নয়।
    বিশ্বাস না হয় ইতিহাস খুলে দেখুন, মুসলমানরা যতবার হিন্দুদেরকে বিশ্বাস করে কাছে টেনেছে ততবার তারা প্রতারণার শিকার হয়েছে। বর্তমানেও হিন্দুদের সাপোর্ট দানকারী মুসলিমদের ভবিষ্যতও একই ধরনের, বিশ্বাস না হয় খাতা কলমে লিখে রাখুন, ২-৩ বছরের মধ্যে নয়নের কথার সত্যতা পাবেন। তখনই বুঝবেন, হিন্দু তোষনের পুরষ্কার- কত ধানে কত চাল।

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728