Header Ads

ad728
  • Breaking News

    বর্তমানে ইউরোপে শরনার্থীদের করুন অবস্থা ও মুসলমানদের শিক্ষা

    মুসলিম শরনার্থীরা অনেক শখ করে গিয়েছিলো ইউরোপে। ভেবেছিলো ফ্রান্স, জার্মানিসহ ইউরোপীরা তাদের বন্ধু, তাদেরকে নিশ্চয়ই খুব আরামে রাখবে। ভেবেছিলো- “ধর্ম যাই হোক, মুসলিম আর অমুসলিমরা কি বন্ধু হতে পারে না ?”
    নিজেদের সব সম্পত্তি বিক্রি করে শুধু জীবনটা হাতে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলো বিশাল সমুদ্র, গন্তব্য ইউরোপ। কিন্তু সেই আশার আলো আর বাস্তবতা দেখেনি। বিশাল সমুদ্র পার হতে গিয়ে অনেকেরই সলিল সমাধি হয়েছে পানির নিচে, এত কষ্টের পরও তারা যা পেয়েছে, সেটা কি প্রত্যাশা ছিলো ?
    গতকালকে প্রায় সব মিডিয়ায় এসেছে- ফ্রান্সে মুসলিম শরনার্থী ক্যাম্পগুলো উচ্ছেদ করেছে পুলিশ। এ সময় মুসলমাদের সাথে সংঘর্ষও বাধে তাদের। মুসলমানরা তাদের জঙ্গল নষ্ট করছে, এ অজুহাতে আশ্রয়প্রার্থীদের শেষ সম্বলটুকুও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। একই সাথে তাদের উপর নিক্ষেপ করা হয়েছে টিয়ার গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড। (http://goo.gl/dbIpUz)
    এদিকে খবর এসেছে জার্মানিতে শরনার্থীদের অবস্থান করা বাড়িতে আগুন দিয়েছে জার্মানরা। এ আগুন দেওয়ার পর উল্লাস করেছে জার্মানিরা। (http://goo.gl/kYO2l6)
    আরেকটি খবর এসেছে, জার্মানিতে ১ লক্ষ ৩০ হাজার শরনার্থীকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। তারা কি বেচে আছে না মারা গেছে তাও কেউ জানে না (http://goo.gl/umyhqc)। উল্লেখ্য এর আগে খবর এসেছিলো ইউরোপ প্রায় ১০ হাজার শরনার্থী শিশু হারিয়ে গেছে, যাদের পরবর্তীতে পাওয়া গেছে ইউরোপের বিভিন্ন পতিতালয়ে। (http://goo.gl/kpZUUH)
    আচ্ছা, একজন ইউরোপীয় মারা গেলে তো দেশে তোলপাড় লেগে যেতো, পাশাপাশি একটি শিশু বা নারী নির্যাতিত হলে তো গোটা মুসলমানদের ঘাড় চিবিয়ে খেতো সবাই।
    কিন্তু আজকে মুসলমানদের থাকার বাসস্থান পর্যন্ত উচ্ছেদ করছে তারা। আগুন দেওয়া হচ্ছে, ছোটে ছোট শিশুদের পতিতালয়ে বিক্রি করা, হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ মুসলমানকে দুনিয়া থেকে উধাও করা হচ্ছে, এখানে কারো বিকার নেই, কারো কোন প্রতিবাদ নেই। এখন কারো মাথা ব্যাথা নেই, এখন কোন মানবতার ব্যাঘাত ঘটছে না। সবাই শরনার্থীদের ব্যাপারে চুপ। মনে হচ্ছে, মৃত্যুর জন্যই বোধহয় তাদের সৃষ্টি করা হয়েছিলো।
    আসলে, আজকে মুসলিম জাতি এতটাই অথর্ব হয়ে উঠেছে যে, তারা নিজ মাতৃভূমি ছেড়ে অমুসলিমদের কাছে আশ্রয় পার্থনা করছে। তাদের কাছে সাহায্য চাইছে। এতে ফলও হচ্ছে উল্টো, মুসলিমদেরকে আগুনে পুড়িয়ে, নদীতে ডুবিয়ে মারছে ইউরোপীয়রা। খাবার খেতে চাইলে, যোগান দেওয়া হচ্ছে- মদ আর শুকরের মাংশ।
    সত্যিই বলতে- মুসলমানদের কখনই উচিত হয়নি নিজ ভূমি ছেড়ে ইউরোপ-অামেরিকানদের কাছে আশ্রয় নেওয়া। নিজ ভূমিতে প্রয়োজনে কষ্ট করে থাকার উচিত ছিলো । কিন্তু সেটা না ভেবে অমুসলিমদের কাছে সাহায্য চেয়েছে মুসলিমরা, যার ফল এখন তারা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728