শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের তদন্ত কমিটি শিক্ষক শ্যামল কান্তির অভিযোগের সত্যতা এবং সরকারের দুর্বলতা
আজকে খবরে এসেছে, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের তদন্ত কমিটি শিক্ষক শ্যামল কান্তির অভিযোগের সত্যতা পায়নি। খবরে আরো এসেছে, সেলিম ওসমান সেদিনের ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।
আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে- মিথ্যার জয় হয়ে গেছে। কারণ পুরো ঘটনা তো দিনের আলোর মত পরিষ্কার, তারপরও এ ঘটনায় কেন বার বার হাজারো মিথ্যার প্রলেপ লেপে যাচ্ছে সরকার ?
উত্তর- শ্যামল কান্তি হিন্দু বলে। শুধু ‘হিন্দু’ শব্দটার কারণে সরকার মাথা নত করলো এ ঘটনার জন্য।
তবে এটা দ্বারা আরো প্রমাণ হলো-
বর্তমানে সরকারের একটা দুর্বলতা তথা ফুটো আছে। ফুটোর নাম- হিন্দু। ঐ ফুটোটা দিয়ে সহজেই শত্রু প্রবেশ করতে পারবে।
সিআইএ বেশ কয়েক বছর আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
প্রথমে তারা আসলো উপজাতি ইস্যু নিযে, কাজ হলো না,
এরপর আসলো নাস্তিক ইস্যু নিয়ে, লাভ হলো না।
এরপর আইএস ইস্যু নিয়ে আসলো, সেখানেও লাভ হলো না।
এইবার নিয়ে আসলো ‘হিন্দু’ ইস্যু’ নিয়ে
ব্যস এইবার কাজ হলো। সহজেই ‘হিন্দু’ নামক ফুটো দিয়ে ঢুকে যেতে পারলো ভেতরে। এরমানে হিন্দু ইস্যু নিয়ে সহজেই আওয়ামী সরকারকে ঘায়েল করা যায়।
এর দ্বারা এও প্রমাণ হয় সামনে থেকে আওয়ামী সরকারকে শত্রু পক্ষ আঘাত করবে ‘হিন্দু’ ইস্যু দিয়ে। আর সেই ইস্যুতে বিশেষ দুর্বলতার কারণে মুখ বুজে সব কষ্ট সহ্য করবে সরকার। প্রয়োজনে নিজ দলের নেতাদের ত্যাগ করবে, সকল জনগনকে ত্যাগ করবে, তবুও হিন্দুদের মন রক্ষা চাই চাই। আর এতেই সে শত্রুপক্ষের দ্বারা ধরাশায়ী হবে।
এখন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চাইলে আওয়ামী সরকারের ‘হিন্দু’ নামক ফুটোটা বন্ধ করা ছাড়া আর কোন উপায় দেখছি না।
No comments