পূজার প্রসাদ মানেই দারুণ মজা !
পূজার মিষ্টি বা প্রসাদ বলতে অনেকে পাগল,
হোক মুসলিম কিংবা হিন্দু।
পূজার প্রসাদ না খেলে যেন পেট-ই ভরে না।
পূজোতে যাক কিংবা না যাক, মিষ্টি তার চাই
চাই।
হিন্দু শিক্ষক তার মুসলিম ছাত্রের জন্য ঠিক
ঠিক প্রসাদ যোগার করে রাখে,
হিন্দু বন্ধু তার মুসলিম বন্ধুর জন্য ঠিক ঠিক
প্রসাদ রেডি করে রাখে,
হিন্দু প্রতিবেশী তার মুসলিম প্রতিবেশীর
জন্য প্রসাদ রেডি করে রাখেে
আর মুসলিমও হিন্দুদের পূজোর প্রসাদ খেয়ে
তৃপ্তির ঢেকুর তুলে।
আহ ! কি মজা !
তবে দুঃখের বিষয় হিন্দু শিক্ষক, বন্ধু কিংবা
প্রতিবেশীটি মুসলিমদের কাছে একটি
জিনিস গোপন রেখে দেয়। বলে না তার প্রসাদের
উপাদানগুলো কি কি ?
সত্যি বলতে দূর্গা পূজায় কি কি উপাদান
লাগে এটা জন্য সমকালের এ লিঙ্কটা পড়তে
পারেন- http://goo.gl/KR2tJr
এখানে দেখবেন, দুটি উপাদান পূজার অন্য
অপরিহার্য।
১) পঞ্চগব্য
২) গো-চনা (গরুর মূত্র)
উ্ইকিপিডিয়ার দেয়া তথ্য মতে,পঞ্চগব্য হচ্ছে
পাচ প্রকার জিনিসের সংমিশ্রন। এই মিশ্রনটি
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিকট খুবই পবিত্র।
পঞ্চগব্য তৈরী হয় ৫টি উপাদান দিয়ে- গোবর,
গোমূত্র, দুধ, ঘি ও দই । এ পঞ্চগব্য মন্দিরে
প্রসাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া খাদ্যসহ সকল
বস্তু পবিত্র করতেও ইহা ব্যবহার হয়।
(https://en.wikipedia.org/wiki/Panchagavya )
পঞ্চগব্য তৈরী করার নিয়ম : http://goo.gl/
ehIr1f
পঞ্চগব্যের অনেক স্বাস্থগত উপকার আছে। এটি
প্রসাদে হিসেবে ব্যবহার খারাপ কিছু নয়, বরং
স্বাস্থ্যর জন্য খুবই উপকারি- http://goo.gl/
VE1hY7
ইতিমধ্যে গো-মূত্র থেকে অনেক কিছু তৈরী
করা হচ্ছে, এটা দোষের কিছু নয়। যেমন-
১) সফট ড্রিংস কোলা ( http://goo.gl/DZDgXD ,
http://goo.gl/qdphNW )
২) টুথপেস্ট
৩) ঔষধ
৪) সাবান
৫) মাথার তেল
৬) লোশন
৭) দন্ত মাজন
৮) শ্যাম্পু
৯) ফেস পাউডার
১০) ওয়াশিং পাউডারসহ সবকিছুতেই গো মূত্রের
ব্যবহার লক্ষ্যনীয়।
গোমূত্রের তৈরী পণ্যের অর্ডার দিতে নিচের
অনলাইন শপগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন :
https://www.gomataseva.org/pure-cow-
products?page=1
মুসলিম নামক ভাইদের তাই অনুরোধ করবো, আসছে
দূর্গা পূজায় কেউ প্রসাদ খাওয়া মিস করবেন
না, মনে রাখবেন প্রসাদের মত পবিত্র বস্তু এ
ধরাতে আর নেই.......
বিদ্রঃ
দুর্গা পুজায় কেন যাবেননা?
১) হিন্দু ধর্ম পরিত্যায্য ,কাল্পনিক,বর্বর ধর্ম
২) অশ্লীলতা হিন্দু ধর্মের মুল মন্ত্র।
৩) মুর্তিপুজা শিরক।
৪) বেশ্যারঘরের দরজার মাটি ছাড়া এ পুজা
হয়না বিধায় ইহা পতিতাদের পুজাও
৫) গানবাজনা আর বেলেল্লাপনার আখড়া
দুজ্ঞা পুজা
৬) মদ, গাঞ্জা সহ সকল নেশাজাতীয় দ্রব্যের
উৎস দুজ্ঞা পুজা
৭) ব্যভিচারের অবাধ ক্ষেত্র দুজ্ঞা পুজা
তাহলে মুসলমান কি করে সেখানে যায়?
যেখানে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম বলেছেন" আমি মুর্তি পুজা ও
বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করার জন্য প্রেরিত হয়েছি" ।
সেখানে মুসলমান কি করে অংশগ্রহন করে ?
সুলতান মাহমুদ গযনবি সহ যত মুসলিম ভারত
আক্রমণ করেছেন তা হিন্দু নির্যাতন হতে
মুসলমানদের রক্ষা ও পোত্তলিকা ধ্বংস করার
জন্য করেছেন।
যার কারণে সুলতান মাহমুদ গযনবিকে
মুর্তিসংহারী ও বলা হয়।
অথচ আজ মুসলমান সেসকল ইতিহাস ভুলে গিয়ে
হিন্দুদের পুজা যাওয়ার জন্য উদ্গ্রীব থ্যাকে!!!
হিন্দুরা প্রতি পদে পদে ইসলাম ও মুসলমানের
বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে ,কিন্তু মুসলমান সেসব
ভুলে গিয়ে উলটা তাদের পুজায় যায় !!!
যারা ইসলামের আদেশ অমান্য করে মুসলমানের
শত্রু হিন্দদের দুর্গা পুজায় যাবে তারা নির্ঘাত
হিন্দু হয়েই জাহান্নামে যাবে। যে বিষয়টি
হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে " হযরত আবদুল্লাহ
ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে
বর্নিত হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন" যদি কেউ কোণ
সম্প্রদায়ের অনুকরন করে ,তাহলে সে উক্ত
সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গন্য হবে" আবু
দাউদ, আস সুনান ৪/৪৪
No comments