Header Ads

ad728
  • Breaking News

    শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে হুজুরদের আন্দোলন : আসলেই কি ভুল কিছু ?

    কিছুদিন আগে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে এক বিশাল সমাবেশ করেছিলো একটি ইসলামী সংগঠন। সে সময় সমাবেশে আগত সাধারণদের দাড় করিয়ে একটি ভিডিও তৈরী করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিএম ইমন । (https://goo.gl/uHLp9s) ভিডিওতে ঐ সমাবেশে আগত সাধারণদের দাড়িয়ে ইমন জিজ্ঞেস করে- “আপনি কি জানেন শিক্ষানীতি কি ?” তখন অনেকেই উত্তর দিতে পারেনি। এটা নিয়ে ঐ গ্রুপের অনেকেই দেখলাম হাসিঠাট্টা করছে। এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন এপিএস ঐ ভিডিও শেয়ার করে বলেছে- “চিলে কান নিয়েছে” । হুমায়ুন অজাতের পুত্র অনন্য অজাত তো ডাইরেক্ট স্ট্যাটাস দিয়ে বললো- “মৌলবাদীরা সব সময়ই মূর্খ, অশিক্ষিত, গর্দভ।” (https://goo.gl/uHLp9s) যাই হোক কিছুদিন পর মাছরাঙ্গা টিভি প্রকাশ করলো এ+ পাওয়া ছাত্রদের করুন অবস্থা। সেখানে এ+ পাওয়া এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করা হলো- “নেপালের রাজধানীর নাম কি ?” সে উত্তর দিলো - নেপচুন (জেনে রাখুন, গ্রহ নেপচুন ছাড়াও ইউএসএ’র নিউসার্জি’র একটি শহর আছে নেপচুন নামে)। উপরের দুটি ঘটনা পর্যবেক্ষণ করলে যেটা বোঝা যায়- ১) বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা শুধু ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাহীনই করছে না, বরং শিক্ষা গ্রহনের আগ্রহ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। B.m. Emon নামক ঢাবি ছাত্রের উচিত ছিলো সমাবেশে আগতদের থেকে নয় বরং উদ্যোক্তাদের থেকে পুরো বিষয়টি জেনে তারপর সেটাকে প্র্রয়োজনে খণ্ডন করে ভিডিও আপলোড করা। কিন্তু সেটা সে করেনি। কারণ মূল ঘটনা জানার প্রতি তার কোন আগ্রহই নেই, তার আগ্রহ শুধু ফেসবুকে লাইক পাওয়ার দিকে। যেহেতু ঐ ঢাবি ছাত্রের জন্ম বিতর্কিত শিক্ষাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে, তাই তার দ্বারা এ ধরনের নিলর্জ্জ ভিডিও তৈরী করাই স্বাভাবিক। ২) “যে দেখতে হুজুর তার চলন বাঁকা”। হুজুর যখন বললো শিক্ষানীতিতে সমস্যা আছে তখন সেটা সরকারের কাছে হয়ে গেলো- ‘চিলে কান নেওয়া’। কিন্তু স্কয়ারের মাছরাঙ্গা যখন শিক্ষানীতির নেপচুন নামক ফুটো দেখিয়ে দিলো, তখন শিক্ষামন্ত্রী নিজেও স্বীকার করলো- “না সমস্যা তো আছেই”। (http://goo.gl/YtzSq6) ৩) অনন্য অজাতের ভাষায়- মুসলমানরা সব মূর্খ, অশিক্ষিত ও গর্দভ। মেনে নিলাম তার কথা। কিন্তু বর্তমান পাঠ্যপুস্তকের প্রায় প্রত্যেক ক্লাসেই তো হুমায়ুন আজাদের পাঠ্য অন্তুর্ভূক্ত করা হয়েছে। এছাড়া তাদের সমগোত্রীদের পাঠ্য দিয়েই তো পাঠ্যবইয়ের ৭১% ভরপুর। তাহলে হুমায়ুন অজাতদের পাঠ্য পড়ে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা কি আরো বড় গণ্ডমূর্খ হচ্ছে না ? আসলে, ষড়যন্ত্র যখন মূখ্য হয়, শিক্ষাদান তখন গৌন হয়ে দাড়ায়। বর্তমানে যারা পাঠ্যবই প্রণয়ন করছে, তাদের উদ্দেশ্য কখনই শিক্ষাদান নয়, তাদের উদ্দেশ্য ষড়যন্ত্র, শিশুদের মন-মস্তিষ্ক ওয়াশ করে নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদ প্রবেশ করানো। যেহেতু পাঠ্যবইয়ে ষড়যন্ত্রের দিকে বেশি নজর দেওয়া হয়েছে, তাই শিক্ষাদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবে কমে এসেছে। এ কারণেই এ+ পাওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছে না। যেহেতু ষড়যন্ত্রটি হুজুররাই প্রথমে ধরিয়ে দেয়, তাই স্বাভাবিকভাবেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছিলো হুজুর বিদ্বেষী গোষ্ঠী। যদিও হুজুরদের দাবি খণ্ডন করার বিন্দুমাত্র যোগ্যতা তাদের নাই।

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728