Header Ads

ad728
  • Breaking News

    ঢাকাস্থ রামকৃষ্ণ মিশনে পাঠানো কথিত আইএস’র চিঠির অ্যানালাইসিস

    ঢাকাস্থ রামকৃষ্ণ মিশনে পাঠানো কথিত আইএস’র চিঠিটা অ্যানালাইসিস করলাম। অ্যানালাইসিস করে নিশ্চিত হলাম, চিঠিটা পশ্চিমবঙ্গের কোন হিন্দু লিখেছে। কারণ- ১) সে বলেছে তার বাপ গরু চোর। সাধারণত পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা বাংলাদেশীদের গরু চোর মনে করে। কারণ তাদের ধারণা বাংলাদেশের মুসলমানরা সীমান্ত দিয়ে তাদের গরু চুরি করে। এই কারণেই চিঠিতে ‘গরু চোর’ শব্দটি উঠে এসেছে। ২) চিঠিতে সে ‘বিধর্মী’ শব্দটা ব্যবহার করেছে। একজন আইএস কর্মী অবশ্যই কুফফার বা কাফির শব্দ ব্যবহার করতো। কিন্তু চিঠি লেখক হিন্দু হওয়ায় বিধর্মী শব্দ ব্যবহার করেছে। ৩) সে বলেছে- “তোর মা কালীর দোহাই।” একজন কথিত আইএস কর্মীর এ ধরনের ভাষা ব্যবহারের যৌক্তিকতা নেই। তবুও যদি ব্যবহার করতো, তবে বাংলাদেশী হিসেবে বলতো “মা দূর্গার দোহাই”, “মা কালী” বলতো না। কারণ বাংলাদেশে হিন্দুরা মুসলমানদের কাছে কালী দিয়ে নয়, দূর্গা দিয়ে বেশি পরিচিত। ৪) সে লিখেছে সে সেনাবাহিনীর লোক। আমি কিছুদিন আগে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, সেখানে দেখিয়েছিলাম- ভারতীয়দের ধারণা বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে জঙ্গী আছে। এটা নিয়ে চট্টগ্রামের হিন্দু সজল কুমার দাস একটা স্ট্যাটাসও দিয়েছিলো। ঐ বিষয়টি চিঠির মধ্যে ফুটে উঠেছে। (http://archive.is/V6p4X) ৫) সে নাম হিসেবে ব্যবহার করেছে ‘এবি সিদ্দিক’।মূলত বিজেপিপন্থী হিন্দুদের এই সিদ্দিক নামের প্রতি মারাত্মক বিদ্বেষ। কারণ ফুরফুরাহ’র সিদ্দিক পরিবার এখন মমতার সাথে যোগ দিয়েছে, তাই বিদ্বেষ প্রসূত বের হয়ে গেছে সিদ্দিক নামখানা। ৬) ভারতীয় হিন্দুরা প্রায়ই মুসলমানদের নাম ব্যবহার করে হিন্দু স্থাপনায় সন্ত্রাসবাদী চিঠি পাঠায়। ভারতীয় পুলিশ এ ধরনের বহু ঘটনা হাতে নাতে ধরেছে। (http://goo.gl/NhvWLx) ৭) পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরাই দাবি করছে, এই চিঠির পেছনে বিজেপির হাত রয়েছে, উদ্দেশ্য বাংলাদেশের দিকে সাম্প্রদায়িকতার হাত বাড়ানো। (http://archive.is/IxOVW) ----------------------------------------------------- চিঠির লিখিত রূপ- প্রধান ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ মিশন, সময় থাকতে এদেশ ছেড়ে চলে যা। এদেশ মুসলমানের দেশ। হিন্দুদের দেশ- ভারত। এদেশে হিন্দুধর্ম প্রচার চলবে না। ২০ থেকে ৩০শে জুনের মধ্যে তোকে কুপিয়ে হত্যা করা হবে।তোর মোনে যা চায়- তা খেয়ে নে। তোকে ধরে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারবো। তোর মা কালীর দোহাই- তুই ভারতে চলে যা। মনে রাখিস আমার বাবা গরু চুরি করতো। আমি বিধর্মী ধর্মগুরুদের জান চুরি করি। কিশোরগঞ্জের নয়াপাড়ার গরুচোর মরছব আলী আমার বাপ ছিল। বর্তমানে আমার ঠিকানা নেই। কখনো গাজীপুর, কখনো কিশোরগঞ্জ আবার কখনো ধানমন্ডি। দ্রষ্টব্য- পুলিশ খবর দিয়ে লাভ নেই। সেনাবাহীনির লোক আমি। এবি সিদ্দিক র্যাবকে ভয় পাই না। ১২ই-জুন-২০১৬

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728