
লাঙ্গলবন্দ নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম আজ থেকে ১ বছর আগে,
এরপর আমার পেইজ নষ্ট হয়েছে ৩ বার।
তাই ঐ লেখাটা আর নাই।
লাঙ্গলবন্দ নিয়ে লেখাটা খুজে পেলাম দ্য ইন্ডিয়ান ডকট্রিন নামক একটি পেইজে।
২০১৫ সালের মে মাসে আমি বলেছিলাম, লাঙ্গলবন্দে যে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেছে তা উদ্দেশ্যমূলক এবং ঐ ঘটনা তারাই ঘটিয়ে সেখান থেকে বিরাট ফায়দা লুটবে তারা। অবশ্যই বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানানোর একটা বিরাট ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে সেখানে। গরীবের কথা বাসী হলে ফলে, আর নয়নের লেখা সময় চক্ষু মেলে তাকায়।
দেখলেন তো- এইবার বাজেটে ঠিকই ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ঐ লাঙ্গলবন্দকে। উদ্দেশ্য সেখানে আন্তজার্তিক স্নানকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।
অমরনাথ মন্দিরের কথা আপনারা জানেন নিশ্চয়। ভারত দখলকৃত জম্মু-কাশ্মীরে অবস্থিত। ঐ এলাকায় একসময় ছিলো একচেটিয়া মুসলমানদের জনবসতি। কিন্তু সেখানে একটা উছিলা দিয়ে হিন্দু ঢোকানো প্রয়োজন। ৯০ এর দশকে হঠাৎ বিজেপি রটিয়ে দিলো জম্মুকাশ্মীরের একটি পাহাড়ে গুহায় ঝর্ণা জমে যে পিলারের মত সাইজ সৃষ্টি করেছে সেটাই নাকি শিবলিঙ্গ। প্রতি বছর সেই শিবলিঙ্গ দেখতে গেলে নিশ্চিত স্বর্গ মিলবে। ব্যস আর যায় কোথায়, শুরু হলে গেলো ঐ বরফের পিলার দেখতে হিন্দুদের দলে দলে কথিত অমরনাথ যাত্রা। প্রতি বছর দেশ বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ হিন্দু সেখানে যাওয়া শুরু করলো, এবং স্বাভাবিকভাবেই সেখানে বাড়তে থাকলো হিন্দু জনবসতি।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও কিন্তু হিন্দুরা একই পলিসি গ্রহণ করেছে। নারায়নগঞ্জের লাঙ্গলববন্দকে সম্ভবত এ উপমহাদেশের হিন্দুদের আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে তারা। আর সেজন্য আশেপাশে উচ্ছেদ অভিযানও গত বছরেই সম্পাদন শেষ। আর এবার বাজেটে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে ষোল কলা পূর্ণ হলো। এই কাজ শুরু হলে ভারত থেকেও হিন্দুরা এসে ধর্মীয় অজুহাতে বাংলাদেশে বসবাস শুরু করবে। তখন চতুপার্শ্ব কেন, পুরো নারায়নগঞ্জটাকেও ছেড়ে দিতে হতে হবে পারে হিন্দুদের জন্য।
হে বাংলাদেশীরা তোমরা এখনও চুপ করে বসে থাকো,
তোমাদের সোনার গা এখন হিন্দুদের লাঙ্গলবন্দ
দুইদিন পর বাংলাদেশও হিন্দুস্থান হয়ে যাবে।
তখন কিন্তু কিছুই করার থাকবে না ...................
No comments