বিদায় মোহাম্মদ আলী
আমাদের যুগের ছেলে মেয়েরা মোহাম্মাদ আলী’র নাম তেমন শুনতে পায় না।
কিন্তু আমাদের বাবা-চাচাদের কাছে বক্সার মোহাম্মাদ আলী ছিলো হিরো।
তারা মোহাম্মাদ আলী বলতে পাগল ছিলেন। বাংলাদেশেও একবার এসেছিলেন সে হিরো, তখন তাকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমিয়েছিলো অনেক বাঙালী।
কিছুক্ষন আগে খবর পেলাম সেই মোহাম্মদ আলী মারা গেছেন।
মোহাম্মাদ আলী হচ্ছেন সাবেক মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা, ৩ বারের ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাপিয়ন এবং ওলিম্পিক লাইট-হেভিওয়েট স্বর্ণপদক বিজয়ী। ১৯৯৯ সালে মুহাম্মদ আলীকে বিবিসি এবং স্পোর্টস ইলাট্রেটেড স্পোর্টসম্যান অব দ্যা সেঞ্চুরী (শতাব্দীর সেরা ক্রীড়াবিদ) হিসেবে ঘোষণা করে।
মোহাম্মাদ আলী প্রথম জীবনে খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারি ছিলো, তখন তার নাম ছিলো ক্যাসিয়াস মারকেলাস ক্লে জুনিয়র। ১৯৬৪ সালে তিনি নেশন অব ইসলাম (Nation of Islam- NOI) নামক একটি দলের সাথে যোগদান করেন এবং নিজেকে মুসলিম হিসেবে পরিচয় দান করেন। নেশন অব ইসলাম নামক সংগঠনটি ছিলো ডেট্রয়েট ভিত্তিক কালোদের একটি সংগঠন, এরা নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করলেও আসলে সংগঠনটি ছিলো কাদিয়ানী টাইপের সংগঠন, যারা আরো নবীর আগমনে বিশ্বাসী। ১৯৭৫ সালে অবশ্য মোহাম্মাদ আলী ভুল বুঝতে পারেন এবং নতুন করে সুন্নী মুসলিম-এ কনভার্ট হন। ১৯৮০ সালে রহস্যজনক ভাবে তার পারকিনসন রোগ ধরা পড়ে এবং প্রচার করা হয় বক্সিং খেলার কারণেই সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এবং এতেই তার ক্যারিয়ারের পরিসমাপ্তি ঘটে।
অনেকেই বলেছেন- বক্সিং খেলার কারণে নয় বরং সিআইএ পয়জন প্রবেশ করিয়ে মোহাম্মাদ আলীকে অসুস্থ করেছে। এরজন্য অবশ্য অনেকেই কারণ হিসেবে দাড় করান, যেহেতু তিনি ১৯৬৪ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ছিলেন, তাই বিশেষ ঔষধ প্রয়োগে তার ব্রেইনকে ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়। কিন্তু সেটা আমার মনে হয় না। কারণ ঐ ঘটনার পর আরো প্রায় ২ যুগ সে তার ক্যারিয়ার রান করে এবং বড় বড় খেলায় জয়লাভ করে।
আমার মনে হয়, যখন সে মূল ইসলামের দিকে অর্থাৎ কাদিয়ানী টাইপ ধর্ম ত্যাগ করে ১৯৭৫ সালে মূল ইসলামের দিকে ফিরে আসে তখনই সে সিআইএ’র শত্রুতে পরিণত হয়। আর সেই ধারবাহিকতায় ১৯৮০ সালে পারকিনসনে তার ক্যারিয়ারের পরিসমাপ্তি ঘটে।
মূলত কর্পোরেট ইহুদীরা সারা বিশ্বকে নিয়ন্ত্রন করে সেলিব্রেটির মাধ্যমে। তারাই বিভিন্ন সময় সেলিব্রেটিদের উত্থ্যান ঘটায় এবং ঐ সিলেব্রেটিরা যা করে সাধারণ মানুষ অন্ধের মত তাদেরকেই অনুসরণ করে, এভাবেই সারা বিশ্বকে নাচায় ইহুদীরা। কিন্তু সেই সেলিব্রেটিরা যখন ইহুদীদের মূল ট্র্যাক থেকে সরে যায়, তখন বাধ্য হয়ে তাদেরকে হত্যা ও অথবা অসুস্থ করতে বাধ্য হয় তারা। যেমন মাইকেল জ্যাকসন কিংবা প্রিন্সেস ডায়ানা, তারাও ইসলাম গ্রহন করার পর তাদের কৌশলে হত্যা করা হয়েছিলো।
মূলত ইহুদীরা চেয়েছিলো মোহাম্মাদ আলী যেন কাদিয়ানী টাইপ ধর্ম গ্রহণ করে ঐ গোত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, কারণ কাদিয়ানী টাইপ ধর্মগুলোর জন্মদাতাও খোদ ইহুদীরাই। কিন্তু যখনই মোহাম্মদ আলী সেই রাস্তা থেকে সরে এসে মূল ধারার ইসলামে যোগদান করলো, তখনই তাকে কৌশলে শেষ করে দেওয়া হলো। কারণ মারাত্মক জনপ্রিয় মোহাম্মাদ আলীকে অনুসরণ করে অনেকেই কনভার্ট হয়ে মূল ধারারা ইসলামে সংযুক্ত হয়ে যেতে পারে।
যাই হোক বহুদিন দুরারোগ্য রোগে ভোগার পর অবশেষে আজকে বিদায় নিলেন কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী। বিদায় মোহাম্মদ আলী...........
কিন্তু আমাদের বাবা-চাচাদের কাছে বক্সার মোহাম্মাদ আলী ছিলো হিরো।
তারা মোহাম্মাদ আলী বলতে পাগল ছিলেন। বাংলাদেশেও একবার এসেছিলেন সে হিরো, তখন তাকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমিয়েছিলো অনেক বাঙালী।
কিছুক্ষন আগে খবর পেলাম সেই মোহাম্মদ আলী মারা গেছেন।
মোহাম্মাদ আলী হচ্ছেন সাবেক মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা, ৩ বারের ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাপিয়ন এবং ওলিম্পিক লাইট-হেভিওয়েট স্বর্ণপদক বিজয়ী। ১৯৯৯ সালে মুহাম্মদ আলীকে বিবিসি এবং স্পোর্টস ইলাট্রেটেড স্পোর্টসম্যান অব দ্যা সেঞ্চুরী (শতাব্দীর সেরা ক্রীড়াবিদ) হিসেবে ঘোষণা করে।
মোহাম্মাদ আলী প্রথম জীবনে খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারি ছিলো, তখন তার নাম ছিলো ক্যাসিয়াস মারকেলাস ক্লে জুনিয়র। ১৯৬৪ সালে তিনি নেশন অব ইসলাম (Nation of Islam- NOI) নামক একটি দলের সাথে যোগদান করেন এবং নিজেকে মুসলিম হিসেবে পরিচয় দান করেন। নেশন অব ইসলাম নামক সংগঠনটি ছিলো ডেট্রয়েট ভিত্তিক কালোদের একটি সংগঠন, এরা নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করলেও আসলে সংগঠনটি ছিলো কাদিয়ানী টাইপের সংগঠন, যারা আরো নবীর আগমনে বিশ্বাসী। ১৯৭৫ সালে অবশ্য মোহাম্মাদ আলী ভুল বুঝতে পারেন এবং নতুন করে সুন্নী মুসলিম-এ কনভার্ট হন। ১৯৮০ সালে রহস্যজনক ভাবে তার পারকিনসন রোগ ধরা পড়ে এবং প্রচার করা হয় বক্সিং খেলার কারণেই সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এবং এতেই তার ক্যারিয়ারের পরিসমাপ্তি ঘটে।
অনেকেই বলেছেন- বক্সিং খেলার কারণে নয় বরং সিআইএ পয়জন প্রবেশ করিয়ে মোহাম্মাদ আলীকে অসুস্থ করেছে। এরজন্য অবশ্য অনেকেই কারণ হিসেবে দাড় করান, যেহেতু তিনি ১৯৬৪ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ছিলেন, তাই বিশেষ ঔষধ প্রয়োগে তার ব্রেইনকে ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়। কিন্তু সেটা আমার মনে হয় না। কারণ ঐ ঘটনার পর আরো প্রায় ২ যুগ সে তার ক্যারিয়ার রান করে এবং বড় বড় খেলায় জয়লাভ করে।
আমার মনে হয়, যখন সে মূল ইসলামের দিকে অর্থাৎ কাদিয়ানী টাইপ ধর্ম ত্যাগ করে ১৯৭৫ সালে মূল ইসলামের দিকে ফিরে আসে তখনই সে সিআইএ’র শত্রুতে পরিণত হয়। আর সেই ধারবাহিকতায় ১৯৮০ সালে পারকিনসনে তার ক্যারিয়ারের পরিসমাপ্তি ঘটে।
মূলত কর্পোরেট ইহুদীরা সারা বিশ্বকে নিয়ন্ত্রন করে সেলিব্রেটির মাধ্যমে। তারাই বিভিন্ন সময় সেলিব্রেটিদের উত্থ্যান ঘটায় এবং ঐ সিলেব্রেটিরা যা করে সাধারণ মানুষ অন্ধের মত তাদেরকেই অনুসরণ করে, এভাবেই সারা বিশ্বকে নাচায় ইহুদীরা। কিন্তু সেই সেলিব্রেটিরা যখন ইহুদীদের মূল ট্র্যাক থেকে সরে যায়, তখন বাধ্য হয়ে তাদেরকে হত্যা ও অথবা অসুস্থ করতে বাধ্য হয় তারা। যেমন মাইকেল জ্যাকসন কিংবা প্রিন্সেস ডায়ানা, তারাও ইসলাম গ্রহন করার পর তাদের কৌশলে হত্যা করা হয়েছিলো।
মূলত ইহুদীরা চেয়েছিলো মোহাম্মাদ আলী যেন কাদিয়ানী টাইপ ধর্ম গ্রহণ করে ঐ গোত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, কারণ কাদিয়ানী টাইপ ধর্মগুলোর জন্মদাতাও খোদ ইহুদীরাই। কিন্তু যখনই মোহাম্মদ আলী সেই রাস্তা থেকে সরে এসে মূল ধারার ইসলামে যোগদান করলো, তখনই তাকে কৌশলে শেষ করে দেওয়া হলো। কারণ মারাত্মক জনপ্রিয় মোহাম্মাদ আলীকে অনুসরণ করে অনেকেই কনভার্ট হয়ে মূল ধারারা ইসলামে সংযুক্ত হয়ে যেতে পারে।
যাই হোক বহুদিন দুরারোগ্য রোগে ভোগার পর অবশেষে আজকে বিদায় নিলেন কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী। বিদায় মোহাম্মদ আলী...........
No comments