Header Ads

ad728
  • Breaking News

    রাজধানী ঢাকা শহরে বর্জ্য অপসারণ

    ছবিটি গত বছর ঈদুল আযহার সময়কার- রাজধানী ঢাকা শহরে নির্দ্দিষ্ট স্থানে রাখা ময়লার কন্টেইনারগুলো ৩ দিনেও সরায়নি সিটি কর্পোরেশন (http://goo.gl/v9BbsP)। একবার চিন্তা করুন- যে সিটি কর্পোরেশন ৩ দিনেও ময়লার কন্টেইনার শুধুমাত্র ক্রেনগাড়ি দিয়ে তুলে নিতে আলসেমি করে, সেই সিটি কর্পোরেশন কিভাবে ১১শ’ স্পটের লক্ষ লক্ষ গরুর রক্ত-মাংশ-ভূড়ি নিমিষেই পরিষ্কার করবে ?? (উল্লেখ্য- সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার নাম হচ্ছে বিপন কুমার সাহা)। আসুন একটু হিসেব কষি- ঢাকা শহরে কোরবানি হয় কমপক্ষে ৩০-৪০ লক্ষ পশু স্পট দেওয়া হয়েছে মাত্র ১১০০টি তাহলে প্রতিস্পটে কোরবানি করতে হবে প্রায় ৩৬০০টি পশু দুই সিটিতে বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত থাকবে প্রায় ১৫ হাজার কর্মী তাহলে প্রতি স্পটে বর্জ্য অপসারণ করবে গড়ে ১৩ জন কর্মী। তাহলে ১ জন কর্মীকে গড়ে অপসারণ করতে হবে কমপক্ষে ২৭৬টি পশুর বর্জ্য। যেহেতু ঈদের প্রথম দিনই প্রায় সব পশু কোরবানি হয় তাই প্রথম দিনই ২৭৬টি পশুর বর্জ্য অপসারণের দায়িত্ব নিতে হবে। আর একই স্পটে যেহেতু বার বার পশু জবাই করা হবে, তাই স্পটে বর্জ্য ফেলে রাখা যাবে না,তৎক্ষণাত পরিষ্কার করতে হবে। তাই সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা, এই ১২ ঘণ্টা হিসেব করলে প্রতি ঘণ্টায় একজন কর্মীকে পরিষ্কার করতে হবে গড়ে ২৩টি পশুর বর্জ্য। আমার জানা মতে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা, বিশেষ করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কর্মীরা খুবই অলস টাইপের হয়। এরা এক দিনের কাজ ৭ দিনে করে। প্রতি কর্মী ঘণ্টায় গড়ে ২৩টি পশুর বর্জ্য পরিষ্কার করবে, এটা একটা গাধাও বিশ্বাস করতে চাইবে না। বরং দেখা যাবে- পাবলিককে নির্ধারিত স্পটে নামিয়ে এরা চম্পট দিয়েছে। তখন আম-ছালা সব হারাতে হবে পাবলিককে।

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728