Header Ads

ad728
  • Breaking News

    প্রধানমন্ত্রী দেশের মালিক নাকি কর্মচারী

    আসলে প্রধানমন্ত্রী হলেই কিন্তু কেউ দেশের মালিক হয়ে যায় না বরং দেশের মালিক জনগণ, আর প্রধানমন্ত্রী হচ্ছে সেই দেশের একজন কর্মচারি কর্মচারি তার প্রমাণ- প্রধানমন্ত্রী প্রতি মাসে মাসে দেশের থেকে বেতন নেন। তিনি যদি মালিকই হবেন তবে বেতন নেন কেন ? প্রধানমন্ত্রী যেহেতু একজন কর্মচারি, তাই তিনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন না তার সবকিছু করা উচিত মালিকের (জনগণের) স্বার্থের দিকে খেয়াল রেখে, দেশের স্বার্থের দিকে খেয়াল রেখে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরোধীতা করেছে চীনপন্থী বামরা রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরোধীতা করেছে বিএনপি তাই এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ যদি আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়, তবে ভুল করবে। কারণ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরোধীতা করেছে কিন্তু খোদ দেশের সকল জনগণ, যেই বিরোধীতা বিএনপি বা চীনপন্থী বামদের সকল ইস্যুতে তারা করেনি। এর দ্বারা প্রমাণ হয় ‘রামপাল বিদ্যুৎ ইস্যু’ একটি জাতীয় ইস্যু, যেই ইসুতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষে বলে যে কেউ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। হ্যা- একাত্তর টিভির মোজাম্মেল বাবু চামচাামি করে পক্ষে বলবে, সমকালের গোলাম সারোয়ার তোষণ করে পদলেহন করবে, ভোরের কাগজের শ্যামল দত্ত টিস্যু দিয়ে পশ্চাৎদেশ মুছেও দিতে পারে। কিন্তু এই চামচাদের চামচামি দ্বারা কিন্ত এটা প্রমাণ হয় না- রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ আসলে যৌক্তিক। বরং শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু আর গোলাম সারোয়ারের মত তোষামদকারী ভণ্ডদের পক্ষে অবস্থান প্রমাণ করে- এই রামপাল ইস্যুতে ভুল করছে সরকার। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইস্যুতে আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য এটাই প্রমাণ করেছে, আওয়ামীলীগ এখন গায়ের জোরে জনগণের উপর খেল খেলতে চাইছে। আওয়ামীলীগের পাশে রয়েছে তোষামোদ চামচা, আর উপর থেকে নির্দেশদাতা হিসেবে আছে বিদেশী প্রভুরা। তাই তারা জনগণকে ড্যাম কেয়ার করছে, ভাবছে তারাই বোধ হয় দেশের মালিক। কর্মচারি যখন নিজেকে মালিক বলে দাবি করে এবং মালিকের বিরোধীতা শুরু করে, তখন তার চাকুরী আর কত দিন থাকে, সেটাই এখন গণনার বিষয়।

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728