Header Ads

ad728
  • Breaking News

    কমানো হচ্ছে কোরবানীর হাটের সংখ্যা

    ঢাকা শহরে ২০১৪ সালে পশুর হাটের সংখ্যা ছিলো ২২টি ২০১৫ সালে পশুর হাটের সংখ্যা কমে হয় ১৫টি ঐ সময় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হওয়ায় এ বছর সরকার ৩টি হাট বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, হাটের সংখ্যা করার কথা ছিলো ১৮টি। কিন্তু সে আশায়ও গুড়ে বাড়ি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩টি হাটের (রায়েরবাজার, শ্যামপুর ও দনিয়া) ইজারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে হাটের সংখ্যা এখন পর্যন্ত দাড়িয়েছে ১৫টিতে। শেষ পর্যন্ত হাটের সংখ্যা কমে যদি ১০-১২টি হয়, তবে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। হাটের সংখ্যা হ্রাস হওয়ার পিছনে সাধারণত হাট ইজারাদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বকে মিডিয়াতে ফোকাস করা হয়। কিন্তু কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে প্রশাসনিকভাবেও হাট বন্ধ করার জন্য আড়াল থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য-সারা দেশে ২০১২ সালে দূর্গা পূজা মণ্ডপের সংখ্যা ছিলো ২৭ হাজার ৮০০টি ২০১৩ সালে সে সংখ্যা বৃদ্ধি করে করা হয় ২৮ হাজার ২০০টি ২০১৪ সালে মণ্ডপের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি হয়ে দাড়ায় ২৮ হাজার ২৪০টি ২০১৫ সালে তা আরো বৃদ্ধি করে করা হয় ২৮ হাজার ৪৫৮টি অর্থাত বছর বছর মণ্ডপের সংখ্যা ঠিকই বৃদ্ধি করা হচ্ছে, কিন্তু হ্রাস করা হচ্ছে কোরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা। কারণ হিসেবে অবশ্য দাড় করানো হচ্ছে কোরবানীর হাটের মাধ্যমে যানজট, পবিবেশ দূষণ ইত্যাদি হয়, তাই। কিন্তু যে ঈদের মূল উপলক্ষ্য হচ্ছে কোরবানীর পশু, সেই কোরবানীর পশু ক্রয় করাকে কেন নানানভাবে অনুতসাহিত করা হচ্ছে সেটা সত্যিই সন্দেহজনক। তাই বলতে হয়- মণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে যেমন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ভালোভাবে করার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে, ঠিক তেমনি পশুর হাটের সংখ্যা কমপক্ষে ৫০টি করে (দুই সিটি কর্পোরেশনে) সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদেরও ধর্মীয় অনুষ্ঠান সাচ্ছন্দে করার সুযোগ দেয়া হোক। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728