
এই স্কুলটির আর্থিক খরচ চালাতো রাগীব রাবেয়া ফাউন্ডেশন। কিন্তু ৯০ বছরের বৃদ্ধ রাগীব আলীকে মামলা দিয়ে দেশান্তরী করায় এখন হুমকির মুখে পড়েছে স্কুলের ৩ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর ভবিষ্যত।
তবে আমি মজা পেয়েছি- sylhetview24 এর কথিত সাংবাদিক (সাংবাদিক=খাঃপৌ) রনিক পাল এর নিউজ দেখে। সে নিউজের মধ্যে লিখেছে-
“২০০৪ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন মজনু মিয়া। কিন্তু আর্থিক ব্যয় না মেটাতে পেরে মজনু মিয়া স্কুলটি বিক্রি করে দেন। সুযোগ বুঝে রাগীব আলী বড় অংকের টাকার মিনিময়ে একাডেমিটি ক্রয় করে নেন। বিনিময়ে একাডেমিটির নাম বদল করে নতুন নামকরন করা হয়েছে ‘রাগীব মজনু” উচ্চ বিদ্যালয়।”
(http://www.sylhetview24.com/news/details/Sylhet/68702)
কথিত সাংবাদিক (সাংবাদিক=খাঃপৌ) রনিক পাল এর নিউজ দেখে যে কেউ মনে করবে রাগীব আলী মনে হয় সুযোগ বুঝে স্কুলটি ক্রয় করে বড় ধরনের অন্যায় কোন কাজ করেছেন। অথচ এ ধরনের একটি অলাভজনক স্কুল ক্রয় করা মানে ব্যয়ের বোঝা মাথায় নেয়া। রাগীব আলী নিতান্ত ভালো মানুষ দেখে স্কুলটি চালানোর জন্য ক্রয় করে ফাউন্ডেশনের নামে দিয়ে দিয়েছে।
আমার মনে হয়,
যেসব হিংসুটে সিলেটি রাগীব আলীকে ‘দানব’ ‘জালিয়াত’ বলে গালাগাল দিচ্ছে, তাদের উচিত এই ৩শ’ ছাত্র-ছাত্রীর ব্যয়ভাব বহন করা । মুখে মুখে মানুষকে খারাপ বলে নিজে ভালো সাজা খুব সোজা, কিন্তু পকেটের টাকা ব্যয় করে ভালো সাজা অনেক কঠিন।
No comments