Header Ads

ad728
  • Breaking News

    নোয়াখালীতে ৭ তলা সমান, ৭১ ফুট মূর্তি



    নোয়াখালীতে মূর্তির সাইজ করা হয়েছে ৭ তলা সমান, ৭১ ফুট ।
    আশেপাশের সব এলাকা থেকে যেন দূর্গা মূর্তি দেখা যায়।
    ভারতেও এত উচু দূর্গা মূর্তি করা হয়নি এবার।
    আচ্ছা এত যায়গা থাকতে নোয়াখালীতে কেন ৭১ ফুট মূর্তি করা হলো ??
    হিন্দুরা যে এলাকায় মার খেয়েছিলো, সে এলাকাতে হিন্দুরা আবার শক্তিশালী হচ্ছে, এমনটা বুঝাতেই কি এত উচু মূর্তি!
    কবিতায় বলে-
    “মা-দূর্গা স্ব-দলবলে দাড়িয়ে
    সব মসজিদ ছাড়িয়ে
    অসুরদেরকে শাসিয়ে
    উচু মাথা আকাশে”
    মজার বিষয় কি জানেন, এত বড় একটা মূর্তি হলো, কিন্তু নোয়াখালীর মুসলমানরা কোন অবজেকশন জানালো না। নাস্তিকদের স্বর্গররাজ্য বলে খ্যাত খোদ জার্মানিতেও যখন মুসলমানরা মসজিদের মিনার তৈরী করতে যায়, তখন ঐ এলাকার খ্রিস্টানরা আন্দোলন শুরু করে । জার্মানির চ্যান্সেলন ক্রিষ্টিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির অ্যাঞ্জেলা মার্কেল পর্যণ্ত বলে- না কিছুতেই গির্জার মিনার থেকে মসজিদের মিনার উচু হতে পারবে না।” (http://bit.ly/2cKGJ4K)
    এর কারণ খ্রিষ্টানরা ধারণা করে- মসজিদের মিনার হচ্ছে ইসলামাইজেশনের প্রতীক। আর গির্জার মিনার থেকে যদি মসজিদের মিনার উচু হয়, তবে বোঝা যায় ইউরোপের মুসলমানরা খ্রিস্টানদের উপর প্রভাব বিস্তার করে নিচ্ছে, যা হওয়ার নয়। পশ্চিমবঙ্গেও যদি কোন মসজিদ হতে যায়, তবে হিন্দু সংহতি বা বিজেপির সদস্যরা তৎক্ষণাত সেখানে বাধা দেয়। কারণ তাদেরও ধারণা মসজিদ সৃষ্টি হওয়ার অর্থই হচ্ছে তাদের ক্ষমতা খাটো হওয়ার লক্ষণ। (http://archive.is/add8Lhttp://archive.is/2BRZy)
    তবে বাংলাদেশের বোকা মুসলমানরা এই কথাটা শুধু বুঝতে অক্ষম, বড় বড় মূর্তি এমনকি ভারতের থেকেও বড় মূর্তি বানিয়ে, বেশি মণ্ডপ বানিয়ে আসলে কি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুসলমানদের শেষ নবীর বিদায়ের আগ মূহুর্তে তার সহচরগন জিজ্ঞেস করলেন- “হে আমাদের প্রিয় নবী, আমরা অমুসলিম ও মূর্তি পূজকদের সাথে কিরুপ আচরণ করবো।” তিনি বললেন- তোমরা তাদেরকে জাজিরাতুল আরব থেকে বের করে দেবে।” (বুখারী, খ-২ পৃ-৬৩৭),
    মুসলমানদের শেষ নবীর এ ধরনের বক্তব্যের অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে সম্ভবত তিনি ভেবেছিলেন- মুসলমানরা যদি অমুসলিম সাথে একসাথে অবস্থান করে তবে ইচ্ছা অনিচ্ছায় অমুসলিমদের কালচারগুলো মুসলমানদের মধ্যে প্রবেশ করবে, যা মুসলমানদের নিজ ধর্ম থেকে চ্যূত করে দিবে।
    পরবর্তী কালে মুসলমানদের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর মূর্তি পূজক ও অমুসলিমদের জাজিরাতুল আরব থেকে বের করে দিয়েছিলেন এবং অমুসলিমদের থাকার জন্য আলাদা ভূমি করে দিয়েছিলেন। পৃথকস্থানেই তারা যত খুশি পূচা-অর্চনা করতে পারতো, সেটা মুসলমানদের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করতে পারতো না। কিন্তু বাংলাদেশে এখন যেটা হচ্ছে সেটা সত্যিই ভয়ঙ্কর। কারণ এখানে শতকরা ৯৫% মুসলমানের মধ্যে ২-৩% হিন্দু তাদের মূর্তি দিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে। মুসলমানদেরও মূর্তি পূজকদের সাথে মিশ্রিত করতে চাইছে। তেলে ও পানিতে যেমন মিল খায় না, ঠিক তেমনি মুসলমান ও মূর্তিপূজকদের মধ্যে মিল খাওয়া সম্ভব না, কারণ দুটো জাতির মূল তত্ত্ব পরষ্পর বিরোধী (এক আল্লাহর উপাসনা বনাম দেবদেবীর পূজা)
    বিষয়টা আসলেই গুরুতর, কিন্তু মুসলমানরা অনুভূতিশূণ্য ও হিজরা জাতিতে পরিণত হওয়ায় এত বড় একটা বিষয় অনুধাবনই করতে পারছে না, যা সত্যিই হতাশাজনক।

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728