বাঙালীর ফ্রি এর লোভ………
একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে, বাঙালী নাকি ফ্রি দিলে আলকাতরাও খায়। স্বাভাবিকভাবে একটা মানুষকে যদি আলকাতরা খেতে দেন, তবে ঐ মানুষটা কিছুক্ষণ পর মারা যাবে। মানে- আলকাতরা বিষের মত কাজ করবে। ঐ প্রবাদটি যদি বাস্তবিক ব্যাখ্যা দাড় করাই, তবে বলা যায়- বাঙালীকে ফ্রি দিলে তারা বিষ খেয়ে মরতেও রাজি।
বাঙালীর ফ্রিয়ের লোভের কথা সবার জানা। শুনেছিলাম- এ অঞ্চলের মানুষকে নাকি ব্রিটিশরা ফ্রি সিগেরেট খাওয়ায়ছিলো। তখন থেকে সিগেরেটের নেশা লাগে। এরপর শত শত বছর ধরে সিগেরেটের নাম করে বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা তুলে নিচ্ছে সম্রাজ্যবাদীরা, সাথে জীবন যাচ্ছে যাক, কিছুই করার নেই। বাঙালীর যদি প্রথমেই ফ্রি এর প্রতি লোভ না দেখাতো, তবে আবার সিগেরেটে এত লক্ষ লক্ষ জীবনী যেতো না।
এই ফ্রি এর লোভ দেখিয়ে সম্রাজ্যবাদীরা কিন্তু গরীব দেশগুলোতে বিভিন্ন জীবানুও ছড়ায়। এই যে মাঝে মাঝে আপনারা নিশ্চয়ই শোনেন, সরকারি উদ্যোগে ফ্রি ওমুক ক্যাপসুল, তমুক ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে, অমুক-তমুক টিকা দেয়া হবে, তখন সাবধান। কারণ সরকারি উদ্যোগে কিছুই হয় না, এগুলো বিভিন্ন বিদেশী এনজিও সরকারকে ফান্ড দেয় সেগুলো দিয়ে সরকার এসব টিকা-ক্যাপসুলের ব্যবস্থা করে । কিন্তু টাকা দেওয়ার বিনিময়ে ঐ ক্যাপসুলের ভেতর ভরে দেয়া হয় বিভিন্ন হরমোন বা জীবাণু, যা দ্বারা তৃতীয় বিশ্বের মানুষগুলো অসুস্থ হবে, আর সেই অসুখ সারানোর নাম করে ওধুষ বিক্রি করে লাভবান হবে ঐ সম্রাজ্যবাদীরাই।
যাই হোক, যদিও ফ্রি নিয়ে আড্ডা চলছে, কিন্তু ফ্রি এর স্থলে নিয়ে আসলাম বোনাসের বিষয়টি। মানে চাকুরী ক্ষেত্রে হঠাত না চাইতে একটা বোনাস পাওয়া অনেকটা ঐ ফ্রি এর মতই। হ্যা পাঠক, আমি নববর্ষ বোনাসের কথাই বলছি। হঠাত করে জনগণকে না-চাইতে বোনাস দিতে চাওয়াটা ফ্রি এর মতই। হয়ত বলতে পারেন- কিছু মানুষ তো বোনাস চেয়েছিলো। কিন্তু আমি বলবো- পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বোনাস এর বিষয়টি গণমানুষের দাবি ছিলো না, তাই না চাইতেই এতগুলো টাকা সরকারী ফান্ড থেকে গচ্ছা নিশ্চয়ই এমনি এমনি দেয়া হয়নি, পেছনে অবশ্যই বড় কোন কারণ আছে।
এখন কথা উঠতে পারে পহেলা বৈশাখের বোনাস এর পেছনের কারণটা কি ?
এর উত্তর সোজা। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, বাংলাদেশের দিকে শকুনী দৃষ্টি পড়েছে হিন্দুত্ববাদী ভারতের। আর হিন্দুত্ববাদী ভারতকে কন্ট্রোল করছে ইহুদীরা। তারমানে বাংলাদেশের শকুনী দৃষ্টি বাস্তবায়নের জন্য দরকার বাংলাদেশের মানুষগুলোকে মনমানসিকতায় মূর্তিপূজক বানানো, তখন দখল করা সহজ হবে। আর সেই মূর্তিপূজক বানানোর অন্যতম বড় উপলক্ষ হচ্ছে সেই পহেলা বৈশাখ। (আমি গত কয়েকদিন আগে একটা লেখায় বলেছিলাম ইহুদীরা সব সময় প্যাগান বা মূর্তিপূজক ধর্ম প্রমোট করে মুসলমানদের চ্যূত করে। সে হিসেবে বাংলাদেশের হিন্দুদের ধমর্ কে প্রমোট করে ইহুদীরা- http://bit.ly/2nDG8af)।
আপনাদের ভুলে যাবার কথা নয়, গত কয়েক বছর ধরে ইসলামী ধর্মবেত্তাদের বক্তব্য- ‘পহেলা বৈশাখ হিন্দুদের অনুষ্ঠান, মুসলমানদের জন্য পালন করা হারাম‘- এই তত্ত্ব পেয়ে অনেক মুসলমানই পহেলা বৈশাখ থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলো। এ অবস্থায় এমন একটি শিকড় দরকার ছিলো যার মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ আরো দৃঢ় গেড়ে বসবে এবং সহজে সরানো যাবে না। আর সেই শিকড়টির নাম হচ্ছে পহেলা বৈশাখের বোনাস।
পাঠক ! বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখের নামে যে সংস্কৃতি ও গান-গল্প শেখানো হয় তার সিংহ ভাগ হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ সংস্কৃতি। আর সমস্যাটা কিন্তু সেই রবীন্দ্রনাথেই। কারণ রবীন্দ্রনাথের দুটো পরিচয় উল্লেখযোগ্য-
১) সে ভারতের জাতীয় কবি। তার সংস্কৃতি শেখা মানে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ শেখা । আর বাংলাদেশীদের যদি ভারতীয় জাতীয়তাবাদ শেখানো হয় তবে ইচ্ছা-অনিচ্ছায় বাংলাদেশ ভারতের অঙ্গরাজ্যে পরিণত হবেই হবে।
২) রবীন্দ্রনাথ ছিলো খুব সুপরিচিত ফ্রি-মেসন সদস্য (http://bit.ly/2nDpWFR)। আর ফ্রি মেসন যে ইহুদীদের অন্যতম গুপ্ত সংগঠন তা অনেকেই জানে। তার মানে রবীন্দ্র কালচার শেখানো মানে ফ্রি-মেসনদেরই উপকার করা।
বাঙালীরা এখন কি করবে ??
খুব সোজা। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ফ্রি বোনাসের লোভ সামলাতে হবে। না, আমি টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলছি না। মুসলমানরা বোনাস নিক, কিন্তু সেটা পহেলা বৈশাখে নয়, মুসলমানদের অন্যকোন ধর্মীয় দিবসে বোনাস নিক। জাস্ট টাকাটা ঘুরিয়ে নিলেই হলো, তখন পহেলা বৈশাখের বিরোধীতা করা সম্ভব হবে, ফলে বাঙালীর কালচার থেকে পহেলা বৈশাখ সরিয়ে দেয়াটা কঠিন কোন বিষয় হবে না।
---------------------------------------------------
--আমার নতুন পেইজ Noyon Chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
--আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6 (https://www.facebook.com/202647270140320/)

No comments