কোন খবর বিশ্বাস করবো ?
গত ৬ই মে দৈনিক ইত্তেফাকে খবর আসে- ‘মন্দিরের পথ বন্ধ করে হাসপাতাল নির্মাণ করছেন আওয়ামী লীগ নেতা’ খবরের হেডিং দেখে বোঝা যাচ্ছে- হাসপাতালের থেকে মন্দিরের রাস্তাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যার কারণে হাসপাতালটা না হওয়া জরুরী। মন্দিরে পূজা করা জরুরী, হাসপাতাল ভেঙ্গে ফেলো। ইত্তেফাকের খবর পড়ে বুঝলাম- এই মন্দিরের যায়গাটা এক মুসলমানদের দেয়া। ত্রিশ বছর আগে রাজবাড়ী জেলার সাবেক এমপি আক্কাস আলী মিয়া ৩০ শতাংশ জমি মন্দিরের নামে দেয়, সেখানে হিন্দুরাও বসবাস করে। মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রমথ চন্দ্র সূর্য শীল বলে, মন্দিরের পাশে নিজ ক্রয়কৃত যায়গায় জনকল্যানে একটি ডাইবেটিক হাসপাতাল বানাতে চাইছে চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম খান। কিন্তু এতে মন্দিরের সামনের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে, তাই হিন্দুরা প্রেসক্লাবে মানবন্ধন করেছে হাসপাতালটি উচ্ছেদ করার জন্য। (http://bit.ly/2qMFGVh)
এবার আসি দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার খবরে যা গত ৩০শে এপ্রিল প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম- শিবালয়ে হাসপাতাল নির্মাণে বাধা
বিস্তারিত- মানিকগঞ্জের শিবালয়ে জনৈক দানবীরের ব্যক্তিগত অর্থায়নে একটি ডায়াবেটিকস হাসপাতাল নির্মাণ কাজে একটি চিহ্নিত মহল হীন উদ্দেশ্যে বাঁধাগ্রস্থ করে আসছে। গত শুক্রবার শিবালয় প্রেসক্লাবে উপস্থিত সাংবাদিকদের নিকট এ সংক্রান্ত দলীল পত্রাদিসহ নানা তথ্য উপস্থাপন করেন দানবীর আলহাজ আব্দুর রহিম খান।
জনস্বার্থে গত এক বছর আগে নিজস্ব অর্থায়নে উক্ত ভূমিতে ডায়াবেটিকস হাসপাতাল নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ইতোমধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সার্ভেয়ার ও ব্যক্তিগত আমিন দ্বারা উক্ত ভূমি পরিমাপ করা হয়। এতে, পার্শ্ববর্তী জনৈক প্রমথ চন্দ্র শীল সূর্যর বাড়ির একাংশ উক্ত ক্রয়কৃত ভূমির মধ্যে পড়ে। সূর্য শীল ভূমির দখল ছেড়ে না দিয়ে উল্টো তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমুর্তি ক্ষুন্নের অসৎ উদ্দেশ্যে নানা কুৎসা রটনা ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। সূর্য শীল ভূমি জবর দখলের জন্য ওই স্থানে কথিত মন্দির আছে বলে দাবি করছে। সূর্য শীলের এহেন কাজে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে নানা বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, শিবালয় উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম খান জনস্বার্থে আরিচা ঘাটের অধুরে মহাসড়ক ঘেসা একটি মনোরম পরিবেশে ডায়বেটিক হাসপাতাল নির্মাণ শুরু করেন। স্থানীয় সুর্যশীল নামের কতিপয় ব্যক্তি তার বাড়ির সামনে ‘মন্দিরের’ দোহাই দিয়ে এ নিমার্ণ কাজে বাধাগ্রস্থ করেন। তিনি ঐ মন্দির কমিটির সভাপতি বলেও দাবী করেন। বিষয়টি ধর্মীয় অনুভূতিতে সহজেই আঘাত হানবে এমন পারিকল্পনায় সুর্যশীল বিভিন্ন দপ্তরে ‘মন্দিরের জায়গা’ দখল উল্ল্যেখ করে অভিযোগ করেন। (http://bit.ly/2plg5Sd)
জনস্বার্থে গত এক বছর আগে নিজস্ব অর্থায়নে উক্ত ভূমিতে ডায়াবেটিকস হাসপাতাল নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ইতোমধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সার্ভেয়ার ও ব্যক্তিগত আমিন দ্বারা উক্ত ভূমি পরিমাপ করা হয়। এতে, পার্শ্ববর্তী জনৈক প্রমথ চন্দ্র শীল সূর্যর বাড়ির একাংশ উক্ত ক্রয়কৃত ভূমির মধ্যে পড়ে। সূর্য শীল ভূমির দখল ছেড়ে না দিয়ে উল্টো তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমুর্তি ক্ষুন্নের অসৎ উদ্দেশ্যে নানা কুৎসা রটনা ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। সূর্য শীল ভূমি জবর দখলের জন্য ওই স্থানে কথিত মন্দির আছে বলে দাবি করছে। সূর্য শীলের এহেন কাজে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে নানা বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, শিবালয় উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম খান জনস্বার্থে আরিচা ঘাটের অধুরে মহাসড়ক ঘেসা একটি মনোরম পরিবেশে ডায়বেটিক হাসপাতাল নির্মাণ শুরু করেন। স্থানীয় সুর্যশীল নামের কতিপয় ব্যক্তি তার বাড়ির সামনে ‘মন্দিরের’ দোহাই দিয়ে এ নিমার্ণ কাজে বাধাগ্রস্থ করেন। তিনি ঐ মন্দির কমিটির সভাপতি বলেও দাবী করেন। বিষয়টি ধর্মীয় অনুভূতিতে সহজেই আঘাত হানবে এমন পারিকল্পনায় সুর্যশীল বিভিন্ন দপ্তরে ‘মন্দিরের জায়গা’ দখল উল্ল্যেখ করে অভিযোগ করেন। (http://bit.ly/2plg5Sd)
কি বুঝলেন ?
১) মন্দিরের যায়গা দিলো মুসলমানরা।
২) সেখানে বাসবাড়ি বানিয়ে থাকে হিন্দুরা।
৩) পাশে জনকল্যাণ্যে একটা হাসপাতাল বানাতে চাইছে মুসলমানরা
৪) হিন্দু অবৈধভাবে থাকছে, সেটা বাদ। হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া হোক পূজার সুবিধার জন্য।
বাকিটা আপনারাই চিন্তা করেন......
---------------------------------------------------
--আমার ফেসবুক পেইজ Noyon Chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
--আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6 (https://www.facebook.com/202647270140320/)

No comments