Header Ads

ad728
  • Breaking News

    একটা স্বাধীন দেশে, স্বাধীন নাগরিকের বিয়ে বন্ধ করে সরকার কোন যুক্তিতে ??


    খবর-
    ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীর বিয়ে থামালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী পলি আক্তারের সাথে বিয়ে হচ্ছিলো ফরহাদ মিয়া নামক এক যুবকের। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন তোমার বয়স কত ? মেয়ে বললো- আমি ম্যাচিউরড। এরপর নির্বাহী কর্মকর্তা মেয়েটিকে বোঝাতে শুরু করলো ম্যাচিউরড সম্পর্কে। এতে মেয়েটি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। অবশেষে মেয়েটির বিয়ে বন্ধ হয়ে গেলো। (http://bit.ly/2va3RT5)

    ভালোভাবে খেয়াল করুন-
    ১) পারিবারিক ভাবে বিয়ে হচ্ছে । বাবা-মা রাজি।
    ২) মেয়ে-ছেলে রাজী ।
    ৩) মেয়ে নিজের মুখে বললো সে ম্যাচিউরড।

    এরপরেও একটা স্বাধীন দেশে, স্বাধীন নাগরিককে আপনি বিয়ে করতে আটকে রাখেন কোন যুক্তিতে ?
    এটা কি মৌলিক অধিকার হরণ নয় ??

    গ্রাম-বাংলার একটা মেয়ের বিয়ে মানে তার জীবন-মরণ। কত কষ্ট করে জমানো টাকা খরচ করে গরীব বাবা তার কন্যার বিয়ের আয়োজন করে। যার বিয়ে একবার ভেঙ্গে যায়, তার মাথায় কত বড় পাহাড় ভেঙ্গে পড়ে, সেটা ঐ মেয়ে ও তার পরিবারই জানে। সেখানে পুলিশ-ইউএনও গিয়ে বিয়ে বন্ধ করছে, এটা কেমন হিংস্রতা ?
    বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে পড়লাম, তার বিয়ের সময় বয়স ছিলো ১০ বছর, আর শেখ হাসিনার মায়ের বয়স ছিলো মাত্র ৩ বছর । তাহলে বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি ?

    গত কয়েকদিন আগে, ঢাকার রামপুরায় ডাস্টবিনে এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ (http://bit.ly/2tEYS8I)
    কে এই নবজাতক, কেন তার বাবা-মা তার দায়িত্ব নিচ্ছে না।
    আপনি ম্যাচিউরড মেয়ের বিয়ে আটকে রাখবেন, আর ডাস্টবিনে নবজাতকের লাশ পাবেন না, সেটা তো হবে না।

    আপনারা হয়ত অনেকে জানেন, তবুও বলছি-
    বাংলাদেশে কথিত বাল্যবিবাহ বন্ধের এই কার্যক্রম চালানো হয় সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে (গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট)।
    আর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই কার্যক্রমটি চালাচ্ছে মার্কিন সরকারের NSSM200 পলিসি অনুসারে (অবশ্যই ফ্রি নয়) । NSSM200 মানে National Security Study Memorandum 200 পলিসি। এই পলিসি অনুসারে মার্কিন সরকার নিজ দেশের নিরাপত্তা, নিজ নাগরিকদের আরাম-আয়েশ ও সম্রাজ্যবাদ টিকিয়ে রাখতে ১৩টি দেশের জনসংখ্যাকে হুমকি হিসেবে মনে করে। এই ১৩টি দেশের মধ্যে ১টি দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ। মার্কিন সরকারের ভাষ্য, যতদিন এই দেশগুলোর জনসংখ্যা কম থাকবে, তারা তত প্রাকৃতি সম্পদ কম ব্যবহার করবে, আর সেই প্রাকৃতিক সম্পদ তারা মার্কিন মুল্লুকের জনগনের জন্য ব্যবহার করতে পারবে। এই জনসংখ্যা হ্রাসের অন্যতম উপায় হচ্ছে বাল্যবিয়ের বন্ধের নাম দিয়ে মেয়েদের অধিক বয়সে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া। আর একটি মেয়ে যত অধিক বয়সে বিয়ে করবে, সে সন্তান জন্মদানের জন্য তত কম সময় পাবে। আর যত কম সময় পাবে, তত কম সন্তান নিবে। ফলে দেশের জনসংখ্যা তত কম থাকবে।
    (http://bit.ly/1Vx0lZx)

    উল্লেখ্য গত ১৮ জুলাই ২০১৭ তারিখে দৈনিক প্রথম আলোতে একটি খবর ছাপা হয়। যার শিরোনাম ছিলো-
    প্রথম আলো-ইউএনএফপিএ (UNFPA) গোলটেবিল বৈঠক : পরিবারের সদস্যসংখ্যা সীমিত রাখতে হবে
    এ গোলটেবিল বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা, জাতিসংঘ, আমেরিকা (USAID) ও ব্রিটেন (DFID) সরকার পরিচালিত দুটো সংস্থা ও দৈনিক প্রথম আলোর সদস্যরা একত্রে বৈঠক করে- কিভাবে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কমানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা করে। (http://bit.ly/2vLlqGa)
    এর মধ্যে দুটো সিদ্ধান্ত উল্লেখযোগ্য-
    ১) মেয়েরা ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে হলেও ২০ বছর হওয়ার আগে যাতে কেউ সন্তান না নেয় সেটা নিশ্চিত করা।
    ২) মসজিদের ইমাম-খতিবদের ট্রেনিং দেয়া, যেন তারা মসজিদে মসজিদে পরিবার পরিকল্পনা বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য মানুষকে উৎসাহিত করে।

    এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য জাতিসংঘের UNFPA, আমেরিকার USAID আর ব্রিটেনের DFID নামের তিনটা এনজিও কিন্তু বাংলাদেশে সমকামীতা বিস্তারের জন্য কাজ করছে। (http://bit.ly/2tFALXf) অর্থাৎ সমকামী যত বাড়বে দেশে জনসংখ্যা তত কমবে। অর্থাৎ কখন সমকামী প্রমোট, কখন বাল্যবিয়ে বন্ধ, উদ্দেশ্য এক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন।

    আবার ফিরে আসি, বাংলাদেশের জনসংখ্যা হ্রাসে আমেরিকার NSSM200 পলিসি নিয়ে। উইপিডিয়ায় দেখুন, এই পলিসি তৈরী করেছে আমেরিকার ইহুদী বুদ্ধিজীবি হেনরী কিসিঞ্জার। এই হেনরী কিসিঞ্জার ১৯৭৪ সালেও বঙ্গবন্ধুকে নতুন বাংলাদেশের জনসংখ্যা হ্রাস করার জন্য চাপ দিয়েছিলো। উল্লেখ্য ইহুদী হেনরী কিসিঞ্জার হচ্ছে সকল মার্কিন প্রেসিডেন্টের আজীবন উপদেষ্টা। আপনাদের মনে থাকার কথা, কিন্তুদিন আগে চীন ‘এক সন্তান নীতি’ থেকে ফিরে এসেছিলো। চীন আর আমেরিকা যখন বন্ধু ছিলো তখন হেনরী কিসিঞ্জারের দেয়া বুদ্ধিতে ‘এক সন্তান নীতি’ গ্রহণ করেছিলো চীন। আজ চীন ‘এক সন্তান নীতি’কে অমানবিক বলে মাথা চাপড়ায়। বলে- “আহারে কত ভুল হয়ে গেছে।”

    বহুদিন পর চীন বুঝতে পেরেছে ইহুদী কিসিঞ্জারের মিথ্যা চাল। ফলে তারা কিসিঞ্জারের পলিসি থেকে সরে এসেছে। স্বাধীনতার পর থেকে হেনরী কিসিঞ্জারের প্ল্যান বাস্তবায়িত হচ্ছে বাংলাদেশেও। বাংলাদেশও হয়ত একদিন বুঝবে, কিন্তু ততদিনে বাংলাদেশকেও হয়ত চীনের মত মাথা চাপড়াতে হবে।



    ---------------------------------------------------
    --আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon Chatterjee 5
    (https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
    --পেইজ কোড- 249163178818686 ।

    --আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6 (https://www.facebook.com/202647270140320/

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728