মাহমুদুল হক মুন্সী ওরফে হাত কাটা লুলা বাধনের চিন্তধারা
গত কয়েকদিন ধরে টাইমলাইনে – একটা লেখা ঘুড়ছে। গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী মাহমুদুল হক মুন্সী ওরফে হাতকাটা লুলা বাধন নাকি একটা স্ট্যাটাসে প্রসব করেছে, যা লিঙ্কে পেলাম হুবুহু উল্লেখ করলাম-
উম্মেহানীর সাথে নবী মুহাম্মদের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিলো !
হযরত মুহম্মদ ও উম্মেহানীঃ উম্মেহানীর সাথে মুহম্মদের যখন সম্পর্ক গড়ে ওঠে তখন মুহম্মদ ও উম্মে হানী দুজনেই বিবাহিত। উম্মেহানীর এসলাম গ্রহনের সংবাদে তার স্বামী হুবায়রা খুবই দুঃখ পান এবং কবিতা রচনা করা শুরু করেন। তিনি প্রায়ই ঘরে থাকতেন না। এদিকে মুহম্মদ অধিকাংশ রাতেই কাবায় অবস্থান করতেন। মাঝে মাঝে রাতে তাকে খুঁজে পাওয়া যেতো না। খুব কাছেই ছিলো উম্মেহানীর ঘর। জিজ্ঞাসা করলে তিনি উত্তর দিতে পারতেন না। আবদুল মুত্তালিবের পরিবারের সদস্যরা একদিন তাকে জোর করলে তিনি শোনান মেরাজের কাহিনি। তিনি কল্পিত এক ডানাওয়ালা ঘোড়ায় চেপে আল্লার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন। আসলে সেদিন তিনি উম্মেহানীর সাথে রাত কাটিয়েছিলেন। এই বিষয়ে উম্মে হানী বিনতে আবু তালিব বলেন, ” ঐ রাত্রে উনি আমার গৃহে ঘুমান। রাতের সর্বশেষ নামাজ শেষ করে উনি ঘুমাতে যান; সেই সাথে আমরাও ঘুমিয়ে পড়ি। ভোরের কিছু আগেই উনি আমাদেরকে জাগিয়ে তুললেন। আমরা ফজরের নামাজ পড়লাম।” (ইবনে ইসহাক, পৃঃ ১৮৪)
(http://bit.ly/2fD6hDs)
(http://bit.ly/2fD6hDs)
বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, `পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তাহা।‘ যার মনে যা আছে, তার চিন্তার গতি-প্রকৃতি তো সেরকমই হবে।
ছোট বেলায় এক গল্প পড়েছিলাম- ``ভোর বেলা পুকুরে দুই ব্যক্তি নেমেছে । এর মধ্যে একব্যক্তি নামাজি, অজু করতে নেমেছে। আরেক ব্যক্তি হলো চোর, সে সারা রাত চুরি করে ভোর বেলায় কাদামাটি পরিষ্কার করতে নেমেছে।
নামাজি ব্যক্তি চোরকে দেখে চিন্তা করলো-``আহহারে, লোকটা কতই না ভালো। ভোর বেলা অজু করতে চলে এসেছে।
অন্যদিকে চোর নামাজি ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে মনে করলো- ``ব্যাটা চোর ! সারা রাত চুরি করে আইছে হাত মুখ ধুইতে।“
লুলা বাধনের (বাধন তার ডাক নাম) অবস্থাও সেকরম। মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন, হাদীস বা ইতিহাসে কোথাও এ ধরনের কথিত পরকীয়ার কথা বিন্দুমাত্র নাই, কিন্তু লুলা বাধনের ব্রেনে কোথা থেকে এমন উদ্ভট চিন্তার উদয় হইলো সেটাই হইলো আসল রহস্য।
ছোট বেলায় এক গল্প পড়েছিলাম- ``ভোর বেলা পুকুরে দুই ব্যক্তি নেমেছে । এর মধ্যে একব্যক্তি নামাজি, অজু করতে নেমেছে। আরেক ব্যক্তি হলো চোর, সে সারা রাত চুরি করে ভোর বেলায় কাদামাটি পরিষ্কার করতে নেমেছে।
নামাজি ব্যক্তি চোরকে দেখে চিন্তা করলো-``আহহারে, লোকটা কতই না ভালো। ভোর বেলা অজু করতে চলে এসেছে।
অন্যদিকে চোর নামাজি ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে মনে করলো- ``ব্যাটা চোর ! সারা রাত চুরি করে আইছে হাত মুখ ধুইতে।“
লুলা বাধনের (বাধন তার ডাক নাম) অবস্থাও সেকরম। মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন, হাদীস বা ইতিহাসে কোথাও এ ধরনের কথিত পরকীয়ার কথা বিন্দুমাত্র নাই, কিন্তু লুলা বাধনের ব্রেনে কোথা থেকে এমন উদ্ভট চিন্তার উদয় হইলো সেটাই হইলো আসল রহস্য।
আসলে এ ধরনের বক্তব্য যে লুলা বাধনের নিজস্ব বিকৃত চিন্তা, সেটা তার লেখার ভেতরে দেয়া ঐতিহাসিক গ্রন্থের একটি কোটেশনই বলে দেয়।
” ঐ রাত্রে উনি আমার গৃহে ঘুমান। রাতের সর্বশেষ নামাজ শেষ করে উনি ঘুমাতে যান; সেই সাথে আমরাও ঘুমিয়ে পড়ি। ভোরের কিছু আগেই উনি আমাদেরকে জাগিয়ে তুললেন। আমরা ফজরের নামাজ পড়লাম।” (ইবনে ইসহাক, পৃঃ ১৮৪)
লক্ষ্য করুণ ভালভাবে-----
১) নামাজ শেষ করে উনি ঘুমাতে যান,
২) সেই সাথে আমরাও ঘুমিয়ে পড়ি
৩) ভোরের কিছু আগেই উনি আমাদেরকে জাগিয়ে তুললেন।
ঐতিহাসিক গ্রন্থের `আমি‘, `আমরা‘ শব্দগুলোর দিকে খেয়াল করুন-
মুসলমানদের শেষ নবী নামাজ শেষ করে ঘুমাতে গেলেন, এরপর উম্মে হানি ও ঐ বাসার আরো মানুষ ঘুমাতে যান। আবার রাত শেষে তিনি উম্মে হানি ও বাসার অন্যান্য মানুষগুলোকেও ডেকে তুললেন।
তারমানে ঐ বাসায় উম্মে হানি ছাড়া মানুষ ছিলো। যদি উদ্ধৃতিটা এমন হতো- ``তিনি নামাজ পড়লেন এবং আমরা একসাথে ঘুমাতে গেলাম‘‘ তাহলে বিষয়টি নিয়ে তারা দাবি করতে পারতো। কিন্তু এখানে স্পষ্ট বলে দিচ্ছে- মুসলমানদের শেষ নবী তার চাচাতো বোনের বাসায় ঘুমাতে গেছেন, ঐ বাসায় আরো মানুষ ছিলো। স্বাভাবিকভাবে একজন মানুষ পরকীয়া করতে গেলে ঐ বাসার অন্যমানুষগুলোর সামনে নিশ্চয়ই পরকীয়া করবে না। তারমানে লুলা বাধন যে বিষয়টি উদ্ধৃতি করেছে, তার সাথে বক্তব্যের কোন মিল নেই। অর্থাত পুরো বিষয়টি লুলা বাধনের নিজস্ব চিন্তাধারার ফসল।
” ঐ রাত্রে উনি আমার গৃহে ঘুমান। রাতের সর্বশেষ নামাজ শেষ করে উনি ঘুমাতে যান; সেই সাথে আমরাও ঘুমিয়ে পড়ি। ভোরের কিছু আগেই উনি আমাদেরকে জাগিয়ে তুললেন। আমরা ফজরের নামাজ পড়লাম।” (ইবনে ইসহাক, পৃঃ ১৮৪)
লক্ষ্য করুণ ভালভাবে-----
১) নামাজ শেষ করে উনি ঘুমাতে যান,
২) সেই সাথে আমরাও ঘুমিয়ে পড়ি
৩) ভোরের কিছু আগেই উনি আমাদেরকে জাগিয়ে তুললেন।
ঐতিহাসিক গ্রন্থের `আমি‘, `আমরা‘ শব্দগুলোর দিকে খেয়াল করুন-
মুসলমানদের শেষ নবী নামাজ শেষ করে ঘুমাতে গেলেন, এরপর উম্মে হানি ও ঐ বাসার আরো মানুষ ঘুমাতে যান। আবার রাত শেষে তিনি উম্মে হানি ও বাসার অন্যান্য মানুষগুলোকেও ডেকে তুললেন।
তারমানে ঐ বাসায় উম্মে হানি ছাড়া মানুষ ছিলো। যদি উদ্ধৃতিটা এমন হতো- ``তিনি নামাজ পড়লেন এবং আমরা একসাথে ঘুমাতে গেলাম‘‘ তাহলে বিষয়টি নিয়ে তারা দাবি করতে পারতো। কিন্তু এখানে স্পষ্ট বলে দিচ্ছে- মুসলমানদের শেষ নবী তার চাচাতো বোনের বাসায় ঘুমাতে গেছেন, ঐ বাসায় আরো মানুষ ছিলো। স্বাভাবিকভাবে একজন মানুষ পরকীয়া করতে গেলে ঐ বাসার অন্যমানুষগুলোর সামনে নিশ্চয়ই পরকীয়া করবে না। তারমানে লুলা বাধন যে বিষয়টি উদ্ধৃতি করেছে, তার সাথে বক্তব্যের কোন মিল নেই। অর্থাত পুরো বিষয়টি লুলা বাধনের নিজস্ব চিন্তাধারার ফসল।
যাই হোক, একটা কথা শুনলাম-
লুলা বাধন নাকি পিউবার্টি হবার পর বাসার কাজের বেটির সাথে আকাম করতে গিয়ে কাজের বেটির জামাইয়ের হাতে ধরা পড়ছিলো। তখন কাজের বেটির জামাই নাকি দা দিয়ে এক কোপে বাধনের হাত দুই টুকরা করে দিছিলো। সেই থেকে তার নাম নাকি হয় লুলা বাধন (একারণে অনেকে লুল বাধনও ডাকে)। এই ইতিহাসের সপক্ষে কারো কাছে যদি আরো দলিল-প্রমাণ থাকে তবে দয়া করে কমেন্টে জানাবেন।
লুলা বাধন নাকি পিউবার্টি হবার পর বাসার কাজের বেটির সাথে আকাম করতে গিয়ে কাজের বেটির জামাইয়ের হাতে ধরা পড়ছিলো। তখন কাজের বেটির জামাই নাকি দা দিয়ে এক কোপে বাধনের হাত দুই টুকরা করে দিছিলো। সেই থেকে তার নাম নাকি হয় লুলা বাধন (একারণে অনেকে লুল বাধনও ডাকে)। এই ইতিহাসের সপক্ষে কারো কাছে যদি আরো দলিল-প্রমাণ থাকে তবে দয়া করে কমেন্টে জানাবেন।
---------------------------------------------------
--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon Chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
--আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6 (https://www.facebook.com/202647270140320/

No comments